১. তীব্র যানজট (Traffic Jam)
প্রধান স্পটসমূহ: টঙ্গী স্টেশন রোড, চেরাগালী, বোর্ডবাজার, ভোগড়া চৌরাস্তা এবং জয়দেবপুর রেল ক্রসিং এলাকায় প্রতিদিন দীর্ঘ যানজট লেগে থাকে।
কারণ: এই রুটে ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বা রাস্তা অবরোধের কারণেও পুরো গাজীপুর পর্যন্ত যানজট স্থবির হয়ে পড়ে।
২. বিআরটি (BRT) প্রকল্পের ধীরগতি ও অব্যবস্থাপনা
প্রকল্পের প্রভাব: ঢাকা-গাজীপুর বাস র্যাপিড ট্রানজিট (BRT) প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদী নির্মাণকাজের কারণে বছরের পর বছর সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
ডাইভারশন ও ওয়ান-ওয়ে রোড ফ্লাইওভার ও রাস্তার বিভিন্ন অংশে হুট করে ওয়ান-ওয়ে (একমুখী) করে দেওয়ার ফলে একদিকের গাড়ি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ বা ধীর হয়ে যায়, যা যানজটকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
৩. অবৈধ অটোরিকশার দাপট
নিষেধাজ্ঞা অমান্য: মহাসড়কে চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও অবাধে নিষিদ্ধ ইজিবাইক ও অটোরিকশা চলছে।
দুর্ঘটনা: এই ধীরগতির যানগুলো দূরপাল্লার বাস ও দ্রুতগামী ট্রাকের চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় এবং প্রায়শই ছোট-বড় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটছে।
৪. সড়ক ধস ও নিম্নমানের কাজ (Road Collapse)
অবকাঠামোগত ত্রুটি: গাজীপুরের কিছু সংযোগ সড়ক ও মূল রাস্তার অংশে উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে।
দুর্নীতি ও নিম্নমানের সামগ্রী: স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং তাড়াহুড়ো করে কাজ শেষ করার কারণে কোটি টাকার সড়ক ধসে গিয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
৫. আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সমস্যা
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড: গাজীপুর সিটি ও মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি, এবং মাদক চোরাচালানের মতো ঘটনা যাত্রী ও চালকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!