😂 আওয়ারাপান
এক গ্রামে থাকত তিন বন্ধু—রনি, সুমন আর বাবু। তিনজনের মধ্যে রনি ছিল সবচেয়ে বড় আওয়ারা। কাজকর্মের নাম শুনলেই তার জ্বর আসত, কিন্তু খাওয়ার নাম শুনলে জ্বর পালিয়ে যেত!
এক গ্রামে থাকত তিন বন্ধু—রনি, সুমন আর বাবু। তিনজনের মধ্যে রনি ছিল সবচেয়ে বড় আওয়ারা। কাজকর্মের নাম শুনলেই তার জ্বর আসত, কিন্তু খাওয়ার নাম শুনলে জ্বর পালিয়ে যেত!
হযরত সুলাইমান (আ.) একবার সমুদ্রের তীরে গেলেন। সেখানে তিনি দেখলেন, একটি ছোট পিঁপড়ে মুখে একটি সবুজ পাতা নিয়ে পানির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পিঁপড়েটি যখন পানির একেবারে কাছাকাছি পৌঁছাল, তখন হঠাৎ পানি থেকে একটি ব্যাঙ উঠে এল। পিঁপড়েটি ব্যাঙের পিঠে চড়ে বসল এবং ব্যাঙটি তাকে নিয়ে সমুদ্রের গভীর পানিতে ডুব দিল। অনেকক্ষণ পর ব্যাঙটি আবার ফিরে এল এবং পিঁপড়েটি তার পিঠ থেকে ডাঙায় নেমে এল। কিন্তু তখন পিঁপড়েটির মুখে সেই সবুজ পাতাটি ছিল না। এই অদ্ভুত দৃশ্য দেখে হযরত সুলাইমান (আ.) পিঁপড়েটিকে ডাকলেন এবং এর কারণ জিজ্ঞেস করলেন। পিঁপড়েটি জবাব দিল,
অনেক দিন আগের কথা। পাহাড়, নদী আর বিস্তীর্ণ মরুভূমিতে ঘেরা এক রাজ্যে বাস করতেন দয়ালু ও সাহসী যুবক হাতেম তাই। তাঁর কাছে ধনসম্পদের চেয়ে মানুষের দুঃখ মোচন করা ছিল অনেক বেশি মূল্যবান। কোনো পথিক বিপদে পড়লে, কোনো ক্ষুধার্ত মানুষ সাহায্য চাইলে কিংবা কোনো অসহায় মানুষ ন্যায়বিচারের আশায় তাঁর দরজায় এলে—হাতেম কাউকে খালি হাতে ফেরাতেন না। এক সন্ধ্যায় আকাশে কালো মেঘ জমেছিল। দূরে পাহাড়ের গায়ে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় হাতেমের প্রাসাদের দরজায় এসে দাঁড়ালেন এক বৃদ্ধ। তাঁর পোশাক ধুলোমাখা, মুখ ক্লান্ত, আর চোখে এমন এক গভীর বিষাদ—যেন বহু বছরের কষ্ট সেখানে জমে আছে। বৃদ্ধের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল এক তরুণী। তার নাম
বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যা। জানালার পাশে বসে বই পড়ছিল রাফি। হঠাৎ তার মনে হলো, কেউ যেন তাকে ডাকছে।
হুমায়ূন আহমেদের লেখার একটি বিশেষ সৌন্দর্য হলো—সাধারণ জীবনের ছোট ছোট ঘটনা, মানুষের মনের গোপন অনুভূতি, অভিমান আর নিঃসঙ্গতাকে তিনি এমনভাবে তুলে ধরেন, যেন সেগুলো আমাদের নিজেদের জীবনেরই গল্প। “আজ আমি কোথাও যাবো না” শিরোনামটির মধ্যেও একধরনের মানসিক অবস্থার ইঙ্গিত রয়েছে। কোথাও না যাওয়ার সিদ্ধান্ত কখনো নিছক ঘরে থাকার ইচ্ছা নয়; কখনো তা হতে পারে ক্লান্তি, নিজের মতো করে সময় কাটানোর আকাঙ্ক্ষা, মানুষের কাছ থেকে সাময়িক দূরত্ব তৈরি করা কিংবা নিজের মনের সঙ্গে কিছুক্ষণ একা থাকার চেষ্টা।
চোখের সামনে থেকেও যে সত্য দেখা যায় না গোয়ার এক শান্ত পাহাড়ি শহরে স্ত্রী নন্দিনী আর দুই মেয়েকে নিয়ে বসবাস করে বিজয় সালগাঁওকর। সে খুব সাধারণ একজন মানুষ। তার নিজের কোনো বড় পরিচয় নেই, নেই বিশেষ কোনো ক্ষমতা কিংবা প্রভাবশালী বন্ধু। একটি ছোট কেবল টিভির ব্যবসা চালিয়েই তার সংসার চলে। কিন্তু বিজয়ের মধ্যে এমন একটি গুণ আছে, যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে—সে অসাধারণ মনোযোগ দিয়ে সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে এবং একবার কোনো কিছু বুঝে ফেললে তা সহজে ভুলে যায় না।
আফ্রিকার সেই প্রান্তরে সেদিন তাদের লড়াই শুধু একটি হিংস্র সিংহের বিরুদ্ধে ছিল না; লড়াই ছিল হতাশা, অসহায়ত্ব আর মৃত্যুভয়ের বিরুদ্ধেও। আর তাদের সামনে তখনো পড়ে ছিল দীর্ঘ পথ—সভ্যতার কাছে ফিরে যাওয়ার পথ, জীবনের কাছে ফিরে যাওয়ার পথ।
সেই পাগলামিটাই আজ ২০ মিলিয়ন ডলারের কোম্পানি। আর গত মে মাসে সেটাকে নীরবে কিনে নিয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কোম্পানি - অ্যাপল।হ্যাঁ, গল্পটা আমাদের। বাংলাদেশের।So...
