জেসন স্ট্যাথামের নাম দেখলে একটা নির্দিষ্ট প্রত্যাশা তৈরি হয়। হাড় ভাঙার শব্দ, ঘুষির পর ঘুষি, আর শেষে ভিলেন মাটিতে। ছবিটা দেখতে বসছিলাম সেই প্রত্যাশা নিয়েই। কিন্তু দেখতে দেখতে মনে হলো জাহাজের মতো এই ছবিটাও কোথাও একটা আটকে আছে।
কোল রিড একজন সাবেক স্পেশাল ফোর্স অফিসার, এখন বিলিয়নিয়ারের বডিগার্ড। বসকে চোখের সামনে খুন হতে দেখে, আর তাকেই ফাঁসানো হয় সেই খুনে। একটা কার্গো জাহাজে উঠে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র উন্মোচনে নামে, একা জাহাজভর্তি ভিলেনের বিরুদ্ধে। শুনতে মজার, কিন্তু পর্দায় দেখতে বসলে বোঝা যায় পরিচালক জ্যাঁ-ফ্রাঁসোয়া রিশে এই আইডিয়া দিয়ে আসলে কী করতে চেয়েছেন সেটা নিজেও জানেন না।
প্রথম ঘণ্টা মূলত স্ট্যাথাম জাহাজে ঘোরেন, কিছু লোককে মারেন, আবার লুকান। একটা লক দিয়ে মুখে ছুরি মারার দৃশ্য আছে যেটা সত্যিই মনে থাকার মতো, কিন্তু পুরো ছবিতে এরকম মুহূর্ত মাত্র দু-একটা। বাকি সময়টা এতটাই একঘেয়ে যে মাঝে মাঝে ঘড়ি দেখতে ইচ্ছে করে। অ্যানাবেল ওয়ালিস আছেন, কিন্তু তার চরিত্রটা এত অসম্পূর্ণ যে মনে হয় শুধু স্ট্যাথামের পাশে দাড়ানোর জন্যই রাখা হয়েছে।
শেষের ৩০ মিনিটে ছবি একটু জেগে ওঠে। রিড বনাম মার্কোর চূড়ান্ত লড়াইটা দেখার মতো, স্ট্যাথাম যেভাবে শেষ করেন সেটা সন্তুষ্টজনক। কিন্তু এই ৩০ মিনিটের জন্য আগের এক ঘণ্টা বসে থাকাটা বেশি চাওয়া হয়ে যায়। স্ট্যাথামের ফ্যান হলে হয়তো মানিয়ে নিতে পারবেন, বাকিদের জন্য সময়টা অন্য কিছুতে দিলে ভালো হবে।
এতো জীবন্ত লিখা!! আমি তো না দেখেই... দেখে ফেললাম 👥