"টেলিপ্যাথি"এক মন থেকে অন্য মনে
বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যা। জানালার পাশে বসে বই পড়ছিল রাফি। হঠাৎ তার মনে হলো, কেউ যেন তাকে ডাকছে।
বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যা। জানালার পাশে বসে বই পড়ছিল রাফি। হঠাৎ তার মনে হলো, কেউ যেন তাকে ডাকছে।
বিকেলের আকাশে তখন মেঘ জমেছে। জানালার পাশে বসে পুরোনো হারমোনিয়ামটার দিকে তাকিয়ে ছিল অয়ন। হারমোনিয়ামটির গায়ে ধুলোর আস্তরণ, কয়েকটি চাবি ভেঙে গেছে, আর বেলোতে জমেছে সময়ের পুরোনো গন্ধ। অথচ একসময় এই হারমোনিয়ামের সুরেই মুখর হয়ে উঠত পুরো বাড়ি।
রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। বাইরে টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়ছে। জানালার পাশে বসে রায়হান একদৃষ্টিতে অন্ধকার রাস্তার দিকে তাকিয়ে ছিল।
শেষ চিতা পরদিন সকাল। শরিফ, টিটু আর রুমি তিনজনই সিদ্ধান্ত নিল, তারা আর কখনো শ্মশানঘাটে যাবে না। কিন্তু দুপুরের দিকে শরিফের বাড়ির সামনে একজন অচেনা বৃদ্ধ এসে দাঁড়াল। বৃদ্ধ বলল, —তোমাদের সঙ্গে একটু কথা আছে। শরিফ বাইরে এসে দাঁড়াল।
যে নামটি লেখা ছিল পাথরেশরিফ টর্চের আলো কবরটির দিকে ফেলল।কবরটি মাটির ওপর অর্ধেক ভাঙা। কোনো নাম লেখা নেই। শুধু একটি পাথর পড়ে আছে।কিন্তু টর্চের আলো পড়তেই পাথরের ...
শ্মশানঘাটের শেষ চিতাএকটি লোমহর্ষক ভৌতিক গল্পচরিত্র: শরিফ, টিটু ও রুমি যে রাতে সবকিছু শুরু হয়েছিল শীতের রাত। চারপাশে ঘন কুয়াশা। গ্রামের শেষ প্রান্তে নদীর ধারে একটি পুরোনো শ্মশানঘাট। দিনের বেলাতেও সেখানে মানুষ খুব একটা যায় না। আর রাত হলে তো কথাই নেই। লোকমুখে শোনা যায়, বহু বছর আগে ওই শ্মশানঘাটে এক নববধূর দেহ পোড়ানো হয়েছিল। কিন্তু চিতা নিভে যাওয়ার পর তার দেহের কিছুই পাওয়া যায়নি। শুধু পড়ে ছিল একটি লাল শাড়ির আঁচল আর একজোড়া রুপোর নূপুর।
রাত তখন দুইটা সতেরো। ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া শেষ রাতের ট্রেনটা কুয়াশা কেটে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে অজানা গন্তব্যের দিকে। ট্রেনের কামরায় যাত্রী খুব কম। জানালার বাইরে শুধু অন্ধকার—মাঝে মাঝে দূরের কোনো গ্রামের দু-একটি আলো চোখে পড়ে আবার মিলিয়ে যায়।
বাতাসে লাশের গন্ধরেললাইনের পাশের ছোট দোকানের পিছনের গল্পরাত তখন সাড়ে এগারোটা। শীতের কুয়াশায় ঢেকে গেছে পুরো রেললাইন। দূরে কোথাও ট্রেনের হুইসেল শোনা যাচ্ছে। রে...
রাত তখন সাড়ে এগারোটা। শীতের কুয়াশায় ঢেকে গেছে পুরো রেললাইন। দূরে কোথাও ট্রেনের হুইসেল শোনা যাচ্ছে। রেললাইনের পাশে ছোট্ট একটি চায়ের দোকান। দোকানের সামনে কাঠে...
শহর থেকে অনেক দূরে, নদীর ধারে একটি ছোট্ট গ্রাম। গ্রামের শেষ প্রান্তে ছিল পুরোনো এক কবরস্থান। দিনের বেলায় জায়গাটি শান্ত, কিন্তু রাত নামলেই সেখানে কেমন যেন অদ্ভুত নীরবতা নেমে আসত। সেই গ্রামেই থাকত নীহার। আর তার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ ছিল মেহরিন। মেহরিনের হাসি ছিল নীহারের পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শব্দ। দুজনের ভালোবাসা ছিল
রাত তখন প্রায় বারোটা। শহর থেকে অনেক দূরে, নদীর ধারে একটি পরিত্যক্ত বাড়ি—স্থানীয় মানুষের কাছে যার নাম ‘লাশকাটাঘর’। কেউ জানত না বাড়িটির আসল ইতিহাস। শুধু শোনা যেত, বহু বছর আগে সেখানে এক জমিদার পরিবারের শেষ সদস্য মারা যাওয়ার পর বাড়িটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপর থেকে মাঝরাতে ওই বাড়ির জানালায় আলো জ্বলত, আর ভেতর থেকে ভেসে আসত কারও কান্না।
একদিন চার বন্ধু—সুজন, মিলন, সায়েম আর শরফু—ঠিক করল, শহরের কোলাহল থেকে দূরে একটি নির্জন বনে রাত কাটাবে। বনটি ছিল অনেক পুরোনো। স্থানীয়রা বলত, সেখানে রাত হলে গাছের ...
