১৯৮৯ সাল। শ্রীলঙ্কায় চলতে থাকা রক্তক্ষয়ী সংঘাতে নিজের পরিবারকে হারিয়ে কোনোমতে বেঁচে যায় তামিল যোদ্ধা ভেট্রিভেল কুমারন। মৃত্যুর হাত থেকে পালিয়ে সে আশ্রয় নেয় ভারতে। কিন্তু নতুন দেশে পা রাখার পরও তার জন্য অপেক্ষা করছিল বরং আরেকটি অন্ধকার জগত।
তিরুবনন্তপুরমে এসে ভেট্রিভেল জড়িয়ে পড়ে কৃষ্ণনকুট্টির নেতৃত্বাধীন এক ভয়ংকর ভাড়াটে বাহিনীর সঙ্গে। এই দলটি সরাসরি ক্ষমতাবান রাজনৈতিক মহলের হয়ে কাজ করে। প্রয়োজনে ভয় দেখানো, হামলা কিংবা খুন, কোনো কাজই তাদের কাছে অসম্ভব নয়। রাজনীতির বড় খেলোয়াড়রা নিজেদের স্বার্থে এই মানুষগুলোকে ব্যবহার করে, আর প্রতিটি রক্তাক্ত কাজের পর তারা আরও গভীরভাবে আটকে পড়ে সেই ক্ষমতার জালে।
ভেট্রিভেলও ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে এই অন্ধকার খেলাটার একজন অংশ। কিন্তু যখন রাজনৈতিক স্বার্থে তাদেরই বলির পাঁঠা বানানোর চেষ্টা করা হয়, তখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে যায়।
যাদের এতদিন অন্যের হয়ে লড়তে হয়েছিল, তারাই এবার নিজেদের অস্তিত্বের জন্য অস্ত্র তুলে নেয়। শুরু হয় ক্ষমতা, বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতিশোধের এক ভয়ংকর খেলা যেখানে শত্রু শুধু সামনে থাকা মানুষটি নয়, বরং সেই পুরো ব্যবস্থাই, যে ব্যবস্থা তাদের জীবনকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে এসেছে।
ক্ষমতার এই রক্তাক্ত খেলায় শেষ পর্যন্ত কে শিকার, আর কে শিকারি সেটাই দেখার বিষয়।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!