বিকেলের আকাশে তখন মেঘ জমেছে। জানালার পাশে বসে পুরোনো হারমোনিয়ামটার দিকে তাকিয়ে ছিল অয়ন। হারমোনিয়ামটির গায়ে ধুলোর আস্তরণ, কয়েকটি চাবি ভেঙে গেছে, আর বেলোতে জমেছে সময়ের পুরোনো গন্ধ। অথচ একসময় এই হারমোনিয়ামের সুরেই মুখর হয়ে উঠত পুরো বাড়ি।
বাঙালির শরীরে লুকিয়ে আছে ১,৫০০ বছরের এক রহস্যভাবুন তো—আপনার শরীরের প্রতিটি কোষে এমন এক ইতিহাস লেখা আছে, যা আপনি কখনো বইয়ে পড়েননি।হাজার হাজার বছর আগে শিকারি-স...
এক অজপাড়া গাঁয়ের ছেলের বড় হয়ে ওঠার গল্পআমার জন্ম এক অজপাড়া গাঁয়ে—যেখানে শহরের কোলাহল ছিল না, ছিল না ব্যস্ততার কোনো তাড়া। ছিল সবুজের বুক চিরে চলে যাওয়া ম...
যেদিন সমুদ্র শহরের ভেতরে ঢুকে পড়েছিল রাত তখন প্রায় এগারোটা। নীলপুর শহরটাকে বাইরে থেকে দেখলে মনে হতো, সমুদ্রের ধারে বসে থাকা একটা শান্ত, নিরীহ শহর। দিনের বেলায় পর্যটকদের ভিড়, ছোট ছোট রেস্তোরাঁ, মাছের বাজার, পুরোনো বাতিঘর আর সমুদ্রের ধারে সারি সারি কাঠের বাড়ি—সব মিলিয়ে জায়গাটা ছিল ছবির মতো সুন্দর। কিন্তু সেদিন রাতে সেই শহরের সৌন্দর্যের কোথাও কিছুই অবশিষ্ট ছিল না।
অনেক অনেক বছর আগের কথা। সাত পাহাড় আর তেরো নদীর ওপারে ছিল এক আশ্চর্য রাজ্য—নাম তার চাঁদের রাজ্য। সেই রাজ্যে রাত নামলেই আকাশের চাঁদ একটু বড় হয়ে উঠত, আর চাঁদের আলোয় রাজপ্রাসাদের সোনালি মিনারগুলো ঝলমল করত।
রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। বাইরে টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়ছে। জানালার পাশে বসে রায়হান একদৃষ্টিতে অন্ধকার রাস্তার দিকে তাকিয়ে ছিল।
এক রাতে করিমের বাড়িতে চোর ঢুকেছে। চোর খুব সাবধানে আলমারি খুলছে। এমন সময় করিমের ঘুম ভেঙে গেল।
পবিত্র কোরআন ও বাইবেল, উভয় ধর্মগ্রন্থেই হযরত নূহ (আঃ)-এর নৌকা ও মহাপ্লাবনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।তুরস্কের আরারাত পর্বতের কাছে অবস্থিত নৌকাসদৃশ দুরুপিনার ভূতাত্তিক ...
প্রথম অধ্যায় — আটজন মানুষের গল্প শহরের এক প্রান্তে ছোট্ট একটি চায়ের দোকান ছিল। সন্ধ্যার পর দোকানটার সামনে প্রায়ই দেখা যেত আটজন তরুণ-তরুণীকে। সেজান, সিফাত, রেজোয়ান, মুকুল, রোমেল—এই পাঁচ বন্ধু।
ভারতের মধ্যপ্রদেশের ঐতিহাসিক মান্ডু নগরীর রাজপ্রাসাদ-সমষ্টির অন্যতম আকর্ষণীয় স্থাপনা হলো হিন্দোলা মহল বা ‘দোলায়মান প্রাসাদ’। ‘হিন্দোলা’ শব্দের অর্থ দোলনা; প্রাসাদের দুপাশের অস্বাভাবিকভাবে হেলানো ও বিশাল পুরু দেয়াল দূর থেকে দেখে মনে হয় যেন পুরো ভবনটি দুলছে—এই বৈশিষ্ট্য থেকেই এর নাম হিন্দোলা মহল। এর নির্মাণকাল নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে কিছু মতভেদ রয়েছে। ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ (ASI)-এর নথিতে ১৪৬৯–১৫০০ খ্রিস্টাব্দে সুলতান গিয়াসউদ্দিন খিলজির শাসনামলে হিন্দোলা মহলের নির্মাণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে; অন্যদিকে কিছু ঐতিহাসিক সূত্র মনে করে, এর প্রাথমিক নির্মাণ হোশং শাহের আমলে প্রায় ১৪২৫ খ্রিস্
শেষ চিতা পরদিন সকাল। শরিফ, টিটু আর রুমি তিনজনই সিদ্ধান্ত নিল, তারা আর কখনো শ্মশানঘাটে যাবে না। কিন্তু দুপুরের দিকে শরিফের বাড়ির সামনে একজন অচেনা বৃদ্ধ এসে দাঁড়াল। বৃদ্ধ বলল, —তোমাদের সঙ্গে একটু কথা আছে। শরিফ বাইরে এসে দাঁড়াল।
ধাম! গুলির শব্দে পুরো ঘরটা কেঁপে উঠল। আরিয়ান কয়েক সেকেন্ড বুঝতেই পারল না কী হয়েছে।
যে নামটি লেখা ছিল পাথরেশরিফ টর্চের আলো কবরটির দিকে ফেলল।কবরটি মাটির ওপর অর্ধেক ভাঙা। কোনো নাম লেখা নেই। শুধু একটি পাথর পড়ে আছে।কিন্তু টর্চের আলো পড়তেই পাথরের ...
