প্রথম পাতাসিনেম্যাটিকভাকা (২০২৬)

সিনেম্যাটিক

ভাকা (২০২৬)

ভাকা  (২০২৬)

Vaka (wake) (2026), Country: Sweden

Season 01 and total episodes 06

বিজ্ঞাপন


ঘুমের চেয়ে শান্তি আর কোথাও কি আছে? আমি মনে করি নেই। সারাদিন ক্লান্তির পর মন প্রাণ জুড়ে ঘুমিয়ে নেওয়া মানে শরীর ও মনের স্বর্গীয় প্রশান্তি। যদি দিনের পর দিন ঘুম না আসে তখন কেমন হতে পারে ব্যাপারটা? মস্তিষ্ক বা মাইন্ড স্বাভাবিক থাকবে তো মনে হয় না। মনের ভিতরে তৈরী হবে চরম অস্থিরতা ও অস্বাভাবিক আচরণ। বেঁচে থাকাটাই তখন চ্যালেঞ্জিং।


সুইডেনের ছয় পর্বের এই ফিকশনাল ড্রামা ও সফট থ্রিলার ওয়েব সিরিজের মূল কন্সেপ্ট হচ্ছে অনিদ্রা। পুরো সুইডেনে অনিদ্রা রোগ মহামারি রূপে ধারণ করে। মানুষ মারা যেতেই থাকে। একমাত্র মৃত্যু ছাড়া দুই চোখ বন্ধ হচ্ছে না।।


সুইডেনের জনগণ সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে। অজানা এক ভাইরাসের কারণে মানুষের মধ্যে নিদ্রাহীনতা দেখা দিয়েছে। চোখে ঘুম নেই। চোখ লাল। শরীর দূর্বল। ব্রেইন কাজ করা ছেড়ে দেয়। দিনের পর দিন ও মাসের পর মাস ঘুমাতে না পারে অনেকের মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে। দেশের প্রধানমন্ত্রীও না ঘুমাতে পেরে মারা গিয়েছে।।


দেশের একজন সেরা পাইলট দিনের পর দিন না ঘুমাতে পারে প্লেন এক্সিডেন্ট করে। ১৫০ জন প্লেন দুর্ঘটনায় মারা যায়। অনিদ্রার কারণে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে। কেউ কেউ আত্মহত্যা করে সারাজীবনের মত ঘুমিয়ে যাচ্ছে। সরকার ও দেশের স্বাস্থ্য বিভাগ আপ্রাণ আপ্রাণ চেষ্টা করেই যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা হয়েই যাচ্ছে। ভয়ংকর বিপদে পুরো দেশ। 


দেশের মেডিক্যাল টিম সতর্ক করেছে। গবেষণা ও সমাধানের চেষ্টা চলছে। কোন ঔষধ তেমন কাজে আসছে না।।


সিরিজের লোকেশন, সেট ডিজাইন ও মেকিং বেস্ট ছিলো। বাবা ও ছেলের সম্পর্কটা বেশ ইমোশনাল। ভিন্ন কন্সেপ্ট এর কাজ দেখতে ভালোই লাগে। এই ধরনের মহামারি আগে দেখা যায়নি, তাই এটা নতুন কন্সেপ্ট বলা যায়। একটা দেশে যখন মহামারি আসে তখন শৃংখলা রক্ষা করাই অনেক বড় চ্যালেঞ্জ।।


ঘুম শুধু ব্যক্তিগত সুখের বিষয় নয়, এটি রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই সিরিজ দেখিয়ে দিলো দেশের মানুষের চোখে যদি ঘুম না থাকে, তাহলে কত সহজে একটা দেশ পতনের দিকে ধাবিত হয়। সরকার থেকে পুলিশ আর্মি আর সাধারণ জনগণ সবাই দিন শেষে শান্তিমত ঘুমাবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু তারা যদি দিনের পর দিন না ঘুমাতে পারে, তাহলে কি অবস্থা হতে পারে?? 


তবে একটা আইডিয়া একজন নার্স দিয়েছে। কেউ যদি ঠান্ডার মধ্যে থাকতে পারে যেমন বরফ শীতল ঠান্ডা পানি আবার ঠান্ডা রুমে থাকলে এই চোখের রোগ কমে যাওয়ার সুযোগ আছে। তবে এটা কতটুকু কার্যকর সেটাই দেখার বিষয়।।


গতকাল রাতে এই সিরিজটা দেখলাম আর রাতেই কেনো যেনো ঘুম হলো না। তাই বেলা করে উঠতে হয়েছে। ভাগ্য ভালো অফিস থেকে ছুটি নিয়েছিলাম।।


০ মন্তব্য · ৫৩ ভিউ
মন্তব্য

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করতে হলে লগইন করুন

লগইন করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!