রাতের অন্ধকারে হঠাৎ মনে হলো, কেউ যেন ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে আছে। ফিরে তাকিয়ে দেখলেন, কেউ নেই। এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয়েছে। কিন্তু বিজ্ঞান এর ব্যাখ্যা কী দেয়?
বিজ্ঞানের মতে, 'কেউ পাশে আছে' এমন অনুভূতি বাস্তব হলেও, তা ভূতের অস্তিত্বের প্রমাণ নয়। এর মূল কারণ মানুষের মস্তিষ্ক। চোখ, কান ও শরীর থেকে পাওয়া তথ্য একত্র করে মস্তিষ্ক চারপাশের পরিবেশের ধারণা তৈরি করে। কখনও এই তথ্যগুলোর মধ্যে অসামঞ্জস্য হলে মস্তিষ্ক ভুলভাবে আরেকজনের উপস্থিতি অনুভব করতে পারে। ২০১৪ সালের এক গবেষণায় বিশেষ ধরনের রোবোটিক পরীক্ষার মাধ্যমে সুস্থ মানুষের মধ্যেও এমন অনুভূতি তৈরি করা সম্ভব হয়েছিল।
এ ধরনের অভিজ্ঞতার সঙ্গে Sleep Paralysis-এরও সম্পর্ক রয়েছে। এ অবস্থায় ঘুম ভাঙলেও শরীর কিছু সময় নড়তে পারে না। তখন অনেকের মনে হয়, ঘরে কেউ আছে বা বুকের ওপর কিছু চেপে বসে আছে। এটি ঘুম ও জাগরণের মধ্যবর্তী একটি স্বাভাবিক স্নায়ুবৈজ্ঞানিক অবস্থা।
এ ছাড়া ভয়, পূর্বধারণা ও Expectation Effect-এর কারণেও অন্ধকারের সামান্য শব্দ বা ছায়াকে মস্তিষ্ক অতিপ্রাকৃত ঘটনা হিসেবে ব্যাখ্যা করতে পারে। আবার Pareidolia-র কারণে এলোমেলো ছায়া, মেঘ বা শব্দের মধ্যেও আমরা মানুষের মুখ বা অবয়ব খুঁজে পাই। খুব কম কম্পাঙ্কের শব্দ বা কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের প্রভাবেও এমন বিভ্রম হতে পারে।
এ পর্যন্ত ভূতের অস্তিত্বের পক্ষে নির্ভরযোগ্য ও পুনরায় যাচাইযোগ্য কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই বিজ্ঞান এ ধরনের অভিজ্ঞতার ব্যাখ্যা খোঁজে মস্তিষ্ক, ঘুম, মনস্তত্ত্ব ও পরিবেশের আলোকে। অর্থাৎ, অনুভূতিটি মানুষের কাছে বাস্তব হতে পারে, কিন্তু বর্তমান গবেষণা বলছে, এর সবচেয়ে সম্ভাব্য কারণ মানুষের মস্তিষ্কের জটিল কার্যপ্রণালি অতিপ্রাকৃত কোনো শক্তি নয়।
আমার তো প্রায়ই এমন হয় 👽
বিশেষ করে একা আলো ছায়ার পথে হাটার সময় // মনের ভয় টাই আসল, আসলে কিছুই না!!
আমার লাইফের এমন একটা সত্যি ঘটনা আছে।। লিখবো, সময় পেলেই ✍️