হলিক্রস কলেজের প্যাকনা দেখলে পটকা মাছের মত পেট ফুইল্লা যায়!
এই কলেজে বিবাহিত কোন মেয়ে ভর্তি হতে পারে না।কলেজে পড়া অবস্থায় কোন মেয়ে বিয়ে করতে পারে না।
এই দুটোর একটি প্রকাশ্যে এলেই সংশ্লিষ্ট ছাত্রীকে টিসি বা বহিষ্কার করা হয়।
হলি ক্রুশ মানে পবিত্র ক্রুশ।এই পবিত্র ক্রুশেই এখন ক্রুশবিদ্ধ রাজধানীর হলিক্রস কলেজ।
কলেজের বিজনেস স্টাডিজ বিভাগের একজন সহকারী অধ্যাপক অনিমেষ সাহা।
এই লুইচ্চা শিক্ষক এক ছাত্রীর সঙ্গে অবৈধ প্রণয়ে জড়িয়ে ছাত্রীকে প্রেগন্যান্ট করে ফেলেছে।
ছাত্রীটি তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে-
অনিমেষ সাহা বিয়ে করতে অস্বীকার করে এবং ছাত্রীকে গর্ভপাতে বাধ্য করে।
স্বাভাবিক ভাবেই মেয়েটি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে!টিন এজ এসব বালক বালিকার সর্বশেষ অস্ত্র হল সোশ্যাল মিডিয়া বা ফেসবুক।
মেয়েটি তার প্রতি শিক্ষকের এই লাম্পট্যের বিরুদ্ধে সম্মানজনক প্রতিকার না পেয়ে ফেসবুকে সব ফাঁস করে দেয়।
একে একে প্রাক্তন ছাত্রীরাও তার নামে সেই পোস্টে রিয়েক্ট কমেন্ট করতে থাকে।ঘটনাটা এত দ্রুত ছড়ায় যে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।
কলেজ কর্তৃপক্ষ চাপে পড়ে লোক দেখানো একটি ব্যবস্থা নেয়।এত বড় একটি অপরাধে তাকে লঘুদণ্ড দেওয়া হয়!
অনিমেষ নামক মেষ শাবককে মাত্র এক মাসের জন্য সমস্ত একাডেমিক কার্যক্রম থেকে সাসপেন্ড করা হয়।
ছি-ছি-ছি-ছি!
প্রসঙ্গত হলিক্রস স্কুল এন্ড কলেজ,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রচলিত দেশের অনেক আইন কানুনেরই তোয়াক্কা করে না বলে অভিযোগ রয়েছে।তারা তাদের নিজস্ব ত্বরীকায় চলতে অভ্যস্ত!
যেই কলেজ ধর্ম ও ধর্মীয় চিহ্নের নামে প্রতিষ্ঠিত,ধর্মীয় মূল্যবোধ যেই কলেজের আদর্শ।সেই কলেজের এ হেন দ্বিমুখী আচরণে দেশবাসী ক্ষুব্ধ হতভম্ব।
সময় এসেছে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্বচ্ছ ও পূর্ণ তদন্তপুর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করার।দেশবাসীর অনুভুতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের স্পর্ধা দেখাবেন না প্লিজ!
কলেজ কর্তৃপক্ষ যদি অনিমেষ সাহার বিরুদ্ধে তদন্তে অনাগ্রহী হয় তবে এই 'হলি'কে বয়কট করা উচিত।ছাত্রীদের ক্লাশ বর্জন করে রাস্তায় নেমে আসা জরুরী।
প্রয়োজনে অভিভাবকদের আইনের পথে হাঁটা উচিত!মনে রাখবেন জ্বলে উঠার জন্য একটি অগ্নিস্ফুলিঙ্গই যথেষ্ট।
অভিযুক্ত শিক্ষকের ছাত্রীদের সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার কিছু ত্বরিকা ছিল।পরীক্ষায় নম্বর বেশি দেওয়ার প্রলোভন।
ভালো রেজাল্টের নিশ্চয়তা ইত্যাকার আরো কিছু প্রলোভন দেখিয়ে নিজের কোচিং এ ছাত্রীদেরকে ডেকে নিত অনিমেষ সাহা।তারপর ঝোপ বুঝে টোপ ফেলত।
গত কয়েকটা মাস ধরে ক্রমাগত মাদ্রাসায় ছেলে শিশু বলাৎকার,নাবালিকা মেয়ে শিশু ধর্ষণ এবং আরো অনেক নাখাস্তা অভিযোগ শুনতে শুনতে ক্লান্ত!
