😂 আওয়ারাপান
এক গ্রামে থাকত তিন বন্ধু—রনি, সুমন আর বাবু। তিনজনের মধ্যে রনি ছিল সবচেয়ে বড় আওয়ারা। কাজকর্মের নাম শুনলেই তার জ্বর আসত, কিন্তু খাওয়ার নাম শুনলে জ্বর পালিয়ে যেত!
এই বিভাগের সব পোস্ট
এক গ্রামে থাকত তিন বন্ধু—রনি, সুমন আর বাবু। তিনজনের মধ্যে রনি ছিল সবচেয়ে বড় আওয়ারা। কাজকর্মের নাম শুনলেই তার জ্বর আসত, কিন্তু খাওয়ার নাম শুনলে জ্বর পালিয়ে যেত!
হযরত সুলাইমান (আ.) একবার সমুদ্রের তীরে গেলেন। সেখানে তিনি দেখলেন, একটি ছোট পিঁপড়ে মুখে একটি সবুজ পাতা নিয়ে পানির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পিঁপড়েটি যখন পানির একেবারে কাছাকাছি পৌঁছাল, তখন হঠাৎ পানি থেকে একটি ব্যাঙ উঠে এল। পিঁপড়েটি ব্যাঙের পিঠে চড়ে বসল এবং ব্যাঙটি তাকে নিয়ে সমুদ্রের গভীর পানিতে ডুব দিল। অনেকক্ষণ পর ব্যাঙটি আবার ফিরে এল এবং পিঁপড়েটি তার পিঠ থেকে ডাঙায় নেমে এল। কিন্তু তখন পিঁপড়েটির মুখে সেই সবুজ পাতাটি ছিল না। এই অদ্ভুত দৃশ্য দেখে হযরত সুলাইমান (আ.) পিঁপড়েটিকে ডাকলেন এবং এর কারণ জিজ্ঞেস করলেন। পিঁপড়েটি জবাব দিল,
অনেক দিন আগের কথা। পাহাড়, নদী আর বিস্তীর্ণ মরুভূমিতে ঘেরা এক রাজ্যে বাস করতেন দয়ালু ও সাহসী যুবক হাতেম তাই। তাঁর কাছে ধনসম্পদের চেয়ে মানুষের দুঃখ মোচন করা ছিল অনেক বেশি মূল্যবান। কোনো পথিক বিপদে পড়লে, কোনো ক্ষুধার্ত মানুষ সাহায্য চাইলে কিংবা কোনো অসহায় মানুষ ন্যায়বিচারের আশায় তাঁর দরজায় এলে—হাতেম কাউকে খালি হাতে ফেরাতেন না। এক সন্ধ্যায় আকাশে কালো মেঘ জমেছিল। দূরে পাহাড়ের গায়ে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় হাতেমের প্রাসাদের দরজায় এসে দাঁড়ালেন এক বৃদ্ধ। তাঁর পোশাক ধুলোমাখা, মুখ ক্লান্ত, আর চোখে এমন এক গভীর বিষাদ—যেন বহু বছরের কষ্ট সেখানে জমে আছে। বৃদ্ধের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল এক তরুণী। তার নাম
বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যা। জানালার পাশে বসে বই পড়ছিল রাফি। হঠাৎ তার মনে হলো, কেউ যেন তাকে ডাকছে।
হুমায়ূন আহমেদের লেখার একটি বিশেষ সৌন্দর্য হলো—সাধারণ জীবনের ছোট ছোট ঘটনা, মানুষের মনের গোপন অনুভূতি, অভিমান আর নিঃসঙ্গতাকে তিনি এমনভাবে তুলে ধরেন, যেন সেগুলো আমাদের নিজেদের জীবনেরই গল্প। “আজ আমি কোথাও যাবো না” শিরোনামটির মধ্যেও একধরনের মানসিক অবস্থার ইঙ্গিত রয়েছে। কোথাও না যাওয়ার সিদ্ধান্ত কখনো নিছক ঘরে থাকার ইচ্ছা নয়; কখনো তা হতে পারে ক্লান্তি, নিজের মতো করে সময় কাটানোর আকাঙ্ক্ষা, মানুষের কাছ থেকে সাময়িক দূরত্ব তৈরি করা কিংবা নিজের মনের সঙ্গে কিছুক্ষণ একা থাকার চেষ্টা।
চোখের সামনে থেকেও যে সত্য দেখা যায় না গোয়ার এক শান্ত পাহাড়ি শহরে স্ত্রী নন্দিনী আর দুই মেয়েকে নিয়ে বসবাস করে বিজয় সালগাঁওকর। সে খুব সাধারণ একজন মানুষ। তার নিজের কোনো বড় পরিচয় নেই, নেই বিশেষ কোনো ক্ষমতা কিংবা প্রভাবশালী বন্ধু। একটি ছোট কেবল টিভির ব্যবসা চালিয়েই তার সংসার চলে। কিন্তু বিজয়ের মধ্যে এমন একটি গুণ আছে, যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে—সে অসাধারণ মনোযোগ দিয়ে সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে এবং একবার কোনো কিছু বুঝে ফেললে তা সহজে ভুলে যায় না।
আফ্রিকার সেই প্রান্তরে সেদিন তাদের লড়াই শুধু একটি হিংস্র সিংহের বিরুদ্ধে ছিল না; লড়াই ছিল হতাশা, অসহায়ত্ব আর মৃত্যুভয়ের বিরুদ্ধেও। আর তাদের সামনে তখনো পড়ে ছিল দীর্ঘ পথ—সভ্যতার কাছে ফিরে যাওয়ার পথ, জীবনের কাছে ফিরে যাওয়ার পথ।
সেই পাগলামিটাই আজ ২০ মিলিয়ন ডলারের কোম্পানি। আর গত মে মাসে সেটাকে নীরবে কিনে নিয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কোম্পানি - অ্যাপল।হ্যাঁ, গল্পটা আমাদের। বাংলাদেশের।So...
বিকেলের আকাশে তখন মেঘ জমেছে। জানালার পাশে বসে পুরোনো হারমোনিয়ামটার দিকে তাকিয়ে ছিল অয়ন। হারমোনিয়ামটির গায়ে ধুলোর আস্তরণ, কয়েকটি চাবি ভেঙে গেছে, আর বেলোতে জমেছে সময়ের পুরোনো গন্ধ। অথচ একসময় এই হারমোনিয়ামের সুরেই মুখর হয়ে উঠত পুরো বাড়ি।
বাঙালির শরীরে লুকিয়ে আছে ১,৫০০ বছরের এক রহস্যভাবুন তো—আপনার শরীরের প্রতিটি কোষে এমন এক ইতিহাস লেখা আছে, যা আপনি কখনো বইয়ে পড়েননি।হাজার হাজার বছর আগে শিকারি-স...
এক অজপাড়া গাঁয়ের ছেলের বড় হয়ে ওঠার গল্পআমার জন্ম এক অজপাড়া গাঁয়ে—যেখানে শহরের কোলাহল ছিল না, ছিল না ব্যস্ততার কোনো তাড়া। ছিল সবুজের বুক চিরে চলে যাওয়া ম...
যেদিন সমুদ্র শহরের ভেতরে ঢুকে পড়েছিল রাত তখন প্রায় এগারোটা। নীলপুর শহরটাকে বাইরে থেকে দেখলে মনে হতো, সমুদ্রের ধারে বসে থাকা একটা শান্ত, নিরীহ শহর। দিনের বেলায় পর্যটকদের ভিড়, ছোট ছোট রেস্তোরাঁ, মাছের বাজার, পুরোনো বাতিঘর আর সমুদ্রের ধারে সারি সারি কাঠের বাড়ি—সব মিলিয়ে জায়গাটা ছিল ছবির মতো সুন্দর। কিন্তু সেদিন রাতে সেই শহরের সৌন্দর্যের কোথাও কিছুই অবশিষ্ট ছিল না।
অনেক অনেক বছর আগের কথা। সাত পাহাড় আর তেরো নদীর ওপারে ছিল এক আশ্চর্য রাজ্য—নাম তার চাঁদের রাজ্য। সেই রাজ্যে রাত নামলেই আকাশের চাঁদ একটু বড় হয়ে উঠত, আর চাঁদের আলোয় রাজপ্রাসাদের সোনালি মিনারগুলো ঝলমল করত।
রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। বাইরে টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়ছে। জানালার পাশে বসে রায়হান একদৃষ্টিতে অন্ধকার রাস্তার দিকে তাকিয়ে ছিল।
এক রাতে করিমের বাড়িতে চোর ঢুকেছে। চোর খুব সাবধানে আলমারি খুলছে। এমন সময় করিমের ঘুম ভেঙে গেল।
পবিত্র কোরআন ও বাইবেল, উভয় ধর্মগ্রন্থেই হযরত নূহ (আঃ)-এর নৌকা ও মহাপ্লাবনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।তুরস্কের আরারাত পর্বতের কাছে অবস্থিত নৌকাসদৃশ দুরুপিনার ভূতাত্তিক ...
প্রথম অধ্যায় — আটজন মানুষের গল্প শহরের এক প্রান্তে ছোট্ট একটি চায়ের দোকান ছিল। সন্ধ্যার পর দোকানটার সামনে প্রায়ই দেখা যেত আটজন তরুণ-তরুণীকে। সেজান, সিফাত, রেজোয়ান, মুকুল, রোমেল—এই পাঁচ বন্ধু।
ভারতের মধ্যপ্রদেশের ঐতিহাসিক মান্ডু নগরীর রাজপ্রাসাদ-সমষ্টির অন্যতম আকর্ষণীয় স্থাপনা হলো হিন্দোলা মহল বা ‘দোলায়মান প্রাসাদ’। ‘হিন্দোলা’ শব্দের অর্থ দোলনা; প্রাসাদের দুপাশের অস্বাভাবিকভাবে হেলানো ও বিশাল পুরু দেয়াল দূর থেকে দেখে মনে হয় যেন পুরো ভবনটি দুলছে—এই বৈশিষ্ট্য থেকেই এর নাম হিন্দোলা মহল। এর নির্মাণকাল নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে কিছু মতভেদ রয়েছে। ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ (ASI)-এর নথিতে ১৪৬৯–১৫০০ খ্রিস্টাব্দে সুলতান গিয়াসউদ্দিন খিলজির শাসনামলে হিন্দোলা মহলের নির্মাণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে; অন্যদিকে কিছু ঐতিহাসিক সূত্র মনে করে, এর প্রাথমিক নির্মাণ হোশং শাহের আমলে প্রায় ১৪২৫ খ্রিস্
শেষ চিতা পরদিন সকাল। শরিফ, টিটু আর রুমি তিনজনই সিদ্ধান্ত নিল, তারা আর কখনো শ্মশানঘাটে যাবে না। কিন্তু দুপুরের দিকে শরিফের বাড়ির সামনে একজন অচেনা বৃদ্ধ এসে দাঁড়াল। বৃদ্ধ বলল, —তোমাদের সঙ্গে একটু কথা আছে। শরিফ বাইরে এসে দাঁড়াল।
ধাম! গুলির শব্দে পুরো ঘরটা কেঁপে উঠল। আরিয়ান কয়েক সেকেন্ড বুঝতেই পারল না কী হয়েছে।
যে নামটি লেখা ছিল পাথরেশরিফ টর্চের আলো কবরটির দিকে ফেলল।কবরটি মাটির ওপর অর্ধেক ভাঙা। কোনো নাম লেখা নেই। শুধু একটি পাথর পড়ে আছে।কিন্তু টর্চের আলো পড়তেই পাথরের ...