শ্মশানঘাটের শেষ চিতাএকটি লোমহর্ষক ভৌতিক গল্পচরিত্র: শরিফ, টিটু ও রুমি যে রাতে সবকিছু শুরু হয়েছিল শীতের রাত। চারপাশে ঘন কুয়াশা। গ্রামের শেষ প্রান্তে নদীর ধারে একটি পুরোনো শ্মশানঘাট। দিনের বেলাতেও সেখানে মানুষ খুব একটা যায় না। আর রাত হলে তো কথাই নেই। লোকমুখে শোনা যায়, বহু বছর আগে ওই শ্মশানঘাটে এক নববধূর দেহ পোড়ানো হয়েছিল। কিন্তু চিতা নিভে যাওয়ার পর তার দেহের কিছুই পাওয়া যায়নি। শুধু পড়ে ছিল একটি লাল শাড়ির আঁচল আর একজোড়া রুপোর নূপুর।
রাত তখন প্রায় বারোটা। শহরের শেষ প্রান্তে পুরোনো সেই বাড়িটার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল রায়হান। তিন বছর ধরে একই স্বপ্ন দেখছে সে—একটি মেয়ে, নীল চোখ, লাল শাড়ি, আর হাতে একটি পুরোনো চিঠি। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, স্বপ্নের মেয়েটিকে রায়হান কখনো বাস্তবে দেখেনি।
২০২৩-এর শেষে মগবাজার মোড়ে দাঁড়াইয়্যা বিড়ি ফুঁকতেছিলাম। ওই টাইমলাইনে দুর্ঘটনা ঘটলে ঘটতেই থাকত। দুর্ঘটনাগুলো সমজাতীয়। আগুন লাগলে লাগতই, ডাকাতি হলে হতই। তখন র...
হারিয়ে ফেলা একটি নীল চোখের মেয়ে একটি রোমাঞ্চকর প্রেমের গল্প কিছু মানুষকে আমরা খুব অল্প সময়ের জন্য দেখি। কিন্তু সেই অল্প সময়টাই কখনো কখনো পুরো জীবনকে বদলে দেয়। আর কিছু চোখ... একবার দেখলে সেগুলোকে আর কোনো ভিড়ের মধ্যে ভুলে থাকা যায় না।
রাত তখন দুইটা সতেরো। ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া শেষ রাতের ট্রেনটা কুয়াশা কেটে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে অজানা গন্তব্যের দিকে। ট্রেনের কামরায় যাত্রী খুব কম। জানালার বাইরে শুধু অন্ধকার—মাঝে মাঝে দূরের কোনো গ্রামের দু-একটি আলো চোখে পড়ে আবার মিলিয়ে যায়।
অবস্থান ও আয়তন: জমিদার বাড়িটি প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ০.৫ কিলোমিটার প্রস্থ প্রাচীর দিয়ে ঘেরা।প্রধান ভবন: এখানকার প্রধান আকর্ষণগুলোর মধ্যে ১৮৯৯ সালে নির্মিত...
বাইরে তখন বৃষ্টি আরও জোরে নেমেছে। নাভিদের ঘরের জানালার ফাঁক দিয়ে আরিয়ান দেখল, কালো রঙের দুটো গাড়ি রাস্তার পাশে এসে থেমেছে।
সন্ধ্যা ৭টা বেজে ৩৭ মিনিট। বুকপকেটে ৩০ টাকা আর শুক্লপক্ষের চাঁদসহ চন্দ্রিমা উদ্যানে বসে আছি। নেই চাকরি, নেই আলিসান পরিবার, নেই ফর্সা পিতার কালো অর্থ। চাঁদটা কী ...
বাতাসে লাশের গন্ধরেললাইনের পাশের ছোট দোকানের পিছনের গল্পরাত তখন সাড়ে এগারোটা। শীতের কুয়াশায় ঢেকে গেছে পুরো রেললাইন। দূরে কোথাও ট্রেনের হুইসেল শোনা যাচ্ছে। রে...
রাত তখন প্রায় সাড়ে বারোটা। শহরের শেষ প্রান্তের সেই পুরোনো মহল্লায় দিনের বেলাতেও খুব একটা মানুষ চলাচল করত না। আর রাত হলে জায়গাটা যেন অন্য কোনো জগতে পরিণত হতো। সেদিনও চারপাশ নিস্তব্ধ। হঠাৎ দূর থেকে ভেসে এলো একটা পরিচিত ডাক— “পুরোনো জিনিস দেবেন? পুরোনো জিনিস… বদলে নতুন জিনিস নেবেন?”
রাত তখন সাড়ে এগারোটা। শীতের কুয়াশায় ঢেকে গেছে পুরো রেললাইন। দূরে কোথাও ট্রেনের হুইসেল শোনা যাচ্ছে। রেললাইনের পাশে ছোট্ট একটি চায়ের দোকান। দোকানের সামনে কাঠে...