লিখতে লিখতে হাতে কড়া পড়ে গেছে।মাদ্রাসা পন্থীরা আমার লেখায় ক্রমাগত আজেবাজে মন্তব্য করেছে।
অভিযোগ করেছে এই সমস্ত কাজ স্কুল কলেজ ভার্সিটিতে হলে আমি নাকি নিশ্চুপ থাকব-হাহাহা!
ডেডাইয়া অনিমেষ সাহা!তুই শিক্ষক নামের কলঙ্ক!তুই আমাদের মাথা হেট করে দিলি।
হলিক্রস ব্যতীত অন্যত্র এই ঘটনা ঘটলে এতক্ষনে তোর মাথা ন্যাড়া করে ঘোল ঢেলে দিত বিক্ষুব্ধ অভিভাবকরা।
তখন হয়ত বাঙ্গু সুশীলরা হায় হায়রে!'মব' হচ্ছে রে সংখ্যালঘু নির্যাতন হচ্ছে রে কলরবে বুক চাপড়াতে থাকত-বাট হু কেয়ার্স?
গোটা দেশের কাছে,বিশেষত একশ্রেণীর মাদ্রাসা পন্থীদের কাছে অনিমেষ;তুই আমাদের মান সম্মান ধুলায় মিশিয়ে দিলি।
এবার ভিকটিম ছাত্রীটিকে বলি-মা জননী!দুনিয়া এত সহজ নয় রে মা!
তোর সম্মতি ছাড়া অনিমেষের বাপের ক্ষমতা ছিল তোর সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে?
তুই তোর মেধার উপর ভরসা করতে পারলি না?সংকল্পে স্থির না থেকে সংশয়ে টলে গেলি?
মা রে!তুই হয় ভালো রেজাল্টের লোভ করেছিস নয়তো অনিমেষের রূপে মজেছিস!
হয়তবা অনিমেষের দেয়া কোন মূল্যবান গিফট;সেটি মোবাইল সেট হতে পারে,
সোনার আংটি হতে পারে-পেয়ে তোর জ্ঞান বুদ্ধি লোপ পেয়েছিল!তোর চোখে তখন অদ্ভুত এক ঘোরলাগা স্বপ্ন ছিল হয়ত;সবই আমার অনুমান।
হলিক্রসে যারা পড়ে তারা তো মোটামুটি সচ্ছল পরিবারের মেয়ে রে মা।তুই এমন ফকিন্নি স্বভাবের হলি কেন?
ইন্টারমিডিয়েট লেভেলেই তুই শুয়ে পড়লি?বাকি জিন্দেগি তো পড়েই রইল!
তুই তো চাকরি ক্ষেত্রেও এমনই করবি।প্রমোশনের জন্য শুয়ে পড়বি,পোস্টিং এর জন্য শুয়ে পড়বি,ভাল টেবিলের জন্য শুয়ে পড়বি!
তোর জন্য আমার মায়া হয়,কষ্ট হয়!তোর ভিতরে তোর পারিবারিক শিক্ষার বালাই বলতে নেই।
তোর এই দুর্দশা তোর বাবা মার অদূরদর্শিতার ফল।এই সমস্ত বাবা মাদের বলি-আপনারা সন্তান জন্ম দেওয়ার আগে,সন্তানকে কিভাবে বড় করতে হয়,
কিভাবে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় শিখুন-তারপর বিয়ে করুন;সন্তান জন্ম দিন।
বেওয়ারিশ কুকুরের মত বিয়ের পরেই গন্ডায় গন্ডায় বাচ্চা পয়দা দিয়েন না!
কোয়ান্টেটির চাইতে কোয়ালিটি উত্তম স্মরনে রাখুন!
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!