শ্মশানঘাটের শেষ চিতাএকটি লোমহর্ষক ভৌতিক গল্পচরিত্র: শরিফ, টিটু ও রুমি যে রাতে সবকিছু শুরু হয়েছিল শীতের রাত। চারপাশে ঘন কুয়াশা। গ্রামের শেষ প্রান্তে নদীর ধারে একটি পুরোনো শ্মশানঘাট। দিনের বেলাতেও সেখানে মানুষ খুব একটা যায় না। আর রাত হলে তো কথাই নেই। লোকমুখে শোনা যায়, বহু বছর আগে ওই শ্মশানঘাটে এক নববধূর দেহ পোড়ানো হয়েছিল। কিন্তু চিতা নিভে যাওয়ার পর তার দেহের কিছুই পাওয়া যায়নি। শুধু পড়ে ছিল একটি লাল শাড়ির আঁচল আর একজোড়া রুপোর নূপুর।
রাত তখন প্রায় বারোটা। শহরের শেষ প্রান্তে পুরোনো সেই বাড়িটার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল রায়হান। তিন বছর ধরে একই স্বপ্ন দেখছে সে—একটি মেয়ে, নীল চোখ, লাল শাড়ি, আর হাতে একটি পুরোনো চিঠি। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, স্বপ্নের মেয়েটিকে রায়হান কখনো বাস্তবে দেখেনি।
২০২৩-এর শেষে মগবাজার মোড়ে দাঁড়াইয়্যা বিড়ি ফুঁকতেছিলাম। ওই টাইমলাইনে দুর্ঘটনা ঘটলে ঘটতেই থাকত। দুর্ঘটনাগুলো সমজাতীয়। আগুন লাগলে লাগতই, ডাকাতি হলে হতই। তখন র...
হারিয়ে ফেলা একটি নীল চোখের মেয়ে একটি রোমাঞ্চকর প্রেমের গল্প কিছু মানুষকে আমরা খুব অল্প সময়ের জন্য দেখি। কিন্তু সেই অল্প সময়টাই কখনো কখনো পুরো জীবনকে বদলে দেয়। আর কিছু চোখ... একবার দেখলে সেগুলোকে আর কোনো ভিড়ের মধ্যে ভুলে থাকা যায় না।
রাত তখন দুইটা সতেরো। ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া শেষ রাতের ট্রেনটা কুয়াশা কেটে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে অজানা গন্তব্যের দিকে। ট্রেনের কামরায় যাত্রী খুব কম। জানালার বাইরে শুধু অন্ধকার—মাঝে মাঝে দূরের কোনো গ্রামের দু-একটি আলো চোখে পড়ে আবার মিলিয়ে যায়।
অবস্থান ও আয়তন: জমিদার বাড়িটি প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ০.৫ কিলোমিটার প্রস্থ প্রাচীর দিয়ে ঘেরা।প্রধান ভবন: এখানকার প্রধান আকর্ষণগুলোর মধ্যে ১৮৯৯ সালে নির্মিত...
বাইরে তখন বৃষ্টি আরও জোরে নেমেছে। নাভিদের ঘরের জানালার ফাঁক দিয়ে আরিয়ান দেখল, কালো রঙের দুটো গাড়ি রাস্তার পাশে এসে থেমেছে।
সন্ধ্যা ৭টা বেজে ৩৭ মিনিট। বুকপকেটে ৩০ টাকা আর শুক্লপক্ষের চাঁদসহ চন্দ্রিমা উদ্যানে বসে আছি। নেই চাকরি, নেই আলিসান পরিবার, নেই ফর্সা পিতার কালো অর্থ। চাঁদটা কী ...
বাতাসে লাশের গন্ধরেললাইনের পাশের ছোট দোকানের পিছনের গল্পরাত তখন সাড়ে এগারোটা। শীতের কুয়াশায় ঢেকে গেছে পুরো রেললাইন। দূরে কোথাও ট্রেনের হুইসেল শোনা যাচ্ছে। রে...
রাত তখন প্রায় সাড়ে বারোটা। শহরের শেষ প্রান্তের সেই পুরোনো মহল্লায় দিনের বেলাতেও খুব একটা মানুষ চলাচল করত না। আর রাত হলে জায়গাটা যেন অন্য কোনো জগতে পরিণত হতো। সেদিনও চারপাশ নিস্তব্ধ। হঠাৎ দূর থেকে ভেসে এলো একটা পরিচিত ডাক— “পুরোনো জিনিস দেবেন? পুরোনো জিনিস… বদলে নতুন জিনিস নেবেন?”
রাত তখন সাড়ে এগারোটা। শীতের কুয়াশায় ঢেকে গেছে পুরো রেললাইন। দূরে কোথাও ট্রেনের হুইসেল শোনা যাচ্ছে। রেললাইনের পাশে ছোট্ট একটি চায়ের দোকান। দোকানের সামনে কাঠে...
এক বিশাল যাত্রীবাহী জাহাজ দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা শেষে রসদ সংগ্রহের জন্য একটি অচেনা দ্বীপে নোঙর করল। দ্বীপটি দূর থেকে দেখতে অবিশ্বাস্য রকমের সুন্দর লাগছিল।
রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। শহরটা ঘুমিয়ে পড়েছে অনেক আগেই। রাস্তার দুপাশের পুরোনো ভবনগুলো অন্ধকারে দাঁড়িয়ে আছে। দূরে কোথাও একটা গাড়ি চলে গেলে আবার চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে যাচ্ছে।
বনি ইসরাইলের এক ব্যক্তি প্রায় ২০০ বছর ধরে আল্লাহর ইবাদত করেছিল। তার মনের ভেতর একটি অদ্ভুত ইচ্ছা জাগল, সে ইবলিসকে দেখতে চায়।
‘তবে কি তারা উটের দিকে তাকায় না?’ ১৪০০ বছর আগে পবিত্র কুরআনে আল্লাহর দেওয়া এই চ্যালেঞ্জের রহস্য কী?
শহর থেকে অনেক দূরে, নদীর ধারে একটি ছোট্ট গ্রাম। গ্রামের শেষ প্রান্তে ছিল পুরোনো এক কবরস্থান। দিনের বেলায় জায়গাটি শান্ত, কিন্তু রাত নামলেই সেখানে কেমন যেন অদ্ভুত নীরবতা নেমে আসত। সেই গ্রামেই থাকত নীহার। আর তার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ ছিল মেহরিন। মেহরিনের হাসি ছিল নীহারের পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শব্দ। দুজনের ভালোবাসা ছিল
রাত তখন প্রায় বারোটা। শহর থেকে অনেক দূরে, নদীর ধারে একটি পরিত্যক্ত বাড়ি—স্থানীয় মানুষের কাছে যার নাম ‘লাশকাটাঘর’। কেউ জানত না বাড়িটির আসল ইতিহাস। শুধু শোনা যেত, বহু বছর আগে সেখানে এক জমিদার পরিবারের শেষ সদস্য মারা যাওয়ার পর বাড়িটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপর থেকে মাঝরাতে ওই বাড়ির জানালায় আলো জ্বলত, আর ভেতর থেকে ভেসে আসত কারও কান্না।
একদিন চার বন্ধু—সুজন, মিলন, সায়েম আর শরফু—ঠিক করল, শহরের কোলাহল থেকে দূরে একটি নির্জন বনে রাত কাটাবে। বনটি ছিল অনেক পুরোনো। স্থানীয়রা বলত, সেখানে রাত হলে গাছের ...
রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। আকাশের অবস্থা বিকেল থেকেই খারাপ ছিল। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসটা আরও ভারী হয়ে উঠেছিল। মাঝে মাঝে দূরে কোথাও মেঘ গর্জে উঠছিল, তারপর কয়েক সেকেন্ডের জন্য চারপাশ একেবারে নিস্তব্ধ। তারপর— ঝলক! আকাশের বুক চিরে বিদ্যুৎ চমকে উঠছিল। সেই আলোয় গ্রামের কাঁচা রাস্তা, বাঁশঝাড় আর দূরের গাছগুলোকে কয়েক মুহূর্তের জন্য দেখা যাচ্ছিল। তারপর আবার অন্ধকার। বৃষ্টি খুব বেশি ছিল না। ঝিরিঝিরি করে পড়ছিল। কিন্তু সেই বৃষ্টির সঙ্গে বাতাসের শব্দটা এমন ছিল যে, মনে হচ্ছিল কেউ যেন অন্ধকারের ভেতর দাঁড়িয়ে ফিসফিস করে কথা বলছে। মাহিন, টফি, হিমেল, আরাফাত, ফারুক আর মান্নান—ছয় বন্ধু।
এক বিশাল আফ্রিকার ঘন বনে একদল হায়েনা বাস করত। তারা ছিল অত্যন্ত ধূর্ত, লোভী আর হিংস্র। নিজে খেটে শিকার করার চেয়ে অন্য পশুর শিকার করা খাবার ছিনতাই করা কিংবা বনের দুর্বল প্রাণীদের ওপর দলবল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়াই ছিল তাদের মূল কাজ। বনের অন্য পশুরা তাদের এই অত্যাচার আর অদ্ভুত কর্কশ হাসির শব্দে সবসময় তটস্থ থাকত।
'ডিগবাজি' নামটা শুনলেই নিখিলেশ বাবুর বুকের ভেতরটা কেমন যেন গুড়গুড় করে ওঠে। এর কারণ অবশ্য শারীরিক কোনো কসরত নয়, বরং তার দীর্ঘ পঁয়ত্রিশ বছরের কেরানির জীবনের শেষ দ...
ব্যস্ত মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের তিন নম্বর প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন সকাল ঠিক ৮টা ৪৫ মিনিটে একটা অদ্ভুত নীরব প্রেম উঁকি দিত। সেখানে কোনো কথা হতো না, কারণ শুভ ও রাইসার ভাষা ছিল একদম আলাদা। রাইসা জন্ম থেকেই কথা বলতে বা শুনতে পারে না। আর শুভ এক বহুজাতিক কোম্পানির ব্যস্ত সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, যে প্রতিদিন ওই একই ট্রেনে অফিসে যায়।
বিকেল পাঁচটার সেই চায়ের দোকানটায় অদ্ভুত একটা নিয়ম ছিল। সেখানে কোনো কাপের হাতল ছিল না, আর মাটির ভাঁড় বা কাঁচের গ্লাসও ব্যবহার করা হতো না। চায়ের দোকানদার, যাকে সবাই 'রহমত চাচা' বলে ডাকত, তার কাছে ছিল শত শত ভিন্ন ডিজাইনের চিনা মাটির কাপ। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, সেই কাপগুলোতে কোনো মানুষের নাম বা নম্বর লেখা থাকত না, কিন্তু সেখানে প্রতিটা কাপের গায়ে আঁকা থাকত কোনো না কোনো মানুষের জীবনের বিশেষ কোনো মুহূর্তের ছবি।
পুরোনো কাঠের ড্রয়ারটা পরিষ্কার করতে গিয়ে ধুলোবালি মাখা একটি মোটা ডায়েরি খুঁজে পেয়েছিল নীলা। খাতাটির কভারের ওপর বড় বড় করে নীল কালিতে লেখা—‘এলেবেলে’। নাম দেখেই নী...