এক বিশাল যাত্রীবাহী জাহাজ দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা শেষে রসদ সংগ্রহের জন্য একটি অচেনা দ্বীপে নোঙর করল। দ্বীপটি দূর থেকে দেখতে অবিশ্বাস্য রকমের সুন্দর লাগছিল।
রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। শহরটা ঘুমিয়ে পড়েছে অনেক আগেই। রাস্তার দুপাশের পুরোনো ভবনগুলো অন্ধকারে দাঁড়িয়ে আছে। দূরে কোথাও একটা গাড়ি চলে গেলে আবার চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে যাচ্ছে।
বনি ইসরাইলের এক ব্যক্তি প্রায় ২০০ বছর ধরে আল্লাহর ইবাদত করেছিল। তার মনের ভেতর একটি অদ্ভুত ইচ্ছা জাগল, সে ইবলিসকে দেখতে চায়।
‘তবে কি তারা উটের দিকে তাকায় না?’ ১৪০০ বছর আগে পবিত্র কুরআনে আল্লাহর দেওয়া এই চ্যালেঞ্জের রহস্য কী?
শহর থেকে অনেক দূরে, নদীর ধারে একটি ছোট্ট গ্রাম। গ্রামের শেষ প্রান্তে ছিল পুরোনো এক কবরস্থান। দিনের বেলায় জায়গাটি শান্ত, কিন্তু রাত নামলেই সেখানে কেমন যেন অদ্ভুত নীরবতা নেমে আসত। সেই গ্রামেই থাকত নীহার। আর তার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ ছিল মেহরিন। মেহরিনের হাসি ছিল নীহারের পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শব্দ। দুজনের ভালোবাসা ছিল
রাত তখন প্রায় বারোটা। শহর থেকে অনেক দূরে, নদীর ধারে একটি পরিত্যক্ত বাড়ি—স্থানীয় মানুষের কাছে যার নাম ‘লাশকাটাঘর’। কেউ জানত না বাড়িটির আসল ইতিহাস। শুধু শোনা যেত, বহু বছর আগে সেখানে এক জমিদার পরিবারের শেষ সদস্য মারা যাওয়ার পর বাড়িটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপর থেকে মাঝরাতে ওই বাড়ির জানালায় আলো জ্বলত, আর ভেতর থেকে ভেসে আসত কারও কান্না।
একদিন চার বন্ধু—সুজন, মিলন, সায়েম আর শরফু—ঠিক করল, শহরের কোলাহল থেকে দূরে একটি নির্জন বনে রাত কাটাবে। বনটি ছিল অনেক পুরোনো। স্থানীয়রা বলত, সেখানে রাত হলে গাছের ...
রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। আকাশের অবস্থা বিকেল থেকেই খারাপ ছিল। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসটা আরও ভারী হয়ে উঠেছিল। মাঝে মাঝে দূরে কোথাও মেঘ গর্জে উঠছিল, তারপর কয়েক সেকেন্ডের জন্য চারপাশ একেবারে নিস্তব্ধ। তারপর— ঝলক! আকাশের বুক চিরে বিদ্যুৎ চমকে উঠছিল। সেই আলোয় গ্রামের কাঁচা রাস্তা, বাঁশঝাড় আর দূরের গাছগুলোকে কয়েক মুহূর্তের জন্য দেখা যাচ্ছিল। তারপর আবার অন্ধকার। বৃষ্টি খুব বেশি ছিল না। ঝিরিঝিরি করে পড়ছিল। কিন্তু সেই বৃষ্টির সঙ্গে বাতাসের শব্দটা এমন ছিল যে, মনে হচ্ছিল কেউ যেন অন্ধকারের ভেতর দাঁড়িয়ে ফিসফিস করে কথা বলছে। মাহিন, টফি, হিমেল, আরাফাত, ফারুক আর মান্নান—ছয় বন্ধু।
এক বিশাল আফ্রিকার ঘন বনে একদল হায়েনা বাস করত। তারা ছিল অত্যন্ত ধূর্ত, লোভী আর হিংস্র। নিজে খেটে শিকার করার চেয়ে অন্য পশুর শিকার করা খাবার ছিনতাই করা কিংবা বনের দুর্বল প্রাণীদের ওপর দলবল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়াই ছিল তাদের মূল কাজ। বনের অন্য পশুরা তাদের এই অত্যাচার আর অদ্ভুত কর্কশ হাসির শব্দে সবসময় তটস্থ থাকত।
'ডিগবাজি' নামটা শুনলেই নিখিলেশ বাবুর বুকের ভেতরটা কেমন যেন গুড়গুড় করে ওঠে। এর কারণ অবশ্য শারীরিক কোনো কসরত নয়, বরং তার দীর্ঘ পঁয়ত্রিশ বছরের কেরানির জীবনের শেষ দ...
