Movie name: Victoria (2015)
Country: Germany
একটা ব্যস্ত শহর, একটা এলোমেলো গভীর রাত ও হুট করে উপস্থিত দুর্ভাগ্য। ভিক্টোরিয়ার জীবনে দিনটি হয়তো স্মরণীয় হয়ে থাকবে অথবা ভুলে যেতে চাইবে। সময় ও জীবন বড়ই অদ্ভুত। চলতে চলতে ফিরতে ফিরতে ভাগ্যে কখন কি পরিবর্তন হয়ে যায় বলা যায় না। কখনও কখনও হুট করে জীবনে আনন্দ ও হাসি আসে, আবার বিপদও চলে আসে। অনিশ্চয়তার জীবনে ভাগ্য কিভাবে তার রং বদলায় সেটাই সিনেমার মূল বিষয়।।
সিনেমাটি শুরুতে ড্রামা কিন্তু দের ঘণ্টা পর ড্রামা মোটামুটি থ্রিলিং এ রূপ নিয়ে নেয়। সিনেমায় রাতের দৃশ্য বেশি কারণ পুরো সিনেমা রাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে। রাতে আনন্দ, মাঝ রাতে দুর্ঘটনা,শেষ রাতে মৃত্যু আর সকলে মুক্তি। সিনেমায় অন্যান্য মূল চরিত্র হচ্ছে মিঃ সনে , মিঃ বক্সার, মিঃ ফুস ও মিঃ ব্লিংকার।।
সিনেমার মূল চরিত্র হচ্ছে ভিক্টোরিয়া নামে একজন তরুণী যিনি একটি ক্যাফে শপে কাজ করেন। তার জীবনের প্রবাহমান একদম ধীর গতি সম্পন্ন মানে একাকীত্ব ও বন্ধুহীন জীবন। অন্তরে নেই তেমন আনন্দ। একদিন রাতে নাইটক্লাবে তার জীবনে হুট করেই আনন্দ ও বিপদ চলে আসে। সিনেমায় আনন্দ ও ভয়ংকরময় এক রাত দেখানো হয়েছে । রাতে আনন্দ শুরু হয় তারপর মধ্যে মধ্য রাতে আসে মহা বিপদ আর ভোরবেলা তার নতুন বন্ধুদের মৃত্যু। সকালে আবার আগের মত একা। ভয়ংকর এক রাতের সাক্ষী হয়ে থাকবে।।
ভিক্টোরিয়া রাতে নাইটক্লাবে ড্রিঙ্কস ও ড্যান্স করছিলো। হুট করেই কয়েকজন যুবকের সাথে পরিচয় হয়। তাদের সাথে কথা বলতে বলতে হুট করেই খাতির হয়ে যায়।মেয়েটি তাদের মন খুলে বিশ্বাস করে।ভেবেছিলাম মেয়েটিকে নিয়ে রেপটেপ হয়ত করবে কিন্তু সেটা হয় না। বাহিরে গিয়ে তারা দুষ্টামি করতে থাকে। দোকান থেকে ড্রিঙ্কস চুরি করে খেতে থাকে। ছাদের উপর উঠে ঐ অন্ধকার নীরব আকাশটাকে দেখে। হুট করেই এতো দুষ্টামি আর আনন্দ আসবে ভিক্টোরিয়া ভাবতে পারেনি।
মিঃ সনের সাথে বেশ খাতির হয়ে উঠে। হটাত করেই এক কুখ্যাত গ্যাংস্টারের চাপে ঐ চায় যুবক ব্যাংক ডাকাতি করতে বাধ্য হয়। তাদের ড্রাইভার না থাকায় ভিক্টোরিয়াকে বাধ্য হয়ে গাড়ি চালিয়ে যেতে হয়। ড্রামার মধ্যে হুট করে ব্যাংক ডাকাতি হবে আগে বুঝতে পারিনি, যদিও ব্যাংক ডাকাতি দেখানো হয় না। শুধু টাকার ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে ও দৌড়তে দেখে যায়। পুলিশ ধাওয়া করে, গুলি ও পাল্টা গুলি চলে। একটা রাত হুট করেই বিপদজনক হয়ে গেলো।
ভাগ্যের কোন নিশ্চয়তা নেই। নিয়মের ধারা কখন ভেঙে যায় বলা যায় না। তাই অনেক সময় আমরা বলে ফেলি ' আরে এরকম হবে ভাবতে পারিনি ' । মিস ভিক্টোরিয়াও ভাবতে পারেনি।।
সবাই মারা গেলে শুধুই ভিক্টোরিয়া বেঁচে থাকে। নিয়মের জীবনে শুধুই একটি রাত তার জীবন একটু এলমেলো করে দিলো বা ভয়ংকর অভিজ্ঞতা দিলো।আমাদের জীবনে এরকম হয়তো হুট করে কিছু ঘটে যায়, যা আমরা কল্পনা করতে পারি না।। এটাই বাস্তব।
তাই নিজের কল্পনা ও আবেগগুলোকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে।।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!