শহরের ব্যস্ততম গলির একদম শেষ প্রান্তে, যেখানে ল্যাম্পপোস্টের আলোটাও পৌঁছাতে ভয় পায়, সেখানে ছিল সমির হোসেনের চায়ের দোকান। দোকানটার কোনো সাইনবোর্ড ছিল না। চারপাশের ভাঙা দেয়াল আর লতাপাতায় ঢাকা ছোট্ট একটা কাঠের দরজা দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে ভেতরে এক অদ্ভুত দুনিয়া লুকিয়ে আছে। তবে যারা জীবনের সব আশা হারিয়ে ফেলত, কোনো এক অজানা টানে তারা ঠিকই খুঁজে পেয়ে যেত এই ‘গুপ্ত চায়ের দোকান’।
নদীর ধারে ছোট্ট একটি গ্রাম। গ্রামের মানুষের জীবনের সঙ্গে নদীর সম্পর্ক ছিল খুব গভীর। কেউ নদী পাড়ি দিয়ে বাজারে যেত, কেউ ওপারের হাটে ধান বিক্রি করত, কেউ আবার চিকিৎসার জন্য শহরে যেত। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র হলেও তাদের জীবন চলত পরস্পরের সহযোগিতায়।
আমাদের দেশের বাড়ির পিছনে একটা পুকুর ছিল, নাম শাঁখপুকুর। শাঁখের মতো বাঁকা বলে নয়। শাঁখা পরা একজন থাকতেন বলে।
সুলাইমান আলাইহিস সালাম বাতাস, জিন ও পাখি: মহাবিশ্বের সেই একমাত্র সুপারপাওয়ার, যার হেডকোয়ার্টার বাতাসের ওপর ভেসে চলত! আপনি কি এমন কোনো বিশ্বশাসকের কথা কল্পনা ক...
স্বপন দীর্ঘ দশ বছর পর আজ আবার নিজের গ্রামের বাড়িতে ফিরেছে। শহরের যান্ত্রিক কোলাহল, অফিসের ফাইলপত্র আর গ্লানি তাকে সম্পূর্ণ ক্লান্ত করে দিয়েছিল। চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর মনে হচ্ছিল তার জীবনের সব অধ্যায় বুঝি এখানেই শেষ। কিন্তু ট্রেন থেকে নেমে যখন সে গ্রামের মেঠোপথে পা রাখল, বাতাসে সোঁদা মাটির গন্ধ যেন তাকে নতুন কোনো বার্তা দিল।
ওকে মানুষ এতো ভালোবেসেছে যে ওর একটা পিতলের মুর্তি গড়ানো হয়েছিলো শিবুয়া স্টেশনে! ওর উপর বই লিখা হয়েছে, ছায়াছবি তৈরী করা হয়েছে... 😅❤️
ইয়াজুজ মাজুজ বা গগ ম্যাগগ এর যুদ্ধ অনেক কাল আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এটা এখন চুড়ান্ত অবস্থায় পৌছে গিয়েছে। এটা কোন ফিজিক্যাল যুদ্ধ নয়। এটা হল ভয় এবং ঘৃনা । আর এই ভ...
কী হবে, যদি পর্যবেক্ষক আর মহাবিশ্বের মধ্যকার সীমারেখা আমাদের ধারণার মতো এতটা সরল না হয়?কোয়ান্টাম মেকানিক্স ক্ষুদ্রতম স্তরে বাস্তবতাকে বোঝার আমাদের ধারণাকে আমূ...
আপনি কি কখনো খেয়াল করেছেন যে, যারা কোনো বিষয়ে আসলে কম জানে বা কম বোঝে, তারা নিজেদের অনেক জ্ঞানী মনে করে? আবার যারা সত্যি সত্যি অনেক জানে, তারা প্রায়ই নিজেদের জ্...
❌না বলতে না শেখা আসলে নিজেকেই ক্ষতি করা‼️একটি গ্রামে রামু নামে একজন সহজ-সরল মানুষ থাকত। স্বভাবের দিক থেকে সে খুবই নরম মনের ছিল। কিন্তু তার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছি...
চকবাজারের ৩৫০ বছরের মহাবিবর্তন! ইতিহাস যখন জীবন্ত - ইতিহাসের ঝরোকা অর্থ - ইতিহাসের জানালা, আজ এই জানালা খুলে দেখাব আপনাদের চকবাজারের আসল ইতিহাস!আজকে আমরা আপনাদে...
#একটি ছোট্ট শহরের এক প্রান্তে থাকত এক যুবক। তার নাম ছিল হামজা। খুব ধনী ছিল না, আবার একেবারে দরিদ্রও ছিল না। বাবার রেখে যাওয়া ছোট একটি দোকান ছিল তার। দোকানে কাপ...
অম্বা আগুনে ঝাপ দিয়েছেন কিন্তু অম্বার প্রতিশোধের আগুন তখনও নিভে যায়নি। কিন্তু হস্তিনাপুরে আরেক বিপদ ধীরে ধীরে ঘনিয়ে আসছিল।একটি সাম্রাজ্যের ভবিষ্যৎ কখনও শুধু যুদ...
ইতিহাসের এমন এক ঘটনা যা এখনো ভাবলে বিষ্মিত হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।একটি ঐতিহাসিক ঘটনা "রূমাহ কূপ" ক্রয়ের ঘটনা। যার নায়ক ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান ইবনে আফ...
ইয়েমেনের নিস্তব্ধ এক জনপদে উওয়াইস আল-কারনি (রহ.)-এর জীবন কেটে যাচ্ছিল খুব সাধারণভাবে। তাঁর জীবনে ছিল না রাজকীয় চাকচিক্য, ছিল না মানুষের ভিড়, ছিল না নিজের না...
ছোট্ট জনপদের প্রান্তে থাকত এক দরিদ্র যুবক। তার নাম ছিল সালেহ। পরিবারের অবস্থা খুব ভালো ছিল না। বাবা মারা যাওয়ার পর সংসারের দায়িত্ব অনেকটাই তার কাঁধে এসে পড়েছ...
রোমান সৈন্যরা সুড়ঙ্গ খুঁড়ে শত্রুর কাছে পৌঁছেছিল… তারপর সেই অন্ধকার সুড়ঙ্গেই তাদের জন্য অপেক্ষা করছিল বিষাক্ত ধোঁয়া! ভাবুন তো... খ্রিষ্টীয় ২৫৬ সাল। সিরিয়ার...
*নারী তত্ত্ব* ---*"না জানিয়া হইও না প্রেমে মত্ত"*দরদী, নারী শুধু ফুল না। নারী শুধু ভোগের পণ্য না। নারী হইলো জায়নামাজ। আমার দ্বীন-দয়াময় কয় - *"নারী জায়নামাজের চে...
*"ইশক মানে ফানা, ফানা মানে তিনি"* প্রেমের পথে তলোয়ার চলে না রে বন্ধু। এখানে রাজা হইতে গেলে ভিখারি হইতে হয়। এখানে জোর চলে না, চলে শুধু আত্মসমর্পণ।
"দুধ থেকে ঘি, রতি থেকে নূর"* 🌙 *"দেহের আগুন নেভানোর জিনিস না, ওটা জ্বালানোর জিনিস"* দরদী, শোনো। আল্লাহ মানুষকে দেহ দিছে শুধু ভোগের জন্য না।
পুরোনো শহরের ব্যস্ত বাজারে ছোট্ট একটি রুটির দোকান ছিল। দোকানটির মালিকের নাম ছিল আবু সালিম। ভোরের আজান শোনা যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই সে ঘুম থেকে উঠত। অজু করে ফজরের নামাজ আদায় করত, তারপর বাড়ির চুলায় আগুন জ্বালিয়ে রুটি তৈরির কাজে লেগে যেত। তার স্ত্রী আটা মাখতেন, আর আবু সালিম রুটি বেলতেন ও তন্দুরে সেঁকতেন। সূর্য ওঠার আগেই দোকানে গরম রুটির গন্ধ ছড়িয়ে পড়ত।
কখনো চারপাশে সবকিছু স্বাভাবিক থাকে, তবুও ভেতরটা অস্থির লাগে। মনে হয়— “একটু শান্ত হতে পারলে ভালো লাগত।” থেরাপিতে এমন পরিস্থিতিতে কখনো Safe Place Imagery ব্যবহার করা হয়। এতে এমন একটি জায়গা কল্পনা করতে বলা হয়, যেখানে আপনি নিরাপদ ও স্বস্তি অনুভব করেন। জায়গাটি বাস্তবও হতে পারে, আবার পুরোপুরি কল্পনারও হতে পারে।
চাওয়ার মতো চাইতে জানলে আল্লাহর রহমত উথলে ওঠে! বাগদাদের এক অন্ধ রুটি বিক্রেতা ছিলেন। তার বানানো রুটিগুলো ছিল যেমন গরম, তেমনি সুস্বাদু। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ তার কাছে রুটি কিনতে আসতো।
উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-কে শাহাদাতের কয়েক দিন পূর্বের ঘটনা। তিনি হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা:) এবং উসমান ইবনু হুনাইফ (রা:)-এর কাছে দাঁড়িয়ে বললেন, 'তোমরা কী করলে? তোমরা কি আশঙ্কা করছ যে, তোমরা ইরাক জমিনের ওপর এমন কর আরোপ করেছ, যা ওই ভূখণ্ডের মানুষের পরিশোধ করার ক্ষমতা নেই? তারা বললেন, 'আমরা এমন পরিমাণ কর আরোপ করেছি, যা ইরাকের মানুষেরা বহন করতে সক্ষম; কারণ এর উৎপাদন অনেক বেশি।'
মিল্লাত ইব্রাহিম এর কিছু ঘটনা শুনুন। পড়ুন, এবং বুঝুন। আল্লাহ যা ঘৃণা করে তা ঘৃণা করতে শিখুন। আলী (রাঃ) কিভাবে আল্লাহর ঘৃণা করা বিষয়কে মোকাবিলা করেছিলেন।
আপনি কাউকে ঠকাতে পারেন না। কেউ সাহায্য চাইলে সহজে না বলতে পারেন না। কারও কষ্টের কথা শুনলে সত্যিই খারাপ লাগে।
এক যুগে অত্যন্ত এক ধনী ব্যবসায়ী ছিল। তার ধন-সম্পদ ও ব্যবসার পরিধি এতই বিশাল ছিল যে, সে নিজেই তার সম্পদের সঠিক হিসাব জানত না।
ঢাকার এক জজ কোর্টের এজলাসে তখন পিনপতন নীরবতা। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আছে এলাকার কুখ্যাত চোর বল্টু। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ—সে গভীর রাতে এক ধনকুবেরের বাড়িতে ঢুকে আলমারি ভেঙে নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও গহনা চুরি করেছে।
২০৫২ সাল। ঢাকার একটি গোপন ভূগর্ভস্থ ল্যাবরেটরিতে বিজ্ঞানী আরিয়ান তার জীবনের সবচেয়ে বড় আবিষ্কারের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। দীর্ঘ বারো বছরের গবেষণার পর তিনি তৈরি...