ব্যস্ত মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের তিন নম্বর প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন সকাল ঠিক ৮টা ৪৫ মিনিটে একটা অদ্ভুত নীরব প্রেম উঁকি দিত। সেখানে কোনো কথা হতো না, কারণ শুভ ও রাইসার ভাষা ছিল একদম আলাদা। রাইসা জন্ম থেকেই কথা বলতে বা শুনতে পারে না। আর শুভ এক বহুজাতিক কোম্পানির ব্যস্ত সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, যে প্রতিদিন ওই একই ট্রেনে অফিসে যায়।
বিকেল পাঁচটার সেই চায়ের দোকানটায় অদ্ভুত একটা নিয়ম ছিল। সেখানে কোনো কাপের হাতল ছিল না, আর মাটির ভাঁড় বা কাঁচের গ্লাসও ব্যবহার করা হতো না। চায়ের দোকানদার, যাকে সবাই 'রহমত চাচা' বলে ডাকত, তার কাছে ছিল শত শত ভিন্ন ডিজাইনের চিনা মাটির কাপ। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, সেই কাপগুলোতে কোনো মানুষের নাম বা নম্বর লেখা থাকত না, কিন্তু সেখানে প্রতিটা কাপের গায়ে আঁকা থাকত কোনো না কোনো মানুষের জীবনের বিশেষ কোনো মুহূর্তের ছবি।
পুরোনো কাঠের ড্রয়ারটা পরিষ্কার করতে গিয়ে ধুলোবালি মাখা একটি মোটা ডায়েরি খুঁজে পেয়েছিল নীলা। খাতাটির কভারের ওপর বড় বড় করে নীল কালিতে লেখা—‘এলেবেলে’। নাম দেখেই নী...
শহরের ব্যস্ততম গলির একদম শেষ প্রান্তে, যেখানে ল্যাম্পপোস্টের আলোটাও পৌঁছাতে ভয় পায়, সেখানে ছিল সমির হোসেনের চায়ের দোকান। দোকানটার কোনো সাইনবোর্ড ছিল না। চারপাশের ভাঙা দেয়াল আর লতাপাতায় ঢাকা ছোট্ট একটা কাঠের দরজা দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে ভেতরে এক অদ্ভুত দুনিয়া লুকিয়ে আছে। তবে যারা জীবনের সব আশা হারিয়ে ফেলত, কোনো এক অজানা টানে তারা ঠিকই খুঁজে পেয়ে যেত এই ‘গুপ্ত চায়ের দোকান’।
নদীর ধারে ছোট্ট একটি গ্রাম। গ্রামের মানুষের জীবনের সঙ্গে নদীর সম্পর্ক ছিল খুব গভীর। কেউ নদী পাড়ি দিয়ে বাজারে যেত, কেউ ওপারের হাটে ধান বিক্রি করত, কেউ আবার চিকিৎসার জন্য শহরে যেত। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র হলেও তাদের জীবন চলত পরস্পরের সহযোগিতায়।
আমাদের দেশের বাড়ির পিছনে একটা পুকুর ছিল, নাম শাঁখপুকুর। শাঁখের মতো বাঁকা বলে নয়। শাঁখা পরা একজন থাকতেন বলে।
সুলাইমান আলাইহিস সালাম বাতাস, জিন ও পাখি: মহাবিশ্বের সেই একমাত্র সুপারপাওয়ার, যার হেডকোয়ার্টার বাতাসের ওপর ভেসে চলত! আপনি কি এমন কোনো বিশ্বশাসকের কথা কল্পনা ক...
স্বপন দীর্ঘ দশ বছর পর আজ আবার নিজের গ্রামের বাড়িতে ফিরেছে। শহরের যান্ত্রিক কোলাহল, অফিসের ফাইলপত্র আর গ্লানি তাকে সম্পূর্ণ ক্লান্ত করে দিয়েছিল। চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর মনে হচ্ছিল তার জীবনের সব অধ্যায় বুঝি এখানেই শেষ। কিন্তু ট্রেন থেকে নেমে যখন সে গ্রামের মেঠোপথে পা রাখল, বাতাসে সোঁদা মাটির গন্ধ যেন তাকে নতুন কোনো বার্তা দিল।
ওকে মানুষ এতো ভালোবেসেছে যে ওর একটা পিতলের মুর্তি গড়ানো হয়েছিলো শিবুয়া স্টেশনে! ওর উপর বই লিখা হয়েছে, ছায়াছবি তৈরী করা হয়েছে... 😅❤️
ইয়াজুজ মাজুজ বা গগ ম্যাগগ এর যুদ্ধ অনেক কাল আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এটা এখন চুড়ান্ত অবস্থায় পৌছে গিয়েছে। এটা কোন ফিজিক্যাল যুদ্ধ নয়। এটা হল ভয় এবং ঘৃনা । আর এই ভ...
কী হবে, যদি পর্যবেক্ষক আর মহাবিশ্বের মধ্যকার সীমারেখা আমাদের ধারণার মতো এতটা সরল না হয়?কোয়ান্টাম মেকানিক্স ক্ষুদ্রতম স্তরে বাস্তবতাকে বোঝার আমাদের ধারণাকে আমূ...
আপনি কি কখনো খেয়াল করেছেন যে, যারা কোনো বিষয়ে আসলে কম জানে বা কম বোঝে, তারা নিজেদের অনেক জ্ঞানী মনে করে? আবার যারা সত্যি সত্যি অনেক জানে, তারা প্রায়ই নিজেদের জ্...
❌না বলতে না শেখা আসলে নিজেকেই ক্ষতি করা‼️একটি গ্রামে রামু নামে একজন সহজ-সরল মানুষ থাকত। স্বভাবের দিক থেকে সে খুবই নরম মনের ছিল। কিন্তু তার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছি...
চকবাজারের ৩৫০ বছরের মহাবিবর্তন! ইতিহাস যখন জীবন্ত - ইতিহাসের ঝরোকা অর্থ - ইতিহাসের জানালা, আজ এই জানালা খুলে দেখাব আপনাদের চকবাজারের আসল ইতিহাস!আজকে আমরা আপনাদে...
