জীবনের উৎপত্তি
কখনও কি ভেবে দেখেছেন—এই যে আমরা বেঁচে আছি, হাসছি, কাঁদছি, প্রশ্ন করছি, মহাবিশ্বকে বোঝার চেষ্টা করছি, এমনকি ফেসবুক স্ক্রোল করছি—এসবের কি মহাবিশ্বের কাছে আদৌ কোনো “প্রয়োজন” ছিল?
কখনও কি ভেবে দেখেছেন—এই যে আমরা বেঁচে আছি, হাসছি, কাঁদছি, প্রশ্ন করছি, মহাবিশ্বকে বোঝার চেষ্টা করছি, এমনকি ফেসবুক স্ক্রোল করছি—এসবের কি মহাবিশ্বের কাছে আদৌ কোনো “প্রয়োজন” ছিল?
কিছু মানুষের সঙ্গে প্রথম দেখাতেই কথা জমে যায়। কোনো বিশেষ কারণ খুঁজে পান না—তবু মনে হয়, “এই মানুষটার সঙ্গে কথা বলতে অস্বস্তি হচ্ছে না।”
এক বিশাল যাত্রীবাহী জাহাজ দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা শেষে রসদ সংগ্রহের জন্য একটি অচেনা দ্বীপে নোঙর করল। দ্বীপটি দূর থেকে দেখতে অবিশ্বাস্য রকমের সুন্দর লাগছিল।
রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। আকাশের অবস্থা বিকেল থেকেই খারাপ ছিল। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসটা আরও ভারী হয়ে উঠেছিল। মাঝে মাঝে দূরে কোথাও মেঘ গর্জে উঠছিল, তারপর কয়েক সেকেন্ডের জন্য চারপাশ একেবারে নিস্তব্ধ। তারপর— ঝলক! আকাশের বুক চিরে বিদ্যুৎ চমকে উঠছিল। সেই আলোয় গ্রামের কাঁচা রাস্তা, বাঁশঝাড় আর দূরের গাছগুলোকে কয়েক মুহূর্তের জন্য দেখা যাচ্ছিল। তারপর আবার অন্ধকার। বৃষ্টি খুব বেশি ছিল না। ঝিরিঝিরি করে পড়ছিল। কিন্তু সেই বৃষ্টির সঙ্গে বাতাসের শব্দটা এমন ছিল যে, মনে হচ্ছিল কেউ যেন অন্ধকারের ভেতর দাঁড়িয়ে ফিসফিস করে কথা বলছে। মাহিন, টফি, হিমেল, আরাফাত, ফারুক আর মান্নান—ছয় বন্ধু।
আল্লাহর আরশ হলো লাল ইয়াকুত দিয়ে তৈরি রাজসিংহাসন। যা আটজন ফেরেশতার পিঠের উপর। তারা সর্বদা তাসবী পাঠরত।
যে মানুষ নিজেই নিজের অন্ধকার থেকে বের হতে চায় না, তাকে জোর করে টেনে তোলার চেষ্টা মানে নিজেকেই সেই অন্ধকারে ডুবিয়ে দেওয়া। অন্যকে উদ্ধার করতে গিয়ে নিজের অস্তিত্ব ...
বড় অর্জনের আগের ঠিক মুহূর্তটাই সবচেয়ে বেশি কঠিন হয়। অধিকাংশ মানুষ ক্লান্ত হয়ে সেখানেই থমকে দাঁড়ায়, অথচ বিজয়ী তারা-ই যারা আরেকটা শেষ চেষ্টা করার সাহস দেখায়! 💎🔥
🌿আশেপাশে আশেপাশে ঘুরতে ঘুরতে, এইবার "আশেপাশে " তেই চলে আসলাম।। লেখালেখির জন্য পারফেক্ট একটা সাইট।। Rich Text Editor সব রকমের ইমোজি আছে, আছে ভালো লাগার মতো বিভিন্ন ক্যাটাগরি।। এই সাইট টার নাম টা অনেক সুন্দর অর্থবহ, তার পাশাপাশি সাইটের লুক্স টাও অসাধারণ হয়েছে।। এই "আশেপাশে" সাইট টা অনেক ব্লগ সাইট এর থেকে আলাদা।। আলাদা যে কেনো,তা আপনাদের না বললে পুরোপুরি বুঝব্রন না।। আমার দেখা, আপনাদের ও জানা আছে অনেক বল্গ সাইট যা অনেক বছর ধরে চলছে, নাম বলছি না।। সে গুলোর প্রতিটার ক্যাটাগরিতে রাজনৈতিক আছে, যা এই সাইট কে আলাদা করেছে।। যার নাই কোনো নীতি, তা নিয়ে আলোচনা, লেখালেখির কোনো মানেই নেই।। মাঝখানে অযথা নিজেদ
আমাদের দেশের বাড়ির পিছনে একটা পুকুর ছিল, নাম শাঁখপুকুর। শাঁখের মতো বাঁকা বলে নয়। শাঁখা পরা একজন থাকতেন বলে।
সুলাইমান আলাইহিস সালাম বাতাস, জিন ও পাখি: মহাবিশ্বের সেই একমাত্র সুপারপাওয়ার, যার হেডকোয়ার্টার বাতাসের ওপর ভেসে চলত! আপনি কি এমন কোনো বিশ্বশাসকের কথা কল্পনা ক...
