১৯৭৩ সালের অস্কারজয়ী ক্লাসিক অতিপ্রাকৃত হরর সিনেমা 'দ্য এক্সরসিস্ট' (The Exorcist উইলিয়াম পিটার ব্লাটির লেখা ১৯৭১ সালের একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এবং পরিচালনা করেছেন উইলিয়াম ফ্রিডকিন।)
কাহিনীর সারসংক্ষেপ
পটভূমি: ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে চলচিত্রের শুটিং করতে আসা বিখ্যাত অভিনেত্রী ক্রিস ম্যাকনিল এবং তার ১২ বছর বয়সী মেয়ে রেগান ম্যাকনিলকে নিয়ে কাহিনীর শুরু। মা ও মেয়ের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত মধুর।
অস্বাভাবিক আচরণ: কিছুদিন পর রেগানের আচরণে অদ্ভুত ও ভয়ংকর পরিবর্তন দেখা দেয়। সে ঘরের মধ্যে অস্বাভাবিক শব্দ করা, শরীর শূন্যে ভাসিয়ে রাখা (levitating) এবং অচেনা ভাষায় কথা বলার মতো কাণ্ড ঘটাতে শুরু করে।
চিকিৎসার ব্যর্থতা: রেগানকে বাঁচাতে তার মা একের পর এক স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। কিন্তু দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরও চিকিৎসকরা কোনো শারীরিক বা মানসিক রোগের হদিশ মেলাতে পারেননি।
পাদ্রী বা যাজকের সাহায্য: চিকিৎসায় কোনো ফল না পেয়ে এবং পরিস্থিতি চরমে পৌঁছালে ক্রিস সাহায্য নেন ফাদার দামিয়েন কারাসের। তিনি একাধারে রোমান ক্যাথলিক পাদ্রী এবং মনোবিজ্ঞানী।
ভুতুড়ে আবেশ ও এক্সরসিজম কারাস প্রথমে বিষয়টি মানতে না চাইলেও, চার্চের অনুমতিক্রমে অভিজ্ঞ ও বয়োবৃদ্ধ এক্সরসিস্ট ফাদার ল্যাঙ্কার মেরিনকে নিয়ে আসেন। এরপর পৈশাচিক শক্তি বা শয়তানের কবল থেকে রেগানকে মুক্ত করতে শুরু হয় এক জীবনপণ ও রুদ্ধশ্বাস ধর্মীয় আচার।:
যেখানে বলা হয়েছে—“A young girl, Regan MacNeil, becomes possessed by a demonic entity. Her mother seeks medical and psychological help, but when conventional methods fail, priests Father Merrin and Father Karras perform an exorcism.”, এই লোমহর্ষক লড়াইয়ের মাধ্যমে সিনেমাটি মূলত মানুষের বিশ্বাস, পাপ এবং অশুভ শক্তির চিরন্তন দ্বন্দ্বকে ফুটিয়ে তুলেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!