#একটি ছোট্ট শহরের এক প্রান্তে থাকত এক যুবক। তার নাম ছিল হামজা। খুব ধনী ছিল না, আবার একেবারে দরিদ্রও ছিল না। বাবার রেখে যাওয়া ছোট একটি দোকান ছিল তার। দোকানে কাপ...
অম্বা আগুনে ঝাপ দিয়েছেন কিন্তু অম্বার প্রতিশোধের আগুন তখনও নিভে যায়নি। কিন্তু হস্তিনাপুরে আরেক বিপদ ধীরে ধীরে ঘনিয়ে আসছিল।একটি সাম্রাজ্যের ভবিষ্যৎ কখনও শুধু যুদ...
ইতিহাসের এমন এক ঘটনা যা এখনো ভাবলে বিষ্মিত হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।একটি ঐতিহাসিক ঘটনা "রূমাহ কূপ" ক্রয়ের ঘটনা। যার নায়ক ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান ইবনে আফ...
ইয়েমেনের নিস্তব্ধ এক জনপদে উওয়াইস আল-কারনি (রহ.)-এর জীবন কেটে যাচ্ছিল খুব সাধারণভাবে। তাঁর জীবনে ছিল না রাজকীয় চাকচিক্য, ছিল না মানুষের ভিড়, ছিল না নিজের না...
ছোট্ট জনপদের প্রান্তে থাকত এক দরিদ্র যুবক। তার নাম ছিল সালেহ। পরিবারের অবস্থা খুব ভালো ছিল না। বাবা মারা যাওয়ার পর সংসারের দায়িত্ব অনেকটাই তার কাঁধে এসে পড়েছ...
রোমান সৈন্যরা সুড়ঙ্গ খুঁড়ে শত্রুর কাছে পৌঁছেছিল… তারপর সেই অন্ধকার সুড়ঙ্গেই তাদের জন্য অপেক্ষা করছিল বিষাক্ত ধোঁয়া! ভাবুন তো... খ্রিষ্টীয় ২৫৬ সাল। সিরিয়ার...
*নারী তত্ত্ব* ---*"না জানিয়া হইও না প্রেমে মত্ত"*দরদী, নারী শুধু ফুল না। নারী শুধু ভোগের পণ্য না। নারী হইলো জায়নামাজ। আমার দ্বীন-দয়াময় কয় - *"নারী জায়নামাজের চে...
*"ইশক মানে ফানা, ফানা মানে তিনি"* প্রেমের পথে তলোয়ার চলে না রে বন্ধু। এখানে রাজা হইতে গেলে ভিখারি হইতে হয়। এখানে জোর চলে না, চলে শুধু আত্মসমর্পণ।
"দুধ থেকে ঘি, রতি থেকে নূর"* 🌙 *"দেহের আগুন নেভানোর জিনিস না, ওটা জ্বালানোর জিনিস"* দরদী, শোনো। আল্লাহ মানুষকে দেহ দিছে শুধু ভোগের জন্য না।
পুরোনো শহরের ব্যস্ত বাজারে ছোট্ট একটি রুটির দোকান ছিল। দোকানটির মালিকের নাম ছিল আবু সালিম। ভোরের আজান শোনা যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই সে ঘুম থেকে উঠত। অজু করে ফজরের নামাজ আদায় করত, তারপর বাড়ির চুলায় আগুন জ্বালিয়ে রুটি তৈরির কাজে লেগে যেত। তার স্ত্রী আটা মাখতেন, আর আবু সালিম রুটি বেলতেন ও তন্দুরে সেঁকতেন। সূর্য ওঠার আগেই দোকানে গরম রুটির গন্ধ ছড়িয়ে পড়ত।
কখনো চারপাশে সবকিছু স্বাভাবিক থাকে, তবুও ভেতরটা অস্থির লাগে। মনে হয়— “একটু শান্ত হতে পারলে ভালো লাগত।” থেরাপিতে এমন পরিস্থিতিতে কখনো Safe Place Imagery ব্যবহার করা হয়। এতে এমন একটি জায়গা কল্পনা করতে বলা হয়, যেখানে আপনি নিরাপদ ও স্বস্তি অনুভব করেন। জায়গাটি বাস্তবও হতে পারে, আবার পুরোপুরি কল্পনারও হতে পারে।
চাওয়ার মতো চাইতে জানলে আল্লাহর রহমত উথলে ওঠে! বাগদাদের এক অন্ধ রুটি বিক্রেতা ছিলেন। তার বানানো রুটিগুলো ছিল যেমন গরম, তেমনি সুস্বাদু। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ তার কাছে রুটি কিনতে আসতো।
উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-কে শাহাদাতের কয়েক দিন পূর্বের ঘটনা। তিনি হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা:) এবং উসমান ইবনু হুনাইফ (রা:)-এর কাছে দাঁড়িয়ে বললেন, 'তোমরা কী করলে? তোমরা কি আশঙ্কা করছ যে, তোমরা ইরাক জমিনের ওপর এমন কর আরোপ করেছ, যা ওই ভূখণ্ডের মানুষের পরিশোধ করার ক্ষমতা নেই? তারা বললেন, 'আমরা এমন পরিমাণ কর আরোপ করেছি, যা ইরাকের মানুষেরা বহন করতে সক্ষম; কারণ এর উৎপাদন অনেক বেশি।'
মিল্লাত ইব্রাহিম এর কিছু ঘটনা শুনুন। পড়ুন, এবং বুঝুন। আল্লাহ যা ঘৃণা করে তা ঘৃণা করতে শিখুন। আলী (রাঃ) কিভাবে আল্লাহর ঘৃণা করা বিষয়কে মোকাবিলা করেছিলেন।
আপনি কাউকে ঠকাতে পারেন না। কেউ সাহায্য চাইলে সহজে না বলতে পারেন না। কারও কষ্টের কথা শুনলে সত্যিই খারাপ লাগে।
এক যুগে অত্যন্ত এক ধনী ব্যবসায়ী ছিল। তার ধন-সম্পদ ও ব্যবসার পরিধি এতই বিশাল ছিল যে, সে নিজেই তার সম্পদের সঠিক হিসাব জানত না।
ঢাকার এক জজ কোর্টের এজলাসে তখন পিনপতন নীরবতা। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আছে এলাকার কুখ্যাত চোর বল্টু। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ—সে গভীর রাতে এক ধনকুবেরের বাড়িতে ঢুকে আলমারি ভেঙে নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও গহনা চুরি করেছে।
২০৫২ সাল। ঢাকার একটি গোপন ভূগর্ভস্থ ল্যাবরেটরিতে বিজ্ঞানী আরিয়ান তার জীবনের সবচেয়ে বড় আবিষ্কারের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। দীর্ঘ বারো বছরের গবেষণার পর তিনি তৈরি...