ডাক্তার বলেছেন এটার নাম স্লিপ প্যারালাইসিস। গ্রামে বলে বোবায় ধরা। নামে কিছু যায় আসে না।শুধু প্রতি রাতে টের পাই, জেগে আছি, অথচ নড়তে পারি না। চারপাশে কী হচ্ছে ...
দাউদ (আ.) যার জন্য লোহা মোমের মতো নরম হয়ে গেল এবং পাহাড়গুলো বাদশাহর সঙ্গে তাসবিহ পাঠ করল!
একটি মোরগের মাথা, ময়ূরের ঘাড়, ষাঁড়ের কুঁজ, সিংহের কোমর, সাপের লেজ, হাতি-বাঘ-হরিণ/ঘোড়ার পা এবং একটি মানুষের হাত—যে অদ্ভুত দিব্যরূপ দেখে অর্জুন প্রথমে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন, সেই রহস্যময় রূপই নবগুঞ্জর।
মানুষকে এতটা অপমান করবেন না,যাতে তার আর সম্মান হারানোর ভয়টুকুও না থাকে।একটি পুরোনো লোককথার মতো গল্প আছে,“এক কান কাটা শিয়াল জঙ্গল দিয়ে ঘোরে, আর দুই কান কাটা শ...
কোস্টারিকার সমুদ্রসৈকতে ইতিহাসে প্রথমবার দেখা গেলো এমন বিরল এক হাঙর, যা রীতিমতো ঝড় তুলেছে সোশ্যাল মিডিয়াতে 😱
ইতিহাসের পাতায় যে ইলন মাস্কের চাইতে ধনী ছিল। কারূনের ধনভাণ্ডার ও মাটিতে ধসে যাওয়া: যখন এক কোটিপতির অহংকার মাটির নিচে চাপা পড়ে গেল।
✨ আপনার সাধের বাড়িটি কি আপনাকে শক্তি দিচ্ছে, নাকি নীরবে আপনার এনার্জি শুষে নিচ্ছে? 🕊️🤍🌿 দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করছেন, অথচ মাসের শেষে হাত শূন্য। পরিবারে অকারণ...
দেহতত্ত্বে সূরা ফাতিহার রহস্য ও ধ্যানের আদি জিকির:সূরা আল-ফাতিহা-কে বলা হয় 'উম্মুল কোরআন' বা কোরআনের জননী।পুরো মহাবিশ্বের রহস্য যেমন লুকিয়ে আছে পবিত্র কোরআনে,...
১. ভুট্টো মিয়া: একজন অতি-চালাক মাছ ব্যবসায়ী (যে ওজনে কম দিতে ও বাড়িয়ে বলতে ওস্তাদ)।২. মতিন সাহেব: একজন কড়া ক্রেতা (যিনি সহজে ঠকার পাত্র নন এবং খিটখিটে স্বভাবের)...
১৮১৬ সাল। কোনো যুদ্ধ বা মহামারীর কারণে নয়, ইন্দোনেশিয়ার একটি আগ্নেয়গিরির ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের প্রভাবে সারা পৃথিবীর তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে কমে যায়। ইতিহাসে এই বছর...
১৭৫৭ সালে মারাঠাদের দিল্লি দখল ভারতের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এবং গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই সময়ে মারাঠা সাম্রাজ্য তাদের ক্ষমতার চূড়ান্ত শিখরে অবস্থান করছি...
পৃথিবীর একেবারে পেটের ভেতরে, ভূত্বক থেকে প্রায় ২,৯০০ কিলোমিটার গভীরে কী ঘটছে, তা সরাসরি দেখা মানুষের পক্ষে অসম্ভব। সেখানে কঠিন ম্যান্টল গিয়ে মিশেছে তরল আউটার-কোরের সঙ্গে। তবে বিজ্ঞানীরা এবার ভূমিকম্পের তরঙ্গকে স্ক্যানার হিসেবে ব্যবহার করে পৃথিবীর সেই অন্ধকার জগতের এক অভূতপূর্ব মানচিত্র তৈরি করেছেন। আর এই কাজে সবচেয়ে বড় ম্যাজিক দেখিয়েছে ডিপ লার্নিং এআই!
নদীর তীরে ছোট্ট একটি গ্রামে রাশিদ নামে এক যুবক বাস করত। তাদের ঘরটি ছিল মাটির তৈরি, ছাদে খড়, উঠানে একটি পুরোনো আমগাছ। সংসারে ছিল শুধু রাশিদ আর তার বৃদ্ধ মা আমেন...
ভদ্রমহিলা ছিলেন উত্তর ভারতের নামি তাওয়ায়েফ। ভারতের নানা প্রান্তের রাজা-নবাবদের দরবারে তাঁর যথেষ্ট নামডাক ছিল। সেই সূত্রেই ১৭৪৬ সালে নবাব আলিবর্দী খানের দুই নাতি ইকরামউদ্দৌলা ও সিরাজউদ্দৌলার বিয়েতে নওয়াজেস মুহাম্মদ খান তাঁকে এবং তাঁর দলকে নাচগানের জন্য নিয়ে এসেছিলেন মুর্শিদাবাদ শহরের মোতিঝিলে। সেই আসরেই নাকি মুন্নি বেগমের প্রতি আকৃষ্ট হন মীরজাফর আলি খান। তখনও তিনি নবাব হননি। কিন্তু মুন্নি বেগমকে তিনি আর ফিরতে দিলেন না, মুর্শিদাবাদেই রেখে নিজের হারেমে তুলে নিলেন।
আসমানের এক নীরব প্রান্তে মালাকুল মউত ও জিব্রাইল আলাইহিস সালামের সাক্ষাৎ হলো—এটি কোনো বর্ণিত হাদিস নয়, বরং শিক্ষামূলক কল্পিত দৃশ্য। জিব্রাইল (আ.) বললেন, “হে মালাকুল মউত, আল্লাহ আপনাকে মানুষের রূহ কবজ করার দায়িত্ব দিয়েছেন—কাজটি কত মহান ও কঠিন!”
অহংকারী বাদশার প্রাসাদ ও এক অসহায় বৃদ্ধার ফরিয়াদ: আল্লাহর ঐশী বিচারের বিস্ময়কর কাহিনী ✨
হে সত্যের পথের যাত্রী, তুমি যদি সত্যি পরম আত্মার সন্ধানী হও তাহলে সঠিক গুরু তালাশ কর । যদি তুমি সূর্য ধারা ইব্রাহিম আ: এর মুল ধর্মতত্ব তালাশ কর ধর্ম পূর্ণ স্থাপন করতে মনস্থির কর তাহলে
এই অপূর্ব শিল্পকর্মে ফুটে উঠেছে শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসের মা কালীর প্রতি অটল ও গভীর ভক্তির এক পবিত্র মুহূর্ত। এখানে ভক্ত ও পরমেশ্বরী মায়ের মধ্যকার চিরন্তন সম্পর্ককে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
_দেহ তত্ত্ব হাওয়ার ঘরে নূরের পাখি কি খেলা খেলায় রে। তত্ত্ব জ্ঞানে চাহিয়া দেখ বসে নিরালায় রে ॥__
🌺 একাদশীর আবির্ভাবের অপূর্ব কাহিনি 🌺এক অসুরের অহংকার এবং ভগবান বিষ্ণুর শরীর থেকে প্রকাশিত দিব্য শক্তি... কীভাবে একাদশীর আবির্ভাব হয়েছিল?অনেক প্রাচীনকালের কথা। ...
মেলা থেকে ছেলে হারিয়ে যাওয়া এবং সেটি নিয়ে তৈরি হওয়া একটি মজার গল্প নিচে দেওয়া হলো:মেলায় বল্টু এবং তার বাবাপহেলা বৈশাখের মেলা। চারদিকে উপচে পড়া ভিড়, রঙ-বেরঙের বেলুন, নাগরদোলা আর জিলিপির সুবাস।
ও’নিল সিলিন্ডারের ভেতরে এক সভ্যতা৷ কল্পনা করুন, মানবজাতি যদি কোনো গ্রহের ওপর নির্ভর না করেই মহাকাশে নিজস্ব কোনো জগৎ গড়ে তুলতে পারত!এর একটি সম্ভাব্য সমাধান হলো ‘...
ইয়া রব, ও না সামঝে হ্যায় না সামঝেংগী মেরী বাত / দে অর দিল উনকো জো না দে মুঝকো জবান অর।বাংলা অর্থ:হে খোদা, সে না বুঝতে পারে আমাকে, না বুঝতে পারবে আমার কথা। তাকে...
আয়নার আড়ালে।একদিন এক মুরিদ তার পীরকে জিজ্ঞেস করল,—হুজুর, মানুষ কি সত্যিই বদলে যায়?পীর মৃদু হেসে বললেন,—মানুষের চেহারা বদলায়, পোশাক বদলায়, কথা বদলায়; কিন্তু অন্ত...
শহরের কোলাহল থেকে দূরে, ছায়াসুনিবিড় এক গ্রামে রিমিদের পুরোনো জমিদার বাড়িটা দাঁড়িয়ে আছে। এককালে এই বাড়ি গমগম করত মানুষের আনাগোনায়, আর আজ সেখানে শুধু সময়ের নীরবতা। পড়াশোনার সূত্রে রিমি দীর্ঘদিন পর এই বাড়িতে এসেছে কয়েকটা দিন একা কাটাতে।
সায়েন্স ফিকশন মানেই যে শুধু মহাকাশ, এলিয়েন আর পৃথিবী বাঁচানোর গল্প হতে হবে, এমন না। 'প্রজেক্ট হেইল মেরি' সেটা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে। Andy Weir-এর উপন্যাস অবলম্...
