Movie name: Stealing Beauty (1996)
Country: Italy
ইতালির এই আর্ট ড্রামা সিনেমাটি বেশ উপভোগ্য ও দর্শনে ভরপুর। আর্ট ও চারুকলা সিনেমার অন্যতম অংশ যেখানে দর্শন ও মনস্তাত্ত্বিক উঁকিঝুঁকি দেয়।আত্মাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয় আর দেখিয়ে দেয় কোথায় তার প্রকৃত ক্ষুধা। দর্শন চর্চা আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। শরীর ও মন এই দুটোর ভাষা ও তার আচরণগত এবং অনুভূতিগত দর্শন ভিন্ন। মনোযোগ দিয়ে দেখলে হারিয়ে যাবেন।।
ইতালির অর্গানিক কালচার উপভোগ করা যাবে।
ভার্জিনিটি ও যৌনতা সিনেমার অন্যতম আলোচ্য বিষয়। একটা মানুষের যৌনতার মনস্তাত্ত্বিক রূপ ও আত্মিক ও শরীরের অনুভূতি ভিন্ন হওয়াটা স্বাভাবিক। ভার্জিনিটি সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে তার সমাপ্তি ঘটায়। ভার্জিনিটি কি চাহিদা নাকি প্রাকৃতিক সেটা নিয়ে মিস লুসি ভাবছে।
মিস লুসি এই প্রথম তার মায়ের গ্রামে চলে এলো, যেখানে তার মা থাকতেন আর যিনি ছিলেন সাহিত্যিক ও কবি। মেয়েটি অনেক কবিতার দর্শনগত ব্যাখা জানতে চায়। মায়ের আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো তার কাছে বেশ আনন্দের।।
মিস লুসি উনিশ বছর কিন্তু তার যৌনতা নিয়ে খুব একটা ভাবনা নেই। নিজের যৌবন ও অনুভূতি গুলোর উপর জোর করে কিছু চাপিয়ে দিতে তার ইচ্ছে হয় না। নিজের আত্মার সন্তুষ্টি অর্জন ও মায়ের স্মৃতি তার কাছে বেশ গুরুত্বপুর্ন। সেক্স করার প্যাশন আছে কিন্তু কখন সেক্স করবে সেটা সময় বলে দিবে। ভার্জিনিটির স্বাধীনতা ও তার সৌন্দর্য তাকে অভিভূত করে।।
ধুরুন কাঁচা আমের কাঁচা গন্ধ ভালো লাগে। সরিষা ও লবণ চিনি মরিচ দিয়ে কাঁচা আম অতুলনীয় ঠিক তেমনি পাকা আমের মিষ্টি গন্ধ মন জুড়িয়ে দেয়। মিষ্টি রসালো আম জিহ্বায় এনে দেয় পরিতৃপ্তি। ভার্জিনিটি অনেকটাই এই রকম। সেক্স করার আগে শরীরের অনুভূতি এক রকম, সেক্স করার পর আরেক রকম। দুটোই সুন্দর।
মিস লুসি সুন্দরের পূজারী। নিজের কুমারীত্ব নিজের ইচ্ছায় সমাপ্তি ঘটাবেন। অন্যদের সেক্স অভিজ্ঞতা ও নিজের সেক্স করার প্যাশন দুটোর মাঝে মৌলিকতা ও সৌন্দর্যের পার্থক্য খুঁজছেন।।
সেক্স করার আগে একটা মেয়ে আবেগী কুমারি আর সেক্স করার পর তখন মেয়েটি পরিপূর্ণ আবেগী রমণী।।
উনিশে একজন মেয়ের যৌনতা স্বাধ না নেওয়া বা
নিজের ভার্জিনিটিকে বিদায় করে না দেওয়াটা ওই সমাজে কিছুটা অস্বাভাবিক। মিস লুসি আপাতত নিজের যৌবনের রং চুরি করতে চাইছেন না। এখানে চুরি বলতে নিজের রং লুকিয়ে নতুন রঙের সন্ধান বা পরিবর্তন বা রূপ বদলানো কে বুঝানো হয়েছে।।
Virginity> sex < Organic love
সিনেমার গল্প তো অনেক ভালো সেই সাথে লোকেশন ডিরেকশন বেশ ভালো। কবিতা আছে, আর্ট করা আছে আরও আছে বিভিন্ন ভাস্কর্য ও কারুশিল্প। লুসি যেই যেই বাসায় থাকে পুরো বাসাটি আর্ট ও ভাস্কর্যে ভরপুর। কবিতা ও গান আছে। বাড়িটি যেনো কাব্যের জাদুঘর।
এক একজনের আবেগ বুঝতে হলে চোখের ভাষাগুলো মনযোগ দিয়ে পড়তে হয়। সেক্স আর ভালোবাসা দুটো ভিন্ন বিষয়। শরীর ও সেক্স দুটো ভিন্ন। প্রকৃতির সাথে শরীর ও মন মিলে গেলেই আত্মার সান্নিধ্য আরো সহজ।।
সিনেমার শেষে সেক্স দিয়ে শেষ হয়। উনিশ বছরের মেয়ে লুসি প্রথম যৌনতার স্বাধ পেলো। নিজের যৌবনের রং লুকিয়ে নতুন যৌবেনে পা দিলো। নিজেকে রমণী ভাবছে হয়তো। প্রকৃতি তার সাক্ষী।।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!