ডাক্তার বলেছেন এটার নাম স্লিপ প্যারালাইসিস। গ্রামে বলে বোবায় ধরা। নামে কিছু যায় আসে না।শুধু প্রতি রাতে টের পাই, জেগে আছি, অথচ নড়তে পারি না। চারপাশে কী হচ্ছে ...
দাউদ (আ.) যার জন্য লোহা মোমের মতো নরম হয়ে গেল এবং পাহাড়গুলো বাদশাহর সঙ্গে তাসবিহ পাঠ করল!
একটি মোরগের মাথা, ময়ূরের ঘাড়, ষাঁড়ের কুঁজ, সিংহের কোমর, সাপের লেজ, হাতি-বাঘ-হরিণ/ঘোড়ার পা এবং একটি মানুষের হাত—যে অদ্ভুত দিব্যরূপ দেখে অর্জুন প্রথমে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন, সেই রহস্যময় রূপই নবগুঞ্জর।
মানুষকে এতটা অপমান করবেন না,যাতে তার আর সম্মান হারানোর ভয়টুকুও না থাকে।একটি পুরোনো লোককথার মতো গল্প আছে,“এক কান কাটা শিয়াল জঙ্গল দিয়ে ঘোরে, আর দুই কান কাটা শ...
কোস্টারিকার সমুদ্রসৈকতে ইতিহাসে প্রথমবার দেখা গেলো এমন বিরল এক হাঙর, যা রীতিমতো ঝড় তুলেছে সোশ্যাল মিডিয়াতে 😱
ইতিহাসের পাতায় যে ইলন মাস্কের চাইতে ধনী ছিল। কারূনের ধনভাণ্ডার ও মাটিতে ধসে যাওয়া: যখন এক কোটিপতির অহংকার মাটির নিচে চাপা পড়ে গেল।
✨ আপনার সাধের বাড়িটি কি আপনাকে শক্তি দিচ্ছে, নাকি নীরবে আপনার এনার্জি শুষে নিচ্ছে? 🕊️🤍🌿 দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করছেন, অথচ মাসের শেষে হাত শূন্য। পরিবারে অকারণ...
দেহতত্ত্বে সূরা ফাতিহার রহস্য ও ধ্যানের আদি জিকির:সূরা আল-ফাতিহা-কে বলা হয় 'উম্মুল কোরআন' বা কোরআনের জননী।পুরো মহাবিশ্বের রহস্য যেমন লুকিয়ে আছে পবিত্র কোরআনে,...
১. ভুট্টো মিয়া: একজন অতি-চালাক মাছ ব্যবসায়ী (যে ওজনে কম দিতে ও বাড়িয়ে বলতে ওস্তাদ)।২. মতিন সাহেব: একজন কড়া ক্রেতা (যিনি সহজে ঠকার পাত্র নন এবং খিটখিটে স্বভাবের)...
১৮১৬ সাল। কোনো যুদ্ধ বা মহামারীর কারণে নয়, ইন্দোনেশিয়ার একটি আগ্নেয়গিরির ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের প্রভাবে সারা পৃথিবীর তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে কমে যায়। ইতিহাসে এই বছর...
১৭৫৭ সালে মারাঠাদের দিল্লি দখল ভারতের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এবং গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই সময়ে মারাঠা সাম্রাজ্য তাদের ক্ষমতার চূড়ান্ত শিখরে অবস্থান করছি...
পৃথিবীর একেবারে পেটের ভেতরে, ভূত্বক থেকে প্রায় ২,৯০০ কিলোমিটার গভীরে কী ঘটছে, তা সরাসরি দেখা মানুষের পক্ষে অসম্ভব। সেখানে কঠিন ম্যান্টল গিয়ে মিশেছে তরল আউটার-কোরের সঙ্গে। তবে বিজ্ঞানীরা এবার ভূমিকম্পের তরঙ্গকে স্ক্যানার হিসেবে ব্যবহার করে পৃথিবীর সেই অন্ধকার জগতের এক অভূতপূর্ব মানচিত্র তৈরি করেছেন। আর এই কাজে সবচেয়ে বড় ম্যাজিক দেখিয়েছে ডিপ লার্নিং এআই!
