প্রথম পাতাসিনেম্যাটিকএ হিস্ট্রি অফ ভায়োলেন্স

সিনেম্যাটিক

এ হিস্ট্রি অফ ভায়োলেন্স

এ হিস্ট্রি অফ ভায়োলেন্স

টম স্টল। ছিমছাম দিন কাটানো ফ্যামিলি ম্যান। স্ত্রী আর সন্তান নিয়ে যার দিন চলে যাচ্ছে বেশ ভালোই। ঠান্ডা মাথার এই মানুষটির জীবিকা চলে একটা ক্যাফের মাধ্যমে। চারপাশের মানুষ ক্যাফেতে টুকটাক খেতে আসে। খুব পরিচিত না হওয়া একটা দোকান, চলে যায় দিন।


বিজ্ঞাপন

একরাতে, একদম ক্লোজিংয়ের সময় দুজন ব্যক্তি চলে এলো ক্যাফেতে। কোন অর্ডার আর নেওয়া হবে না জেনেও বারবার কফি চাইতে চাইতে হাতের বন্দুক বের করে তারা বুঝিয়ে দিল, কফি নয়, ডাকাতিই তাদের আসল উদ্দেশ্য। টম সব ঠান্ডা মাথায়ই পর্যবেক্ষণ করছিল। কিন্তু তার ধ্যান ভাঙল যখন তারই দোকানের কর্মচারী মহিলার গায়ে ওরা হাত দিল। ডাকাতদের প্রাপ্য শাস্তি দিয়ে টম হয়ে গেল লোকাল হিরো।


লোকাল হিরো হওয়ার সাথে সাথে দোকানের ভিড় বেড়ে গেল। ক্যাপাসিটির বাইরে লোক আসছে দোকানে। আর সেই লোকেদের ভিড়ে দুজন অদ্ভুত লোক এলো। একচোখ নষ্ট লোকটা টমকে ‘জোয়ি’ বলে বারবার ডাকতে লাগল। কেন টম হিরো হওয়ার সাথে সাথে জোয়ি হয়ে গেল কারও চোখে? কীভাবে টমের মতো একজন সাধারণ ব্যক্তি এত নিখুঁত পিস্তল চালায়? আমরা কার গল্পে আছি? সাধারণ টম স্টলের, নাকি কিলার জোয়ি কুইস্যাকের?


ক্রোনেনবার্গ আমার প্রিয় পরিচালকদের একজন। ঠান্ডা মাথায় একটু জটিল জিনিস দেখানোই যে পছন্দ করেন। এটা হয়তো আমার দেখা ক্রোনেনবার্গের সবচেয়ে সহজ সিনেমা, ঠান্ডা সিনেমা। ভিগো মর্টেনসেন অভিনয়ে নিজেকে ঢেলে দিয়েছেন। চমৎকারভাবে সিনেমাটা টেনে নিয়েছেন। ক্রাইম-ড্রামা বলে যদি কোনো জনরা থাকে, এই সিনেমা সেই জনরার বেস্ট ওয়ান।


[A HISTORY OF VIOLENCE]

০ মন্তব্য · ৫৩ ভিউ
মন্তব্য

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করতে হলে লগইন করুন

লগইন করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!