ভাইরাস -পর্ব ১
আব্বু, আজকে ফেরার সময় আমার জন্য একটা চকোলেট আনবা?” জালাল সাহেব হেসে বলতেন, “চকোলেট একটা না এনে, যদি দুইটা আনি?” মায়া চোখ বড় বড় করে বলত, —“তাহলে তুমি পৃথিবীর সেরা আব্বু!”
আব্বু, আজকে ফেরার সময় আমার জন্য একটা চকোলেট আনবা?” জালাল সাহেব হেসে বলতেন, “চকোলেট একটা না এনে, যদি দুইটা আনি?” মায়া চোখ বড় বড় করে বলত, —“তাহলে তুমি পৃথিবীর সেরা আব্বু!”
শহরের অনেক উঁচুতে দাঁড়িয়ে আছে হ্যাপি প্রিন্সের মূর্তি। সে সূক্ষ্ম সোনার পাত দিয়ে ঢাকা। তার চোখ দুটো দুটি নীলকান্তমণি (স্যাফায়ার)। আর তার তলোয়ারের মাথায় বস...
ঘরের ভেতরে একটা পুরোনো খাট। একটা কাঠের আলমারি। দেওয়ালে ধুলো পড়া একটা আয়না। আর জানালার পাশে একটা ছোট টেবিল। টেবিলের ওপর একটা শুকিয়ে যাওয়া ফুলের মালা। আদিবা দরজার কাছেই দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ সে বলল, —“ওখানে।”
সালমানের বাবা মা সম্পার বাবা মার সাথে কথাও বলে রেখেছে সম্পাকে তারা ঘরের বৌ হিসাবে চেয়ে নিয়েছে।তাদের বিয়েটা কিছু দিন পর করাবে কারন সালমানের চাকুরী হয়েছে মাত্র ১ ...
সালমান আর সম্পার প্রতিদিনের আভ্যাস ছিলো।সালমান অফিস থেকে বের হয়ে সম্পাকে নিয়ে,তার বাসায় পৌছে দিয়ে তারপর সে বাসায় যেত।কারন সম্পার বাসা সালমানের বাসার পরের গলিতে।...
নুসরাতের বুক কেঁপে উঠল।—“কে?” আরিফ বলল, —“লায়লা।” ঠিক তখনই ভেতর থেকে একটা শব্দখস... যেন কেউ দরজার ঠিক ওপাশে দাঁড়িয়ে কাপড় ঘষছে। তারপর খুব আস্তে একটা মেয়েলি গলা—“আরিফ...” নুসরাতের হাত বরফ হয়ে গেল। আরিফ চাবি ঘোরাতে যাচ্ছিল। নুসরাত সর্বশক্তি দিয়ে তার হাত টেনে ধরল। —“না!” হঠাৎ দরজার ওপাশ থেকে জোরে ধাক্কা এল। ধাম! দুজনেই পিছিয়ে গেল। আবার— ধাম!
নুসরাত তখনও ব্যাপারটা গুরুত্ব দেয়নি। শিশুর কল্পনা। এটাই ভেবেছিল। সেদিন রাত সাড়ে বারোটার দিকে প্রথম শব্দটা হলো। ঠক। নুসরাত ঘুম থেকে উঠে বসে পড়ল। আরিফ তখনও ঘুমাচ্ছে। আবার শব্দ হলো। ঠক... ঠক...
সালমান হাসান একটি বেসরকারী কোম্পানীতে চাকরী করে।মাসে বেতন মুটামুটি ভালোই পায়।
ধল সুনামগঞ্জের দিরাই থানার অন্তর্গত একটি শান্ত ও সুন্দর গ্রাম, যা সুবিশাল হাওর দ্বারা পরিবেষ্টিত। বর্ষাকালে হাওরগুলো পানিতে ভরে গেলে গ্রামটি যেন বিশাল জলরাশির মাঝে একটি ছোট সবুজ দ্বীপে পরিণত হয়। তখন নৌকা হয়ে ওঠে প্রধান যাতায়াতের মাধ্যম, আর চারপাশের জলরাশি গ্রামে এক শান্ত ও মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করে।