বিকেল পাঁচটার সেই চায়ের দোকানটায় অদ্ভুত একটা নিয়ম ছিল। সেখানে কোনো কাপের হাতল ছিল না, আর মাটির ভাঁড় বা কাঁচের গ্লাসও ব্যবহার করা হতো না। চায়ের দোকানদার, যাকে সবাই 'রহমত চাচা' বলে ডাকত, তার কাছে ছিল শত শত ভিন্ন ডিজাইনের চিনা মাটির কাপ। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, সেই কাপগুলোতে কোনো মানুষের নাম বা নম্বর লেখা থাকত না, কিন্তু সেখানে প্রতিটা কাপের গায়ে আঁকা থাকত কোনো না কোনো মানুষের জীবনের বিশেষ কোনো মুহূর্তের ছবি।
শহরের ব্যস্ততম গলির একদম শেষ প্রান্তে, যেখানে ল্যাম্পপোস্টের আলোটাও পৌঁছাতে ভয় পায়, সেখানে ছিল সমির হোসেনের চায়ের দোকান। দোকানটার কোনো সাইনবোর্ড ছিল না। চারপাশের ভাঙা দেয়াল আর লতাপাতায় ঢাকা ছোট্ট একটা কাঠের দরজা দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে ভেতরে এক অদ্ভুত দুনিয়া লুকিয়ে আছে। তবে যারা জীবনের সব আশা হারিয়ে ফেলত, কোনো এক অজানা টানে তারা ঠিকই খুঁজে পেয়ে যেত এই ‘গুপ্ত চায়ের দোকান’।
স্বপন দীর্ঘ দশ বছর পর আজ আবার নিজের গ্রামের বাড়িতে ফিরেছে। শহরের যান্ত্রিক কোলাহল, অফিসের ফাইলপত্র আর গ্লানি তাকে সম্পূর্ণ ক্লান্ত করে দিয়েছিল। চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর মনে হচ্ছিল তার জীবনের সব অধ্যায় বুঝি এখানেই শেষ। কিন্তু ট্রেন থেকে নেমে যখন সে গ্রামের মেঠোপথে পা রাখল, বাতাসে সোঁদা মাটির গন্ধ যেন তাকে নতুন কোনো বার্তা দিল।
ঝড়-বৃষ্টির সেই মায়াবী রাতের পর নীলগিরি রোড স্টেশনের চায়ের দোকানটা আর শুধু একটা দোকান রইল না; ওটা হয়ে উঠল অভীক আর মায়াবতীর নিজস্ব এক ভালোবাসার পৃথিবী। দিনগুলো যেন রূপকথার মতো কাটছিল।
শহরের কোলাহল থেকে দূরে, পাহাড়ের কোল ঘেঁষা এক ছোট্ট রেলস্টেশন 'নীলগিরি রোড'। সেখানে ট্রেনের আনাগোনা কম, কিন্তু প্রকৃতির মায়া অসীম। সেই স্টেশনের এক কোণে ছোট একটা ...
হাসপাতালের আইসিইউর (ICU) বাইরে করিডোরের নিয়ন আলোটা ক্ষণে ক্ষণে কেঁপে উঠছে। সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে সেখানে বসে আছে অরণ্য। তার দুহাতে মুখ ঢাকা, আঙুলের ফাঁক দিয়ে নোনা ...
এক গ্রামে কলিমুদ্দিন আর সলিমুদ্দিন নামে দুই বন্ধু বাস করত। তারা দুজনেই ছিল চরম অলস এবং বোকা, কিন্তু নিজেদের ভাবত গ্রামের সবচেয়ে বুদ্ধিমান মানুষ।
ক্যান্টন ফেয়ারে অংশ নিতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নিয়েছে চীন। আসন্ন ১৪০তম চীন আমদানি ও রপ্তানি মেলায় বাংলাদেশি আবেদনকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ
শিক্ষক: বল্টু, তুমি তো দেখছি দিন দিন পড়াশোনায় একদমই পিছিয়ে যাচ্ছো, কিছুই পারো না! তোমাকে একটা বুদ্ধি দিই—শোনো, আজ থেকে কেউ কোনো প্রশ্ন করলে কখনো বলবে না যে "...
অনিন্দ্য তখন কলেজের থার্ড ইয়ারে পড়ে। শহরের কোলাহল থেকে দূরে, এক প্রত্যন্ত গ্রামে বন্ধুর বোনের বিয়েতে গিয়েছিল সে। বিয়েবাড়ি থেকে যখন সে ফিরতি পথ ধরল, তখন ঘড়িতে রা...
পুথির পাতায় বিদ্যা থাকে, নিয়ম কানুন চেনা, কিন্তু আসল বুদ্ধিমত্তা যায় না কোথাও কেনা।তর্কে যেজন মেতে থাকে অহংকারে অন্ধ, বুদ্ধিমানের নীরবতায় কাটে মনের দ্বন্দ্ব।সংক...
এক গ্রামে চার বন্ধু বাস করত। তাদের মধ্যে তিনজন ছিল প্রচণ্ড শিক্ষিত ও শাস্ত্রজ্ঞানী, কিন্তু তাদের কোনো ব্যবহারিক বুদ্ধি ছিল না। আর চতুর্থ বন্ধুটি খুব বেশি পড়াশোনা না করলেও ছিল প্রচণ্ডবুদ্ধিমান এবং চতুর।
বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কিত কিছু অনুপ্রেরণামূলক উক্তি ও চিন্তা