১৯৯৯ সালে নরওয়ের নারভিক (Narvik) এলাকায় স্কি করার সময় আনা বাগেনহোম (Anna Bågenholm) নামের ২৯ বছর বয়সী এক নারী বরফ ভেঙে একটি বরফশীতল স্রোতে পড়ে যান। তিনি বরফের নিচে আটকে গিয়েছিলেন এবং প্রায় ৮০ মিনিট পর উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
ষড়যন্ত্রের অন্ধকার থেকে রওজা মোবারকের হেফাজত: নুরুদ্দিন জঙ্গী (রহ.)-এর বিস্ময়কর কাহিনী
মক্কার আকাশে তখনও জাহেলিয়াতের অন্ধকার পুরোপুরি কাটেনি। চারদিকে মূর্তিপূজা, অহংকার, বংশের গর্ব আর দুর্বলদের ওপর অত্যাচার। সেই সময় মুহাম্মদ (সা.) মানুষকে এক আল্লাহর দিকে ডাকছিলেন।
আমাদের মন একটা অদ্ভুত আয়না। সামনে তাকালে সে ভবিষ্যতের ভয় দেখায়, পিছনে তাকালে অতীতের আফসোস দেখায়। আমরা বর্তমানটাকেই হারিয়ে ফেলি।
নবীজি হযরত মুহাম্মদ ﷺ নবুওয়াত লাভের আগে হেরা গুহায় নির্জনে অবস্থান করে আল্লাহর ইবাদত ও চিন্তায় সময় কাটাতেন।
ইসলামি আকিদা অনুযায়ী, প্রত্যেক মানুষের মৃত্যুর সময় তার প্রাণ গ্রহণের জন্য মালাকুল মউত—মৃত্যুর ফেরেশতা নিযুক্ত আছেন; কুরআনে বলা হয়েছে, “মৃত্যুর ফেরেশতা, যাকে তোমাদের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে, সে তোমাদের প্রাণ গ্রহণ করবে” (সূরা আস-সাজদাহ ৩২:১১)
নবী সল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম এর বয়স তখন বারো বছর। তখন নবীজির চাচা আবু তালিব তাকে সঙ্গে নিয়ে ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে সিরিয়ার পথে যাত্রা করলেন। চলতে চলতে এক সময় তারা গিয়ে বসরায় উপনীত হলেন। বসরা হলো সিরিয়ার একটি স্থান এবং হুরানের প্রধান নগরী।
যখন ঋণের বোঝা ভারী হয়ে যায়, বিয়ের সমন্ধ বারবার আটকে যায়, পড়াশোনা বা ক্যারিয়ারের জট কিছুতেই খোলে না, আর মনে হয় চারপাশের সব রাস্তা বন্ধ- তখন শুধু একবার স্মরণ করুন, সমস্ত কিছুর চাবি একমাত্র তাঁরই হাতে!
একজন জান্নাতি নারীর ঘটনা পড়ুন। যার কথা আল্লাহ কোরআনে বলেছেন। এমন এক নারীর ঘটনা, যিনি পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাবান রাজার স্ত্রী হয়েও আল্লাহর জন্য সবকিছু ত্যাগ করেছিলেন।
কিয়ামতের পূর্বে পৃথিবী যখন নানা বিপর্যয়, অন্যায় ও বিভ্রান্তিতে জর্জরিত হবে, তখন মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষাগুলোর একটি হবে দাজ্জালের আবির্ভাব।
পুরোনো একটি শহরের ব্যস্ত বাজারে ছোট্ট একটি জুতার দোকান ছিল। দোকানের মালিকের নাম ছিল রাশেদ। বাবার কাছ থেকেই সে জুতা মেরামতের কাজ শিখেছিল। দোকানটি খুব বড় ছিল না—এক পাশে কাঠের তাক, তাতে কিছু পুরোনো জুতা, চামড়ার টুকরা, সুতা, পেরেক আর নানা ধরনের যন্ত্রপাতি। দোকানের সামনে একটি পুরোনো কাঠের পিঁড়ি ছিল। সারাদিন সেখানে বসে রাশেদ মানুষের জুতা সেলাই করত, সোল লাগাত আর ছেঁড়া স্যান্ডেল মেরামত করত।
ঝড়-বৃষ্টির সেই মায়াবী রাতের পর নীলগিরি রোড স্টেশনের চায়ের দোকানটা আর শুধু একটা দোকান রইল না; ওটা হয়ে উঠল অভীক আর মায়াবতীর নিজস্ব এক ভালোবাসার পৃথিবী। দিনগুলো যেন রূপকথার মতো কাটছিল।
নাবিক কলম্বাসের কথা সকলেই জানে। ইতিহাসে তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখা। কিন্তু সত্য কোনদিন চাপা থাকেনা!ইতিহাস বড়ই নির্মম ------কলম্বাসের নির্মমতার প্রতিকী বিচার শুরু...
বাগদাদের এক ব্যস্ত বাজারে হামিদ নামে এক ব্যবসায়ী বাস করত। ছোটবেলা থেকেই সে পরিশ্রমী ছিল। অল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিল, আর কয়েক বছরের মধ্যেই তার দোকান বাজারের অন্যতম বড় দোকানে পরিণত হয়েছিল।
১৮১৬ সাল। মিশরের থিবস। দুপুর। বালির নিচ থেকে বেরিয়ে এসেছে সোয়া সাত টনের একটা গ্রানাইট মুখ। মুখটা হাসছে। সূর্য মাথার ওপর। বালি এত গরম যে খালি পায়ে দাঁড়ানো যায় না।
যে নারী কোনো সত্যসন্ধানী সাধকের হাতের ছোঁয়া পায়নি, যার বুকে কোনো গুরুর মমতার নূর পড়েনি, সে নারী সুন্দরী হইতে পারে, কিন্তু তার ভিতর *"মানুষ" নাই*।
মানুষগুলো ধীরে ধীরে কেমন যেনো আস্ত বো/কা/চো/* হয়ে উঠছে । কথাটা বেশ ভালো করেই বুঝতে পারে সনাতন । সনাতনের বাড়ি পশ্চিম ভারতে। আজ পূর্ব ভারতে এসছে , তাও কয়েক বছর হলো ।
আত্মিক ভাষায়—সেক্সুয়াল স্পিরিচুয়ালিটি মানে যৌনতাকে আত্মার প্রার্থনা করে তোলা। যেখানে অর্গাজম শুধু শরীরের নয়, সে আত্মার। যেখানে চূড়ান্ত আনন্দে চোখ দিয়ে জল পড়ে, ক...
হিন্দু পরিচারিকা রাজকুনোয়ার থেকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বেগম লুৎফুন্নেসা হয়ে ওঠার গল্প।নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রিয়তমা স্ত্রী লুৎফুন্নেসার অমর প্রেম কাহিনীর সাথে জড়িয়ে...
গবেষকরা ইঁদুরের ওপর গবেষণায় দেখেছেন,ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং (নির্দিষ্ট সময় না খেয়ে থাক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশকে পুনর্গঠন করে ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা বাড়াতে পারে। বিশেষ করে,
🌿 আল্লাহর কুদরত ও অলৌকিক নিদর্শন: হযরত মারইয়াম (আ.) ও নবী ঈসা (আ.)-এর বিস্ময়কর কাহিনী ✨### ১. ইবাদতের নির্জন কক্ষ ও আল্লাহর বিশেষ রিজিকহযরত মারইয়াম (আ.) ছিলে...
মদিনার আকাশ সেদিন যেন অস্বাভাবিকভাবে নীরব ছিল। রাসুলুল্লাহ (সা.) অসুস্থ। তাঁর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়েছে মদিনার ঘরে ঘরে। সাহাবায়ে কেরাম উদ্বিগ্ন। যাঁর মুখ দেখলে সাহাবিদের হৃদয়ে প্রশান্তি নেমে আসত, যাঁর কণ্ঠে কুরআনের আয়াত শুনে তাঁরা নিজেদের জীবন বদলে ফেলেছিলেন, সেই প্রিয় নবী (সা.) এখন অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী।
নূহ (আ.) তাঁর জাতিকে দীর্ঘদিন ধরে আল্লাহর পথে ডাকছিলেন। তিনি তাদের বুঝিয়েছেন, সতর্ক করেছেন, আল্লাহর নিদর্শন দেখিয়েছেন এবং অবাধ্যতার পরিণতি সম্পর্কে সাবধান করেছেন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তাঁর কথা গ্রহণ করেনি। বরং তারা নিজেদের অবিশ্বাস ও অহংকারে আরও শক্ত হয়ে গিয়েছিল।
এক ঐতিহাসিক ঘটনা পড়ুন। আপনার আখিরাতের কল্যানের জন্য পড়ুন। নিজের ভালোর জন্য পড়ুন। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য পড়ুন। ঘটনাটি একজন নেককার ব্যক্তি বারা ইবনে মালেক আল আনসারীর।নিজেকে কল্পনা মালেক আল আনসারীর জায়গায় কল্পনা করুন। পড়ুন।
প্রাচীনকালের এক প্রতাপশালী রাজা এক রাতে খুব অদ্ভুত ও ভয়ানক একটি স্বপ্ন দেখলেন। তিনি দেখলেন, তার মুখের সবগুলো দাঁত একে একে ভেঙে পড়ে গেছে!
গত বছর সুন্দরবনে গিয়েছিলাম। দিনের বেলা নৌকা যখন সরু খাঁড়ির ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল, তখন চারপাশের দৃশ্য দেখে মনে হচ্ছিল পৃথিবীর সমস্ত শব্দ যেন এই অরণ্যের কাছে এসে ধীরে ধীরে থেমে যায়।
মানুষ মহাবিশ্বের তুলনায় কতটা ক্ষুদ্র—এ কথা বোঝার জন্য আমাদের কেবল রাতের আকাশের দিকে তাকালেই চলে। অসংখ্য নক্ষত্র, কোটি কোটি গ্যালাক্সি, অগণিত গ্রহ-উপগ্রহ এবং বিলিয়ন বিলিয়ন বছরের মহাজাগতিক ইতিহাসের সামনে একজন মানুষের জীবনকাল ও শারীরিক অস্তিত্ব প্রায় কিছুই নয়। আধুনিক বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর।
এক অভাবী বাবা একদিন তার ৫ বছরের ছোট্ট মেয়েকে প্রচণ্ড বকাঝকা করলেন। কারণ মেয়েটি তাদের ঘরে থাকা একমাত্র দামি সোনালী রঙের র্যাপিং পেপারটি কেটেকুটে নষ্ট করে ফেলেছিল।
ফাররুখ নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন একজন ব্যবসায়ীর গোলাম ছিলেন। তিনি এতটাই বিশ্বস্ত আর পরিশ্রমী ছিলেন যে, তাঁর মনিব তাঁর কাজে খুবই সন্তুষ্ট ছিলেন।
ইউশা ইবনে নূন: মহাবিশ্বের একমাত্র সেই সেনাপতি, যার জন্য সূর্যকে দিগন্তে থামিয়ে দেওয়া হয়েছিল! আপনি কি কল্পনা করতে পারেন, মহাবিশ্বের সেই সৌরজগত, যার গ্রহ-নক্ষত্র কোটি কোটি বছর ধরে এক সেকেন্ডেরও বিলম্ব ছাড়া নিজ নিজ কক্ষপথে ঘুরে চলেছে, একজন মানুষের দোয়ার কারণে যেন মুহূর্তের জন্য তার পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম ভুলে গেল?
সবুজ মিয়ার জীবনের একমাত্র মূলমন্ত্র হলো—"দুনিয়ায় যা কিছু ফ্রি, তা-ই অমৃত।" তা সে বাসের ফ্রি ক্যালেন্ডার হোক, আর দোকানের ফ্রি চাবির রিং-ই হোক, 'ফ্রি' শব্দটা শুনলেই সবুজের চোখ চকচক করে ওঠে।
মরুভূমি বলতেই সাধারণত শুকনো মাটি, পাথর আর তীব্র রোদের কথা মনে আসে। কিন্তু চিলির আতাকামা মরুভূমিতে আগস্টে দেখা গেল একেবারে অন্য দৃশ্য—বিশাল এলাকা ঢেকে গেল সাদা তুষারে।
শহরের কোলাহল থেকে দূরে, পাহাড়ের কোল ঘেঁষা এক ছোট্ট রেলস্টেশন 'নীলগিরি রোড'। সেখানে ট্রেনের আনাগোনা কম, কিন্তু প্রকৃতির মায়া অসীম। সেই স্টেশনের এক কোণে ছোট একটা ...
