অপরের চেহারা দেখার মাঝে কোনো মহৎকর্ম নেই, মহৎকর্ম হলো সেখানে, যেখানে অপরের চেহারায় নিজেকে দেখতে পাবে৷
এ কথাটি তোমার কাছে একটু বেমানান লেগেছে তাইনা? শোনো, আমি কেন বলেছি "অপরের চেহারা দেখার মাঝে কোনো মহৎকর্ম নেই"!!
এর কারণ হলো তুমি যাকে দেখে যাচ্ছো সে কেবল মাত্র সে-ই। কখনো তো এমন ঘটবেনা যে, তুমি কোনো ব্যাক্তিকে দেখা মাত্র'ই তার রূপ স্বভাব পরিবর্তন হয়ে যাবে৷আবার এমনও ঘটবেনা যে,তুমি কোনো ব্যাক্তিকে দেখা মাত্র'ই সেই নাম চেহারার মালিক তুমি হয়ে যাবে।
আবেগের বশে বলে দিতে'ই পারো কোনো বিশেষ ব্যাক্তিকে দেখা মাত্র'ই তোমার অনেক বেশি শূণ্য
হচ্ছে, আসলে এমন প্রতিটি ভাবনা'ই মেকি।
সত্যটি হলো সে তার স্থানে'ই রয়েছে
আর তুমি তোমার স্থানে।
আমি কেন বলেছি "মহৎকর্ম হলো সেখানে,
যেখানে অপরের চেহারায় নিজেকে দেখতে পাবে"
শোনো, অপরের চেহারায় নিজেকে দেখতে পাওয়ার চেয়ে মহৎকর্ম আর কোনো কিছু নেই।
তুমি যদি একটি জঘন্য ব্যাক্তির সামনে দাঁড়িয়ে তার কর্মকাণ্ড দেখে হতাশ হয়ে যাও এবং তার মাঝে'ই যদি নিজের কিছু স্বভাবের মিল দেখতে পাও, তবে তুমি ঐ স্বভাব থেকে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হবে'ই হবে, কারণ তুমি যাকে দেখেছিলে সে ছিলো সর্বোচ্চ পাপী ব্যাক্তি যা তোমাকে'ই হতাশ করেছিলো।
এবার তুমি যদি একটি পরিশুদ্ধ ব্যাক্তির সামনে
গিয়ে তার চেহারায় নিজের স্বভাবের কোনো একটা মিল দেখতে না পাও, তখন খুব সহজে'ই বুঝে নিতে পারবে তুমি কেন এখনো মহান হতে পারোনি!
এরপরে'ই মার্ক করে-করে তোমার পিছিয়ে থাকার কারণ গুলো খুঁজে নিজেকে সেই ভাবে গড়ে নিতে চাইবে এবং এতে তুমি সফল হবে'ই হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই৷
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!