প্রথম পাতাগল্প ও উপন্যাসচারটি যুগ, সত্য, দ্বাপর, ত্রেতা এবং কলিযুগ।

গল্প ও উপন্যাস

চারটি যুগ, সত্য, দ্বাপর, ত্রেতা এবং কলিযুগ।

চারটি যুগ, সত্য, দ্বাপর, ত্রেতা এবং কলিযুগ।

সব লাইন ঈশ্বর হতে সবাই ইশ্বর পাবার জন্য সাধনা করেন। এই কথাটি ভুল। 

কারন মানব দেহে তিনটি ভাগে বিভক্ত করা 

বিজ্ঞাপন

এক আলোর জগত নিয়ে সূর্য ধারা

দুই চন্দ্র ধারা। 

তিন অন্ধকার ধারা 

চারটি যুগ, সত্য যুগ, দ্বাপর যুগ, ত্রেতা যুগ এবং কলিযুগ। 

সনাতনধর্মাবলম্বীদের ধারণা ভুল এতো লক্ষ বছর এই যুগ সেই যুগ। মোট চারটি যুগ হয় ৩২ হাজার বছর নিয়ে। অন্য হিসেবে ৩৬ হাজার বছর মিলে হয় চারটি যুগের সময় কাল বলা হয়। 

কলিযুগ বলা হয় সময় চক্র গুহে ঘূর্ণি পাক খেতে থাকে এই কারনে কলিকাল বলা হয়। মুলত কলিকাল চন্দ্র যুগ বলা হয়। কালিদের যুগ বলা হয় কালি অন্ধকার এবং আলোর জগতের কালি মিলে এই যুগ নিয়ন্ত্রণ করেন পাশাপাশি চন্দ্র মাদার থাকে । আর কালিদের যুগ প্রধান থাকে শ্রী কৃষ্ণ এবং পাশাপাশি ব্রম্মদেব তার অবতার থাকে। 


কৃষ্ণ তিনি সৌরজগতের সূর্য এবং চন্দ্র নিয়ে বিচরন করেন।


কলিযুগ চন্দ্র রুপ দর্শন করা হয় কারন পূর্ণ জন্ম নেবার জন্য জান্নাত পাবার জন্য , চন্দ্র রুপ যে পরিশুদ্ধ নফস বলা হয় আল কোরআন সেটা বারে বারে বলছে। আল কোরআন ভাষায় জান্নাতুল ফেরদাউস যেটা পূর্ণ জন্ম হয় না,  সুরা কাহাফে দেখেন

اِنَّ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ کَانَتۡ لَہُمۡ جَنّٰتُ الۡفِرۡدَوۡسِ نُزُلًا ﴿۱۰۷﴾ۙ

ইন্নাল্লাযীনা আ-মানূওয়া ‘আমিলুসসা-লিহা-তি কা-নাত লাহুম জান্না-তুল ফিরদাওছি নুঝুলা-।

যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে তাদের আপ্যায়নের জন্য আছে জান্নাতুল ফিরদাউস। 


মুসলিম জাতির অধিক রুপোক ভাষা থাকার জন্য ধরা খেয়েছে। 


 خٰلِدِیۡنَ فِیۡہَا لَا یَبۡغُوۡنَ عَنۡہَا حِوَلًا ﴿۱۰۸﴾

খা-লিদীনা ফীহা-লা-ইয়াবগূনা ‘আনহা-হিওয়ালা-।

সেখানে তারা স্থায়ী হবে; তা হতে স্থানান্তর কামনা করবেনা।


কলিকাল মানব চক্র গুহ হলো চন্দ্র যে স্থান হতে উঠে আবার সেই স্থানে আমাবস্যা হয়ে আবার চন্দ্র হয়ে আসে । মুলত চন্দ্র চক্র হতে বের হতে পারে না। মানব যদি সূর্য ধারায় পরম আত্মা লাভ করে সে তো জান্নাতুল ফেরদাউস লাভ করবে। তার তো পূর্ণ জন্ম হবে না। 