হাসপাতালের আইসিইউর (ICU) বাইরে করিডোরের নিয়ন আলোটা ক্ষণে ক্ষণে কেঁপে উঠছে। সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে সেখানে বসে আছে অরণ্য। তার দুহাতে মুখ ঢাকা, আঙুলের ফাঁক দিয়ে নোনা ...
ভীষ্ম প্রতিজ্ঞার পর কুরুবংশ যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছিল। মহারাজ শান্তনু ও সত্যবতীর সংসারে জন্ম নিল দুই পুত্র—
যাঁর কাছে পবিত্র ফেরেশতাদেরও বোধশক্তি পৌঁছাতে পারে না,সেখানেও সর্দারে আম্বিয়া ﷺ-এর পদচিহ্ন পৌঁছে গেছে। ❤️
সব লাইন ঈশ্বর হতে সবাই ইশ্বর পাবার জন্য সাধনা করেন। এই কথাটি ভুল। কারন মানব দেহে তিনটি ভাগে বিভক্ত করা এক আলোর জগত নিয়ে সূর্য ধারা দুই চন্দ্র ধারা। তিন অন্ধকার ধারা চারটি যুগ, সত্য যুগ, দ্বাপর যুগ, ত্রেতা যুগ এবং কলিযুগ।
যে প্রতিজ্ঞার সামনে দেবতারাও স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। পূর্বের পর্বে আমরা দেখেছিলাম— মহারাজ শান্তনু সত্যবতীকে ভালোবেসেছিলেন। কিন্তু সত্যবতীর পিতা একটি শর্ত দিয়েছিলেন, সত্যবতীর গর্ভজাত সন্তানই হবে হস্তিনাপুরের ভবিষ্যৎ রাজা।
মাঝরাতে কখনো কি ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ভেবেছেন, "আমার জীবনেই কেন এত সংগ্রাম?" মনে হয়, যেন অদৃশ্য কোনো এক সুতোয় বাঁধা আমাদের জীবন, আর আমরা কেবল পুতুলের মতো নেচে চলেছি।
আপনিও কি আমার মতো রাতের পর রাত জেগে চিন্তা করেছেন—আচ্ছা, শার্লক হোমস যদি ফ্যান্টাসি জগতের সেটিংয়ে রহস্য সমাধান করত, তাহলে কেমন হতো?তাহলে I have good news for y...
আলফ্রেড হিচককের সিনেমার কল্যাণে ‘Rebecca’ নামটির সঙ্গে অনেকে পরিচিত। চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে ড্যাফনে দু মরিয়ে-র ‘রেবেকা’ উপন্যাস অবলম্বনে।বিংশ শতাব্দীর প্রথম ...
এক গ্রামে কলিমুদ্দিন আর সলিমুদ্দিন নামে দুই বন্ধু বাস করত। তারা দুজনেই ছিল চরম অলস এবং বোকা, কিন্তু নিজেদের ভাবত গ্রামের সবচেয়ে বুদ্ধিমান মানুষ।
দেবব্রত তখন হস্তিনাপুরের যুবরাজ। শাস্ত্র, অস্ত্র, নীতি, বীরত্ব সব দিক থেকেই তিনি ছিলেন অনন্য। সমগ্র আর্যাবর্ত জানত, একদিন তিনিই কুরুবংশের পরবর্তী সম্রাট হবেন। মহারাজ শান্তনুও নিশ্চিন্ত ছিলেন। কুরুবংশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ। কিন্তু ভাগ্য তখন নিঃশব্দে আরেকটি অধ্যায় লিখছিল। একদিন মহারাজ শান্তনু যমুনার তীর ধরে ভ্রমণ করছিলেন। হঠাৎ তিনি এক অপূর্ব সুগন্ধ অনুভব করলেন। সেই সুগন্ধ যেন বাতাস ভেদ করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে।
গাছ কেটে কাঠ বানানোর কোম্পানি এক হাজার বছরের পুরনো একটা গাছকে মৃত্যুর জন্য চিহ্নিত করেছিল। তিনি ১৯৯৭ সালে সেই গাছে উঠে ৭৩৮ দিন অবস্থান করেন—ঝড়, হেলিকপ্টার আর একাকীত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করে বেঁচে থাকেন। তিনি না নামার কারণে আজও সেই গাছ বেঁচে আছে।
মিলনের আগে মন ব্যাকুল - "কখন হবে" মিলনের সময় মন ভীত - "কখন শেষ হয়ে যাবে" *ফলে সে কখনোই বর্তমানে থাকে না।* মন অতীতে, ভবিষ্যতে ছুটে।
---*"নারী: আল্লাহর জ্বলন্ত কুদরতের কারখানা"* "যদি করো ভক্তি, তবেই পাবে মুক্তি। আর ভক্তির প্রথম ধাপ হইলো নারীকে চেনা।" *"লাক্বদ খালাক্বনাল ইনসানা ফি আহসানি তাক্বউইম"* *"আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি উত্তম রূপে"* [৯৫:৪] এই *"উত্তম রূপটা"* বানায় কে জানেন দরদী? *নারী।*
এই লেখাটা সবাই পড়ার জন্য না। যার কলব জেগেছে শুধু সে-ই বুঝবে। --- *রূহের সঙ্গী মানে কি?* যখন একজন নারী তার *আসল সঙ্গীকে* খুঁজে পায়, তখন সে বোঝে এটা দেহের চুক্তি না।
ইয়েমেনের 'ইরাশ' গোত্রের এক ব্যক্তি কিছু উট নিয়ে বিক্রি করার জন্য মক্কায় এল। আবু জাহেল তার কাছ থেকে উটগুলো কিনল। কিন্তু টাকা দেওয়ার সময় সে টালবাহানা শুরু করল এবং গরিব লোকটির টাকা আটকে রাখল। লোকটি ছিল বিদেশি মুসাফির। সে মক্কার কুরাইশদের এক মজলিসে গিয়ে ফরিয়াদ করল:
একটা ঘর আছে। দরজা নয়টা। জানালা নাই। সেই ঘরের ভিতর একটা বাতি জ্বলে। কিন্তু তুমি বাইরে দাঁড়ায়ে বলো - *"আল্লাহ কই?"* *ওই ঘরের নাম "দেহ"।*
❝ফিরিবার পথ নাহি;দূর হতে যদি দেখ চাহিপারিবে না চিনিতে আমায়।হে বন্ধু বিদায়।❞রবীন্দ্রনাথের শেষ দিককার একটি উল্লেখযোগ্য রচনা শেষের কবিতা। আমার মনে হয় রবীন্দ্রনাথের...
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সপ্তপদী’ উপন্যাসটি শুরু হয় রেভারেন্ড কৃষ্ণস্বামীকে দিয়ে, স্থানীয় লোকজন যাকে ‘বাবাসাহেব’ সম্বোধন করে। তিনি স্থানীয় লোকের রোগের চিকিৎস...
‘তুমি অধম– তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?’ বা ‘পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?’ বাংলা সাহিত্যের এই কালজয়ী উদ্ধৃতিদ্বয়ের সূত্র বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস ‘কপাল...
চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ নগরী। এটি দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত। কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত এই শহর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্য ও নৌযোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠার নির্দিষ্ট সাল সম্পর্কে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। প্রাচীন বিভিন্ন গ্রন্থ ও শিলালিপিতে এ অঞ্চলের উল্লেখ পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি নিয়েও বিভিন্ন মত রয়েছে। আরবি ও পর্তুগিজ নাবিকদের বিবরণে চট্টগ্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে পরিচিত ছিল। মধ্যযুগে এটি বিভিন্ন সময়ে আরাকান, ত্রিপুরা ও বাংলার বিভিন্ন শাসক
❝ বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে। ❞বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী এই উক্তিটির সন্ধান পাওয়া যায় সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পালামৌ উপন্যাসে। সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ...
আরবের প্রথা অনুযায়ী শিশু মুহাম্মাদ ﷺ-কে মক্কার তপ্ত আবহাওয়া থেকে দূরে, মরুভূমির মুক্ত বাতাসে বড় করার জন্য বনু সাদ গোত্রের ধাত্রী মা হালিমা (রা.)-এর কাছে পাঠানো হয়েছিল। মুহাম্মাদ ﷺ-এর আগমনের পর থেকেই মা হালিমার অভাবী সংসারে রহমত আর বরকতের বন্যা বয়ে গিয়েছিল। শুকিয়ে যাওয়া ছাগলগুলো ওলন্দাজ ভরা দুধ দিতে শুরু করেছিল, আর মরুভূমির রুক্ষ প্রান্তর যেন সবুজে ভরে উঠেছিল। মা হালিমা তাঁর নিজের সন্তানদের চেয়েও বেশি ভালোবাসতেন এই আসমানী শিশুকে।
রাত ১০টা ৪৩ মিনিট। পুরোনো রেলওয়ে গুদামটি শহরের একেবারে প্রান্তে। চারপাশে কুয়াশা। দূরে রেললাইনের ওপর মাঝে মাঝে ট্রেনের আলো দেখা যাচ্ছে। তারপর হুইসেল বাজিয়ে অন্ধকার কেটে চলে যাচ্ছে ট্রেন।
এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে রবের কাছে ফরিয়াদ করতেন, যেন জীবনে অন্তত একবার হযরত খিজির (আ.)-এর সাথে তার সাক্ষাৎ হয়।
কখনো কি চিন্তা করেছেন, আল্লাহ তাআলা কেন একথা বললেন না যে "প্রতিটি প্রাণীই মারা যাবে"? বরং তিনি বলেছেন, ”প্রতিটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে”। মৃত্যু কি কোনো খাবার বা পানীয় যে, আমাদের তার স্বাদ নিতে হবে?