নদীর তীরে ছোট্ট একটি গ্রামে রাশিদ নামে এক যুবক বাস করত। তাদের ঘরটি ছিল মাটির তৈরি, ছাদে খড়, উঠানে একটি পুরোনো আমগাছ। সংসারে ছিল শুধু রাশিদ আর তার বৃদ্ধ মা আমেন...
ভদ্রমহিলা ছিলেন উত্তর ভারতের নামি তাওয়ায়েফ। ভারতের নানা প্রান্তের রাজা-নবাবদের দরবারে তাঁর যথেষ্ট নামডাক ছিল। সেই সূত্রেই ১৭৪৬ সালে নবাব আলিবর্দী খানের দুই নাতি ইকরামউদ্দৌলা ও সিরাজউদ্দৌলার বিয়েতে নওয়াজেস মুহাম্মদ খান তাঁকে এবং তাঁর দলকে নাচগানের জন্য নিয়ে এসেছিলেন মুর্শিদাবাদ শহরের মোতিঝিলে। সেই আসরেই নাকি মুন্নি বেগমের প্রতি আকৃষ্ট হন মীরজাফর আলি খান। তখনও তিনি নবাব হননি। কিন্তু মুন্নি বেগমকে তিনি আর ফিরতে দিলেন না, মুর্শিদাবাদেই রেখে নিজের হারেমে তুলে নিলেন।
আসমানের এক নীরব প্রান্তে মালাকুল মউত ও জিব্রাইল আলাইহিস সালামের সাক্ষাৎ হলো—এটি কোনো বর্ণিত হাদিস নয়, বরং শিক্ষামূলক কল্পিত দৃশ্য। জিব্রাইল (আ.) বললেন, “হে মালাকুল মউত, আল্লাহ আপনাকে মানুষের রূহ কবজ করার দায়িত্ব দিয়েছেন—কাজটি কত মহান ও কঠিন!”
অহংকারী বাদশার প্রাসাদ ও এক অসহায় বৃদ্ধার ফরিয়াদ: আল্লাহর ঐশী বিচারের বিস্ময়কর কাহিনী ✨
হে সত্যের পথের যাত্রী, তুমি যদি সত্যি পরম আত্মার সন্ধানী হও তাহলে সঠিক গুরু তালাশ কর । যদি তুমি সূর্য ধারা ইব্রাহিম আ: এর মুল ধর্মতত্ব তালাশ কর ধর্ম পূর্ণ স্থাপন করতে মনস্থির কর তাহলে
এই অপূর্ব শিল্পকর্মে ফুটে উঠেছে শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসের মা কালীর প্রতি অটল ও গভীর ভক্তির এক পবিত্র মুহূর্ত। এখানে ভক্ত ও পরমেশ্বরী মায়ের মধ্যকার চিরন্তন সম্পর্ককে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
_দেহ তত্ত্ব হাওয়ার ঘরে নূরের পাখি কি খেলা খেলায় রে। তত্ত্ব জ্ঞানে চাহিয়া দেখ বসে নিরালায় রে ॥__
🌺 একাদশীর আবির্ভাবের অপূর্ব কাহিনি 🌺এক অসুরের অহংকার এবং ভগবান বিষ্ণুর শরীর থেকে প্রকাশিত দিব্য শক্তি... কীভাবে একাদশীর আবির্ভাব হয়েছিল?অনেক প্রাচীনকালের কথা। ...
মেলা থেকে ছেলে হারিয়ে যাওয়া এবং সেটি নিয়ে তৈরি হওয়া একটি মজার গল্প নিচে দেওয়া হলো:মেলায় বল্টু এবং তার বাবাপহেলা বৈশাখের মেলা। চারদিকে উপচে পড়া ভিড়, রঙ-বেরঙের বেলুন, নাগরদোলা আর জিলিপির সুবাস।
ও’নিল সিলিন্ডারের ভেতরে এক সভ্যতা৷ কল্পনা করুন, মানবজাতি যদি কোনো গ্রহের ওপর নির্ভর না করেই মহাকাশে নিজস্ব কোনো জগৎ গড়ে তুলতে পারত!এর একটি সম্ভাব্য সমাধান হলো ‘...
ইয়া রব, ও না সামঝে হ্যায় না সামঝেংগী মেরী বাত / দে অর দিল উনকো জো না দে মুঝকো জবান অর।বাংলা অর্থ:হে খোদা, সে না বুঝতে পারে আমাকে, না বুঝতে পারবে আমার কথা। তাকে...
আয়নার আড়ালে।একদিন এক মুরিদ তার পীরকে জিজ্ঞেস করল,—হুজুর, মানুষ কি সত্যিই বদলে যায়?পীর মৃদু হেসে বললেন,—মানুষের চেহারা বদলায়, পোশাক বদলায়, কথা বদলায়; কিন্তু অন্ত...
শহরের কোলাহল থেকে দূরে, ছায়াসুনিবিড় এক গ্রামে রিমিদের পুরোনো জমিদার বাড়িটা দাঁড়িয়ে আছে। এককালে এই বাড়ি গমগম করত মানুষের আনাগোনায়, আর আজ সেখানে শুধু সময়ের নীরবতা। পড়াশোনার সূত্রে রিমি দীর্ঘদিন পর এই বাড়িতে এসেছে কয়েকটা দিন একা কাটাতে।
সায়েন্স ফিকশন মানেই যে শুধু মহাকাশ, এলিয়েন আর পৃথিবী বাঁচানোর গল্প হতে হবে, এমন না। 'প্রজেক্ট হেইল মেরি' সেটা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে। Andy Weir-এর উপন্যাস অবলম্...