“শয়তান শরীর না, যখন মন দখল করে..
গল্পটা শুরু হয় তখন”
ঘটনার শুরু হয় এমন এক সিরিয়াল কিলিং আর আত্মহত্যাকে ঘিরে, যেগুলো একদম একই প্যাটার্নে ঘটছে। দেখতে সিরিয়াল কিলিং মনে হলেও, আসলে ঘটনাগুলোর পেছনে আছে এক অদৃশ্য অতিপ্রাকৃত শক্তির খেলা। বাহির থেকে মনে হয় মানুষ পাগল হয়ে নিজের পরিবারকে মেরে ফেলছে, কিন্তু কিছু ঘটনায় এমন কিছু জিনিস ধরা পড়ে যেটা সাধারণ যুক্তিতে ব্যাখ্যা করা যায় না।
এই ঘটনার পেছনে থাকা তিনজন মানুষকে আনা হয় যাদের জীবন ছোটবেলা থেকেই এক অদ্ভুত ট্রমার সাথে জড়িয়ে আছে।
একজন শামান ব্যাকগ্রাউন্ডের ছেলে, যে ছোট থেকেই “অদৃশ্য কিছু” অনুভব করতে পারে। একজন ক্যাথলিক প্রিস্ট, যে বিশ্বাস আর বাস্তবতার মাঝখানে আটকে আছে, কিন্তু এক্সরসিজমে দক্ষ। আর একজন পুলিশ অফিসার, যার কাছে সবকিছুই ক্রাইম সিন ভূত বলে কিছু নেই।
এরা তিনজন একে অপরের সাথে খুব একটা মিল না থাকা সত্ত্বেও একই রহস্যের পেছনে পড়ে যায়। ধীরে ধীরে তারা বুঝতে পারে, এটা শুধু একটা সিরিয়াল কিলিং কেস না। এটা এমন একটা শক্তির সাথে লড়াই, যেটা মানুষের শরীরকে ব্যবহার করে তাদের মন, পরিবার আর জীবনকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
কিন্তু যত তারা গভীরে যায়, ততই কেসটা জটিল হতে থাকে। কিছু ঘটনা তাদের নিজের অতীতের সাথেও জড়িয়ে যায়, যেটা তারা অনেক বছর ধরে এড়িয়ে চলছিল।
সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো এখানে শত্রু কে, সেটা সবসময় পরিষ্কার না।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!