বিয়ের পর দেখতে দেখতে অনেক বছর কেটে গেল। কিন্তু সেই নেককার দম্পতির ঘরে কোনো সন্তান হলো না। দীর্ঘ ১৫ বছর অপেক্ষার পর অবশেষে আল্লাহ তাআলা তাদের একটি ফুটফুটে পুত্রসন্তান দিলেন।
এক রাজা নিজেকে খুব জ্ঞানী মনে করতেন। তাঁর প্রাসাদে ছিলেন একজন বিচক্ষণ ও আল্লাহভীরু উজির। একদিন প্রাসাদে বসে ফল কাটার সময় অসাবধানতাবশত রাজার একটি আঙুল কেটে গেল।
বনী ইসরাইলের এক বুযুর্গকে পথভ্রষ্ট করার জন্য শয়তান মরিয়া হয়ে উঠল। প্রথমে তাঁর মনে কামভাব আর রাগের প্ররোচনা দিল, কিন্তু কাজ হলো না।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকিতে প্রায় দুই শতাব্দী ধরে পরিবারের মালিকানায় থাকা কৃষিজমির একটি অংশ কিনতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল সেখানে তৈরি করা বিশাল AI ডেটা সেন্টার।
এক লোক নদীর তীরে বাস করত। তার তিনটি নৌকা ছিল। প্রথম নৌকাটি ছিল অনেক দামি কাঠের তৈরি, নানা রঙে সাজানো। লোকটি সারাদিন এই নৌকাটি ঘষেমেজে চকচকে রাখত।
আমাদের মফস্বল শহরের পট্লু মিয়া ছিল অলসতার এক জীবন্ত মূর্তি। তার জীবনের মূল দর্শন ছিল—"আজকের কাজ কাল করো, আর কালকের কাজ কোনোদিন করো না।" কোনো পরিশ্রম ছাড়াই কীভাবে রাতারাতি বড়লোক হওয়া যায়, পট্লু সারাদিন শুয়ে শুয়ে শুধু সেই ফন্দি আঁটত।
টাকার বিনিময়ে একজন মানুষ তার বিবেক আর নৈতিকতা কতটুকু বিক্রি করতে পারে?২০০৬ সালের থাই মাস্টারপিস '13 Beloved' কোনো সাধারণ সারভাইভাল থ্রিলার নয়। কোনো অতিপ্রাকৃত...
মফস্বল শহরের মজনু মিয়া নিজেকে এলাকার সবচেয়ে বড় চালাক ভাবত। তার মূল ব্যবসাই ছিল কথায় কথায় মানুষকে বোকা বানিয়ে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করা, অর্থাৎ সোজা বাংলায় "ঘোল খাওয়ানো। কিন্তু প্রবাদ আছে না—"সেয়ানে সেয়ানে কোলাকুলি"? মজনু মিয়ার কপালেও তেমনই এক দিন ঘনিয়ে এল।
এটাই দুনিয়ার পরীক্ষা। দুনিয়ার পরীক্ষা আসলে এমনই। পরীক্ষা সবসময় বড় কিছু দিয়ে শুরু হয় না। কখনো পরীক্ষা আসে একটি রুটি হয়ে। কখনো সামান্য কিছু টাকা হয়ে। কখনো একটি সুযোগ হয়ে। কখনো রূপ হয়ে। নামধাম হয়ে। সেলিব্রেটি হয়ে।
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে। হে আল্লাহ! মুহাম্মদ ও আলে মুহাম্মদের ওপর দরুদ প্রেরণ করুন এবং তাঁদের সম্মানিত ফারাজকে ত্বরান্বিত করুন। নূরানি মেরাজ ও বেলায়াতের আলোকে আরও গভীর এক ইরফানি-অনুমানভিত্তিক গবেষণা। 🌌 আরও গভীর ভূমিকা: সিদরা কোনো স্থান নয়; বরং এটি দুই পর্যায়ের মধ্যকার “বিভাজন-বিন্দু” আহলে বাইত (আ.)-এর ভাষায় “আল-মুনতাহা” (المنتهى) মানে সমাপ্তি নয়; বরং এটি হলো “রূপান্তরের বরযখ” বা এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় পরিবর্তনের মধ্যবর্তী সীমা। ইমাম জাফর সাদিক (আ.) থেকে বর্ণিত হয়েছে:
একটি বিশাল গ্রহাণু পৃথিবীতে আঘাত করেছিল — আর সেই আঘাতের ফলেই পৃথিবী থেকে চিরতরে মুছে গিয়েছিল ডাইনোসর। এটি বিজ্ঞানের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর গল্পগুলোর একটি।
মিসরে যখন অত্যাচারের রাত দীর্ঘ হয়ে গেল, তখন আল্লাহ তাআলা হযরত মূসা আলাইহিস সালামকে নির্দেশ দিলেন, তিনি যেন রাতের অন্ধকারে বনী ইসরাঈলকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান।
সামিউল করিমের ল্যাপটপের স্ক্রিনে ভিডিওটি তখনও চলছে। ভিডিওতে সামিউল জীবিত। সে একটি অন্ধকার ঘরে বসে আছে। সামনে ক্যামেরা। মুখে ক্লান্তি, চোখে ভয়। পেছনে কোনো জানালা নেই। দেয়ালটাও অচেনা। সামিউল ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বলছে—
অনিন্দ্য তখন কলেজের থার্ড ইয়ারে পড়ে। শহরের কোলাহল থেকে দূরে, এক প্রত্যন্ত গ্রামে বন্ধুর বোনের বিয়েতে গিয়েছিল সে। বিয়েবাড়ি থেকে যখন সে ফিরতি পথ ধরল, তখন ঘড়িতে রা...
মফস্বল শহরের হাবলু মিয়ার জীবনটাই কেটেছে বিভিন্ন চিপা-চাপায় পড়ে। তবে এবারের চিপাটা ছিল একেবারেই আন্তর্জাতিক মানের।
আফ্রিকার আকাশে তখন ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। দিগন্তের নিচ থেকে সূর্য এখনও ওঠেনি, কিন্তু অন্ধকার আর রাতের মধ্যে সেই সূক্ষ্ম পরিবর্তনটা বোঝা যাচ্ছিল। পূর্ব আকাশে কালচে নীলের ওপর একটা ফিকে রুপালি রেখা দেখা দিয়েছে। চারদিকে অসীম তৃণভূমি। এখানে-সেখানে ছড়িয়ে আছে অ্যাকাশিয়া গাছ। দূরে কোনো পাহাড় নেই, কোনো বাড়ি নেই, কোনো রাস্তা নেই—শুধু ঘাস, গাছ আর আকাশ।
মফস্বল শহরের হাবলু মিয়ার জীবনটাই কেটেছে বিভিন্ন চিপা-চাপায় পড়ে। তবে এবারের চিপাটা ছিল একেবারেই আন্তর্জাতিক মানের।
এক গ্রামে চার বন্ধু বাস করত। তাদের মধ্যে তিনজন ছিল প্রচণ্ড শিক্ষিত ও শাস্ত্রজ্ঞানী, কিন্তু তাদের কোনো ব্যবহারিক বুদ্ধি ছিল না। আর চতুর্থ বন্ধুটি খুব বেশি পড়াশোনা না করলেও ছিল প্রচণ্ডবুদ্ধিমান এবং চতুর।
মধ্য আফ্রিকার ঘন জঙ্গলে বসবাসকারী পিগমিরা বিশ্বের অন্যতম খর্বকায় জনগোষ্ঠী। শিকার, বুনো মধু সংগ্রহ ও খাবার ভাগাভাগির অনন্য ঐতিহ্যে আজও তারা ধরে রেখেছে প্রাচীন জীবনধারা।
রাত তখন ২টা ১৭ মিনিট। ঢাকার আকাশে বৃষ্টি হচ্ছিল। সেপ্টেম্বরের বৃষ্টি—একটানা, বিরক্তিকর, অথচ অদ্ভুতভাবে শান্ত। রাস্তার বাতিগুলো বৃষ্টির পর্দার ওপারে ঝাপসা হয়ে আছে। মাঝেমধ্যে কোনো গাড়ি চলে গেলে ভেজা রাস্তায় হেডলাইটের আলো ছড়িয়ে পড়ছে। ধানমন্ডির একটি পুরোনো কিন্তু বিলাসবহুল বাড়ির সামনে পুলিশের গাড়ি থামল।
সমাজে সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য মানুষের কিছু মৌলিক ও জন্মগত অধিকার রয়েছে। সমাজে বেঁচে থাকার প্রধান অধিকারগুলো়া হলো:বেঁচে থাকার ও নিরাপত্তার অধিকারজী...
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘একা এবং কয়েকজন’ একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। এতে মানুষের একাকিত্ব, প্রেম, বন্ধুত্ব ও সম্পর্কের নানা টানাপোড়েন জীবন্তভাবে ফুটে উঠেছে। লেখকের সহজ-সাবলীল ভাষা ও বাস্তবধর্মী চরিত্রায়ণ পাঠককে কাহিনির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত করে। মানুষের মনস্তত্ত্ব ও জীবনের নানা দ্বন্দ্বই উপন্যাসটির প্রধান আকর্ষণ।
দুঃসাহসী, লড়াকু আর খানিকটা বদমেজাজি স্বভাবের জলাভূমির পাখি কালিম। ফকিরহাট-বাগেরহাট তথা বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলে এই পাখি ‘বুরি’ নামে পরিচিত। ইংরেজি নাম Purple Swamphen, বৈজ্ঞানিক নাম Porphyrio porphyrio। প্রায় ৪৫ সেন্টিমিটার লম্বা ও ৬৫০ গ্রাম ওজনের এই নাদুসনুদুস পাখিটির শরীর চকচকে নীলচে-বেগুনি। কপাল ও মাথাজুড়ে আলতা-লাল রঙের শক্ত বর্মের মতো ঢাল, লালচে পা ও লম্বা আঙুল এবং লেজের নিচে কার্পাস তুলোর মতো সাদা পালক—সব মিলিয়ে কালিমের চেহারা সত্যিই অনন্য।
কাইরান কাজী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন অসাধারণ মেধাবী মার্কিন তরুণ প্রযুক্তিবিদ। অল্প বয়সেই তিনি কম্পিউটার সায়েন্সে অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করেন। মাত্র ১৪ বছর বয়সে তিনি SpaceX-এর Starlink-এ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ শুরু করে বিশ্বজুড়ে আলোচিত হন। পরে তিনি Citadel Securities-এ Quant Developer হিসেবে যোগ দেন। তাঁর মেধা, পরিশ্রম ও সাফল্য তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বঙ্গবীর জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী এক অনন্য বীরের নাম। তিনি ছিলেন মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সামরিক নেতা। তাঁর সাহস, দেশপ্রেম, বিচক্ষণতা ও অসাধারণ নেতৃত্ব মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত ও সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন নিরস্ত্র বাঙালির ওপর গণহত্যা শুরু করে, তখন ওসমানী দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গ করেন। তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনীকে বিভিন্ন সেক্টরে সংগঠিত করা হয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, যুদ্ধকৌশল ও অভিযান পরিচালনায় সুসংগঠিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। সীমিত অ
সুনামগঞ্জ ভ্রমণে হাসন রাজার জাদুঘর হতে পারে একটি ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা। মরমি কবি ও গীতিকার হাসন রাজার জীবন, দর্শন ও সৃষ্টির সঙ্গে পরিচিত হতে এখানে আসা যায়। জাদুঘরে তাঁর ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী, পোশাক, বই, পাণ্ডুলিপি ও স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষিত রয়েছে। প্রতিটি নিদর্শন যেন তাঁর বর্ণিল জীবনের নীরব গল্প বলে। জাদুঘর ঘুরে বাইরে বের হলে সুনামগঞ্জের হাওর, নদী ও গ্রামীণ পরিবেশ হাসন রাজার গানকে আরও গভীরভাবে অনুভব করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে তাঁর মরমি গান শুনতে শুনতে এই ভ্রমণ হয়ে ওঠে ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মঅনুসন্ধানের এক সুন্দর যাত্রা।
একজন রাজা, যার ছিল অনেক কিছু দেওয়ান হাসন রাজা জন্মেছিলেন ১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জের তেঘরিয়া গ্রামে, এক প্রভাবশালী জমিদার পরিবারে। তাঁর বাবা ছিলেন দেওয়ান আলী রাজা চৌধুরী। অল্প বয়সেই উত্তরাধিকারসূত্রে তিনি বিশাল সম্পত্তি ও জমিদারির দায়িত্ব পান। তখনকার হাসন রাজা আর আজকের মরমি হাসন রাজা—দুজন যেন একই মানুষের দুই ভিন্ন অধ্যায়।
১২ রবিউল আউয়াল মুসলিম বিশ্বের কাছে অত্যন্ত আবেগ ও ঐতিহাসিক তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। প্রচলিত ইসলামী ঐতিহ্যে এই দিনটি মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত। বাংলাদেশে এই দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়। ২০২৬ সালে বাংলাদেশের সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি পালিত হয়েছে ২৬ আগস্ট। তবে মহানবী ﷺ-এর জন্ম ও ওফাতের সুনির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে ইসলামী ইতিহাস ও সীরাতের গ্রন্থগুলোতে মতভেদ রয়েছে। ১২ রবিউল আউয়াল তাঁর ওফাতের তারিখ হিসেবে বহু আলেমের কাছে প্রসিদ্ধ হলেও জন্মতারিখের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মত পাওয়া যায়। তাই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার সময় ঐতিহাসি
১৯৫০-এর দশকে ঢাকা দ্রুত সম্প্রসারিত হতে থাকে। পুরান ঢাকা ও নতুন ঢাকার মধ্যবর্তী এলাকায় জনসংখ্যা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাড়ছিল। এই পরিবর্তিত নগর বাস্তবতায় বিপুল সংখ্যক মুসল্লির জন্য একটি বড় মসজিদ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
ঢাকার ব্যস্ত শহরের এক ছোট্ট ক্যাফেতে প্রায়ই বসত পাঁচ বন্ধু আরিফ, সিয়াম, তানভীর, রাহাত ও মেহেদ। আড্ডা, চা আর ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় বড় স্বপ্ন—এই ছিল তাদের নিয়মিত রুটিন। একদিন রাহাত মোবাইলের স্ক্রিনে কয়েকটি সবুজ-লাল ক্যান্ডেল দেখিয়ে বলল, —“জানো, এগুলো দিয়ে মানুষ নাকি টাকা কামায়?” তানভীর হেসে বলল, —“তাহলে আমরাও কামাব!”
