মিল্লাত ইব্রাহিম এর কিছু ঘটনা শুনুন। পড়ুন, এবং বুঝুন। আল্লাহ যা ঘৃণা করে তা ঘৃণা করতে শিখুন। আলী (রাঃ) কিভাবে আল্লাহর ঘৃণা করা বিষয়কে মোকাবিলা করেছিলেন।
*
কাবা ঘরের ভিতরে এবং আশেপাশে প্রচুর মূর্তি। নবী সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম সেই মূর্তিগুলো ভাঙছেন। চূর্ণবিচূর্ণ করে দিচ্ছেন। ঘৃণা নিয়ে, রাগ নিয়ে, ক্ষোভ নিয়ে প্রতিটা মূর্তি হাতে তুলে তুলে ভাঙছেন। তরবারি দিয়ে আঘাত করে ভাঙছেন।
কিন্তু উচু জায়গার মূর্তিগুলো ভাঙার জন্য আলী (রাঃ) কে ডাকলেন। তাকে নিজের কাধে উঠতে বললেন। আলী (রাঃ) নবীজির কাধ উঠে উচু জায়গায় বসানো প্রতিটা মূর্তি তরবারি দিয়ে টুকরো টুকরো করে দিলেন।
৯ হিজরীর ঘটনা। নবীজি (সাঃ) ১৫০ সাহাবীর একটা দলকে আলী (রাঃ) নেতৃত্বে পাঠালেন বনু তাঈ গোত্রে।
সেখানে পূজা করা হতো 'আল ফুলস' নামক এক মূর্তির। নবীজি আলী (রাঃ) এবং সাহাবী দলদের নির্দেশ দিয়েছিলেন এই আল ফুলস মূর্তি এবং এর মন্দির ধ্বংস করে দিতে হবে। ধ্বসিয়ে দিতে হবে।
প্রথমতো তারা ছিলেন সাহাবী, তাদের ঈমানের জোর ছিল অকল্পনীয়। শিরককে তারা এত ঘৃণা করতেন যা মাপা সম্ভব না।
নবীজির নির্দেশ পেয়ে সাহাবীদের নিয়ে আলী (রাঃ) গেলেন বনু তাঈ গোত্রে। আল ফুলস মূর্তিকে যেন গুড়োগুরো করে বাতাসে উড়িয়ে দেওয়া হলো। শুধু তাই না। সেই গোত্রে শিরক এবং মূর্তির নাম নিশানা মুছে দেওয়া হয়েছিল।
যাদেরকে আল্লাহর পরিবর্তে ডাকা হতো। যেসব মূর্তি একটা মাছিও তাড়াতে পারে না। ঠিক এভাবেই ধ্বংস করা হতো সে সমস্ত মাটি, পাথর, কাঠের মূর্তিদের।
*
আল্লাহ আমাদেরকে সেসব কিছুকে ঘৃণা করার তাওফিক দেক যেসব কিছুকে আল্লাহ ঘৃণা করেন...
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!