মাওলা আলী তিনি চন্দ্র ধারায় সাধক । 

বাংলাদেশে যতো তরিকা দেখেন পৃথিবীতে ধর্ম দর্শন দেখেন সব চন্দ্র ধারায় বিভিন্ন ভাবে। 


মুজাদ্দিদ তরিকা চন্দ্র ধারায় আর নাক্সাবন্দি তরিকা এটা কাল ভৈরব সাধনা করা হয়। মুজাদ্দিদ আলফেসানি তিনি যখন দেখেছে কাল ভৈরব সাধক হয় তখন তিনি শরিয়তের দিয়ে বের করে দিয়ে মুজাদ্দিদ তরিকা নাম করন করে চন্দ্র ধারায় পরিচালিত হইতেছে, 

,চিসতিয়া সাবরিয়া চন্দ্র ধারায় পরিচালিত, চিাতিয়া নিজামিয়া চন্দ্র ধারায় পরিচালিত। 


আসেকান তরিকা, ওয়াসিয়া তরিকা ওয়ারেসিয়া তরিকা এটা সূর্যের আসেক হয় চন্দ্র? চন্দ্র তরিকা এই কারনে এটা নিয়ে লেখার কোনো প্রয়োজন মনে করি নাই। 

বাকি পৃথিবীতে যতো তরিকা দেখেন নাম ফুটানোর জন্য একেকটি তরিকা তৈরী করেছে নিজেদের মত করে। চক্র সঞ্চালন নাই এমনি একটি নাম দিয়ে তরিকা দিয়ে বাজারজাত করেছে। 

আমাদের কাদরিয়া গাউসিয়া তরিকা আগে চন্দ্র ধারায় পরিচালিত ছিল। আমি এই তরিকার কানেকশন থাকার জন্য এবং এই তরিকা সরাসরি হোসাইন রঃ সরাসরি কানেকশন করা এই কারনে এই তরিকা চন্দ্র এবং সূর্য ধারায় প্রবেশ করিয়েছি। এবং তরিকা আব্দুল কাদের জিলানী রঃ এর নিয়ন্ত্রণ করা তরিকা। 


★সনাতনধর্ম নিয়ে ★ মহাকালি অন্ধকার জগত নিয়ে। কলিকালি কুন্ডলিনি করতে হয়। এখানে পরম আত্মা দর্শন হয় না। 


হঠযোগ কুন্ডলিনি অন্ধকার জগত এটা কাল ভৈরব কানেকশন করা হয়। কাল ভৈরব সাধনা করে এখানে পরম আত্মা দর্শন হয় না। এখানে সাধক পরিপূর্ণ হলে তাম্রবর্নে চন্দ্র লাভ করেন। কাল ভৈরব ও কালি সংযোগ করে চক্র জাগরন করে সাধনা করে শেষ। এই লাইনে বৌদ্ধ জৈন মতাদর্শে চলে, বাংলাদেশ এটা বিভিন্ন নামে চলে। সুরেশ্বরী জাহাঙ্গীর সাহেব তার পরিবার এই লাইনে চলে। বাংলাদেশ দেখেন বেলতলি লেংটা বাবা তারা সবাই এই লাইনে চলে। বাংলাদেশ বিভিন্ন পীর গুরু এই লাইনে চলে সাধনা করে। 


সনাতনধর্ম হঠোযোগ কুন্ডলিনি হলে বা মুসলিম জাতি করলে মহাদেব ধারার মনে করো করে। এই লাইনে পরম আত্মা দর্শন হয় না 


সহজিয়া মতাদর্শ এটা একটি এলোমেলো দর্শন বৌদ্ধ সহজিয়া মতাদর্শ হতে সৃষ্টি। বৌদ্ধ জাতির ভিতরে দুই ভাগ আছে। 


