I'm Game (2026) দুলকার সালমানের সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া মুভি ‘আই অ্যাম গেম’ দেখলাম। বেশ ইমপ্রেসিভ একটা গল্প। কিন্তু দেখার সময়ে আমার অনেকবার নাগা চৈতন্যের Savyasachi মুভির কথা মনে পড়ছিল। কেন এই কথা বলছি তা আপনারা দেখলেই বুঝতে পারবেন।
তো এই গল্পের নায়ক ড্যান, যে খুবই ধনী এবং নিজের নিয়মে চলাফেরা করে। কিন্তু একদিন ক্রিকেট বেটিং-এ হেরে গিয়ে নিজের টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনায় নিজের ডান হাত হারায়। পরবর্তীতে তার হাত ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা হলে অদ্ভুতভাবেই তার হাত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড করতো যেগুলো সে নিজে করতে চাইতো না। এরপর ঠিক কী কী হয় তা জানতে মুভি দেখতে বসে পড়ুন।
আমার এখনো মনে আছে নাহাস হিদেয়েথের RDX মুভির সাথে ক্ল্যাশ করে দুলকার নিজের King of Kotha মুভির ব্যর্থতা দেখেছিলেন। কিন্তু এবারে মালয়ালমে আবার একই পরিচালকের হাত ধরে কামব্যাক করলেন। দুলকার সালমানের একটা বিষয় আমার খুবই পছন্দ, তা হলো তার মুভি ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত কোনো খারাপ গল্পের মুভি নেই। এত দারুণ কারো স্ক্রিপ্ট চয়েস হতে পারে তা এই অভিনেতাকে না দেখলে বুঝতাম না।
ফ্যান্টাসি-সুপারন্যাচারাল হিসেবে মুভিটা বেশ ভালোভাবেই প্রেজেন্ট করা হয়েছে। রানটাইম প্রায় তিন ঘণ্টা, কিন্তু আমার কাছে বোরিং ফিল হয়নি কোনো মুহূর্তই। ভেবেছিলাম দ্বিতীয়ার্ধে হয়তো অনেক স্লো লাগবে, কিন্তু না—বেশ ভালোই উপভোগ করেছি হাত নিয়ন্ত্রণে না থাকার রহস্যটা। দুলকার সালমানের চরিত্রের অ্যাটিটিউড ও স্টাইল দুর্দান্ত পুরো মুভি জুড়ে। তবে বিশেষ করে একটা জিনিস নজর কাড়বেই, সেটা হলো দুলকারের নিজের হাতের সাথে লড়াই। বেশ বড়সড় একটা মারামারি হয় হাতের সাথে।
মুভির মিউজিক দিয়েছেন জ্যাকস বিজয়, এই লোকটাও মালয়ালমে বেশ ভালো ভালো কাজ উপহার দিয়েছেন। ভিলেন চরিত্রে মিসকিনের স্ক্রিন প্রেজেন্সও দারুণ ভালো লেগেছে। গল্প খুবই প্রেডিক্টেবল ছিল আমার কাছে, কিন্তু তাও প্রেজেন্টেশনের কারণে বেশ উপভোগ করেছি। অ্যান্টনি ভার্গিস, কায়াদু লোহার, বিনয় ফোর্ট আর কাথির—এরাও সাপোর্টিং ক্যারেক্টারে ভালো ছিলেন। ওভারঅল, কম এক্সপেক্টেশন নিয়ে দেখতে বসলে উপভোগ করার মতো মুভি।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!