ভাদ্র মাস এলেই আমাদের গ্রামের চেহারা বদলে যেত। চারদিকে কাঁচা-পাকা তালের গন্ধ, পুকুরের ধারে ব্যাঙের ডাক, আর সন্ধ্যা নামলেই ঝিঁঝিঁ পোকার কনসার্ট। তবে এসবের চেয়েও বড় আতঙ্ক ছিল গ্রামের পশ্চিমপাড়ার সেই বিশাল তালগাছটা। লোকমুখে শোনা যায়, গাছটার মাথায় নাকি একটা ভূত থাকে।
শীতের রাত। চারপাশে ঘন কুয়াশা এমনভাবে নেমেছে যে, পাঁচ-দশ হাত দূরের জিনিসও ঠিকমতো দেখা যাচ্ছে না। গ্রামের মেঠোপথটা দিনের বেলায় যতটা পরিচিত, রাতে সেটাই যেন অচেনা হয়ে যায়।
পুরান ঢাকার পাড়াগুলো এমনিতেই একটু অন্যরকম। সরু গলি, মাথার ওপর ঝুলে থাকা বিদ্যুতের তার, পুরোনো দালানের বারান্দা, গলির মুখে চায়ের দোকান—আর বিকেল হলেই একসঙ্গে দশ রকম শব্দ।
শুক্রবার সন্ধ্যা হলেই আমাদের বন্ধুদের মধ্যে একটা অদ্ভুত উত্তেজনা শুরু হয়ে যায়। কারণ সেদিন কারও বাড়ির ছাদে, কারও ড্রয়িংরুমে বসে জমে ওঠে আমাদের বহু পুরোনো তাসের আড্ডা।
দুপুরের রোদে পশ্চিমের ছোট্ট শহরটা যেন আগুনে পুড়ছিল। চারদিকে ধুলো, কাঠের তৈরি দোকান আর রাস্তার দুই পাশে নীরব দাঁড়িয়ে থাকা ঘোড়ার গাড়ি। হঠাৎ দূর থেকে ভেসে এল ঘোড়ার খুরের শব্দ। ওমর শরীফ ধীরে ধীরে শহরে ঢুকলেন। মাথায় টুপি, গায়ে ধুলো-মাখা কোট, কোমরে পিস্তল। তাঁর চোখে ছিল এমন এক শান্ত দৃষ্টি, যেন ঝড় আসার আগের নিস্তব্ধতা।
মঞ্চে ফিরছে রোমাঞ্চ: থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চারের মিশেলে অবলোকনের ‘গন্ধসূত্র’
শহরের নামকরা স্থপতি অর্ক। দশ বছর পর সে আজ নিজের গ্রামে ফিরছে। এসি গাড়ির কাচ ভেদ করে বাইরে তাকাতেই অর্কর চোখ আটকে গেল। পিচঢালা রাস্তার দুপাশে এখন বড় বড় দালান। তা...
শেষ পর্ব“না, ছোট সোয়ালো!” বেচারা রাজপুত্র বলল। “তোমাকে মিসরে যেতেই হবে!”“না। আমি সারাজীবন তোমার সাথেই থাকব,” সোয়ালো বলল। আর সে রাজপুত্রের পায়ের কাছে গিয়ে ঘু...
পর্ব-৩তাই সোয়ালো রাজপুত্রের একটা চোখ খুলে নিয়ে যুবকের চিলেকোঠার ঘরে উড়ে গেল। ভেতরে ঢোকা খুব সহজ ছিল—কারণ ছাদেই একটা ফুটো ছিলযুবকটি দুই হাতে মাথা গুঁজে বসে ছি...
একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হলো। মায়া মেধাতালিকায় জায়গা পেয়েছে। সেদিন সে বাবার পুরোনো সেই চেয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে একটা কাগজ রাখল। কাগজে লেখা— “আব্বু, আমি পেরেছি।” তার পাশে ছিল একটা চকোলেট। সালমা দূর থেকে মেয়ের দিকে তাকিয়ে কাঁদছিলেন। মায়া চেয়ারের দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বলল, —“আব্বু, আজকে আমি তোমার জন্য চকোলেট আনছি।” তারপর সে চকোলেটটা চেয়ারের ওপর রেখে দিল। বাইরে তখন আবার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টিনের চালে টুপটাপ শব্দ। সেই একই শব্দ—
(পর্ব-২)ছোট সোয়ালো, আমার তলোয়ারে একটা চুনি বসানো আছে। দয়া করে ওটা খুলে এনে ওই মা-কে দিয়ে এসো। আমি তো মূর্তি, আমি নিজে তো যেতে পারছি না। “আমায় ক্ষমা কোরো, আ...
কবিগুরু রবিঠাকুর বলেছিলেন , " ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দরকার নেই। ফার্মগেট আছে, ধানমণ্ডি আছে -- পাশে একটা কৃষিকলেজ করে দাও। "''রবীন্দ্রনাথের এই কথায় ক্ষুব্ধ হয়ে নব...
আব্বু, আজকে ফেরার সময় আমার জন্য একটা চকোলেট আনবা?” জালাল সাহেব হেসে বলতেন, “চকোলেট একটা না এনে, যদি দুইটা আনি?” মায়া চোখ বড় বড় করে বলত, —“তাহলে তুমি পৃথিবীর সেরা আব্বু!”
শহরের অনেক উঁচুতে দাঁড়িয়ে আছে হ্যাপি প্রিন্সের মূর্তি। সে সূক্ষ্ম সোনার পাত দিয়ে ঢাকা। তার চোখ দুটো দুটি নীলকান্তমণি (স্যাফায়ার)। আর তার তলোয়ারের মাথায় বস...
ঘরের ভেতরে একটা পুরোনো খাট। একটা কাঠের আলমারি। দেওয়ালে ধুলো পড়া একটা আয়না। আর জানালার পাশে একটা ছোট টেবিল। টেবিলের ওপর একটা শুকিয়ে যাওয়া ফুলের মালা। আদিবা দরজার কাছেই দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ সে বলল, —“ওখানে।”
সালমানের বাবা মা সম্পার বাবা মার সাথে কথাও বলে রেখেছে সম্পাকে তারা ঘরের বৌ হিসাবে চেয়ে নিয়েছে।তাদের বিয়েটা কিছু দিন পর করাবে কারন সালমানের চাকুরী হয়েছে মাত্র ১ ...
সালমান আর সম্পার প্রতিদিনের আভ্যাস ছিলো।সালমান অফিস থেকে বের হয়ে সম্পাকে নিয়ে,তার বাসায় পৌছে দিয়ে তারপর সে বাসায় যেত।কারন সম্পার বাসা সালমানের বাসার পরের গলিতে।...
নুসরাতের বুক কেঁপে উঠল।—“কে?” আরিফ বলল, —“লায়লা।” ঠিক তখনই ভেতর থেকে একটা শব্দখস... যেন কেউ দরজার ঠিক ওপাশে দাঁড়িয়ে কাপড় ঘষছে। তারপর খুব আস্তে একটা মেয়েলি গলা—“আরিফ...” নুসরাতের হাত বরফ হয়ে গেল। আরিফ চাবি ঘোরাতে যাচ্ছিল। নুসরাত সর্বশক্তি দিয়ে তার হাত টেনে ধরল। —“না!” হঠাৎ দরজার ওপাশ থেকে জোরে ধাক্কা এল। ধাম! দুজনেই পিছিয়ে গেল। আবার— ধাম!
নুসরাত তখনও ব্যাপারটা গুরুত্ব দেয়নি। শিশুর কল্পনা। এটাই ভেবেছিল। সেদিন রাত সাড়ে বারোটার দিকে প্রথম শব্দটা হলো। ঠক। নুসরাত ঘুম থেকে উঠে বসে পড়ল। আরিফ তখনও ঘুমাচ্ছে। আবার শব্দ হলো। ঠক... ঠক...
সালমান হাসান একটি বেসরকারী কোম্পানীতে চাকরী করে।মাসে বেতন মুটামুটি ভালোই পায়।
ধল সুনামগঞ্জের দিরাই থানার অন্তর্গত একটি শান্ত ও সুন্দর গ্রাম, যা সুবিশাল হাওর দ্বারা পরিবেষ্টিত। বর্ষাকালে হাওরগুলো পানিতে ভরে গেলে গ্রামটি যেন বিশাল জলরাশির মাঝে একটি ছোট সবুজ দ্বীপে পরিণত হয়। তখন নৌকা হয়ে ওঠে প্রধান যাতায়াতের মাধ্যম, আর চারপাশের জলরাশি গ্রামে এক শান্ত ও মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করে।