লালন বৈষ্ণব সহজিয়া এরা রসের চন্দ্র সাধনা করেন কালি সাধনা করে আসলে এরা নিজেরাই বুঝে না। কি কাকে কেন্দ্র করে সাধনা করা হয়। এরা সবাই সোনালী চন্দ্র যে ভাবে লাভ করা যায় সেটা কে পরম আত্মা বলে সাধনা করে অধর চাঁদ হিসেবে। নারীর যৌনি হতে নেন আসলে সকল নারী কালির একটি রুপ। আবার বীর্য খান সেটা চন্দ্রের কানেকশন করা, আপনারা যেটা খান সেটা শুক্রকীট দিয়ে ভরা একবার বীর্যপাত করলে লাখ লাখ জীব হত্যার আসামি হবেন। 


লালন মতাদর্শ এরা একেবারে বদের হাড্ডি এরা বলে পুরুষ সূর্য আর নারী চন্দ্র। নারী জন্মগত চন্দ্র ধারায় থাকে তাকে পরিপূর্ন চন্দ্র হয়ে খুঁজে বের করতে হয়। 


আর পুরুষ সে জন্ম থেকে সে চন্দ্র সূর্য এবং অন্ধকার থাকে না। পুরুষ জন্ম থেকে পশুজাত জানোয়ার রুপ থাকে সেখান হতে সাধনা করে মানুষ রুপে চন্দ্র রুপ হলে বলা হয় মানুষ রুপ। আর আল কোরআন ভাষায় বলা হয় পরিশুদ্ধ নফস যে হয়েছে সেই সফলতা লাভ করেছে। এটা কে পরিশুদ্ধ চন্দ্র রুপ বলা হয়। 


পুরুষ কে সাধনা করে পথ বাহির করে আনতে হয়, সে কালি সাধনা করে চন্দ্র হবে না মহাকালি করবে? না আলোর জগতের কালি সাধনা করবে? না কাল ভৈরব হঠোযোগ কুন্ডলিনি করবে? 


উপরে বর্নিত সকল সাধনা চন্দ্র প্রথাগত হিসেবে পরিচিত হইতেছে। এইসব সাধনা করে কি আল্লাহ পাবেন কি উত্তর দিন? এটা কেমনে ঈশ্বর পাবার পথ হলো। 


★মুসলিম মুল সত্যর আল্লাহর পথ ★ 

★ মানবের এখন জন্ম মৃত্যু চক্র হতে পরিত্রান পেতে এবং চন্দ্র হতে মুক্ত হয়ে বের হবার জন্য জান্নাতুল ফেরদাউস পেতে সূর্য ধারায় সূর্য তেজে মুল পরম আত্মা বা আল্লাহ দর্শন করে লাভ করতে হয়। এখন আসেন সূর্য ধারায় পরিচালিত পথ হলো ম্যাহাদার কুন্ডলিনি যা আগে ছিল না। তিনটা তরিকা পরম আত্মা দর্শন ও মুল আল্লাহ দর্শন হবে 

১আজমান কাদির নুর তরিকা 

২আজমান কাদির খিদির তরিকা

৩আজমান কাদির নুরে আলোম কলন্দর তরিকা

এটাই মুল আলোর জগতের ইব্রাহিম আঃ মুল ধর্ম দর্শন। 


কলিযুগ শুরু হয় চন্দ্র ধারায় পরিচালিত হয়। এখন জ্ঞান চৈতন্য সত্য যুগ শুরু হয়েছে দেখে মুল পরম আত্মা দর্শন যুগ চলে এসেছে।


ইব্রাহিম আঃ ধর্ম দর্শন হবে চক্র সঞ্চালন করা পথ হবে। মুল ঈশ্বর বা আল্লাহ লাভ করতে। সরাসরি আল্লাহর দর্শন তার শক্তি লাভ করতে ইব্রাহিম আঃ এর ধর্ম দর্শন বলা হয়। 

০ মন্তব্য · ৪৮ ভিউ
মন্তব্য

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করতে হলে লগইন করুন

লগইন করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!