মেঝেতে এক বাটি মিষ্টি মধু রাখা ছিল। একটি মাছি উড়ে এসে বাটির কিনারায় বসল। একটুখানি মধু মুখে দিতেই তার দারুণ মিষ্টি লাগল।
😂 শিক্ষক–ছাত্রশিক্ষক: বল তো, পৃথিবী গোল কেন?ছাত্র: স্যার, চার কোণা হলে তো মানুষ কোণায় গিয়ে লুকিয়ে থাকত! 😂শিক্ষক: পরীক্ষায় এত কম নম্বর কেন পেয়েছ?ছাত্র: স্যার, প্...
বউয়ের প্রশ্ন বউ: আমি মোটা হয়ে গেছি? স্বামী: না। বউ: সত্যি? স্বামী: হ্যাঁ। বউ: তাহলে আমার জামাটা টাইট লাগছে কেন? স্বামী: জামাটা ছোট হয়ে গেছে। বউ: কীভাবে? স্বামী...
একজন ভারতীয় পদার্থবিদের গবেষণা দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং আলোর কোয়ান্টাম প্রকৃতি বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছিল। অথচ নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসে তাঁর নাম থেকে গেল এক অদ্ভুত অনুপস্থিতি।
অনন্ত নক্ষত্ররাজি আর ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন গ্যালাক্সিতে ঘেরা এই মহাবিশ্বে আমরা কি আসলেই সম্পূর্ণ একা? আজ থেকে প্রায় সাড়ে তেরোশ কোটি বছর আগে এক মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং-এর মাধ্যমে আমাদের এই মহাবিশ্বের জন্ম হয়েছিল। আর আমাদের এই চেনা পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ ঘটেছে মাত্র কয়েকশো কোটি বছর আগে।
একটি ইলেকট্রন কোথায় আছে, আর ঠিক কত দ্রুত চলছে, এই দুই তথ্যই যদি একই সঙ্গে নিখুঁতভাবে জানা না যায়, তার কারণ কোনো যন্ত্রের সীমাবদ্ধতা নয়। প্রকৃতির নিয়মই ক্ষুদ্র কণার জগতে এমন। একটি কণার অবস্থান যত নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করা যায়, তার গতিবেগ সম্পর্কে অনিশ্চয়তা তত বাড়ে। আবার গতিবেগকে যত নিখুঁতভাবে জানা যায়, অবস্থান ততটাই অনির্দিষ্ট হয়ে ওঠে।
বর্তমানে ঢাকার পানির চাহিদা প্রায় ৩১৩ কোটি লিটার/দিন, আর WASA উৎপাদন করছে প্রায় ৩০০ কোটি লিটার/দিন। অর্থাৎ হিসাব অনুযায়ী এখনই প্রায় ১৩ কোটি লিটারের ঘাটতি রয়েছে। ২০৩০ সালে চাহিদা প্রায় ৩৩০ কোটি এবং ২০৫০ সালে ৫৫০ কোটি লিটার/দিনে পৌঁছাতে পারে। সবচেয়ে বড় বিপদ হলো—ঢাকার পানির বড় অংশ এখনো ভূগর্ভস্থ পানি থেকে আসে। প্রায় ৭৭% পানি ১,৩৮৮টি গভীর নলকূপের মাধ্যমে উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বছরে আনুমানিক ২–৩ মিটার করে নেমে যাচ্ছে।