জার্নালিস্ট হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ফ্যাশন সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা না থাকা অ্যান্ডির জার্নি শুরু হলো দেশসেরা ফ্যাশন ম্যাগাজিন রানওয়েতে। তার চেয়েও বড় বিষয়, মিরান্ডার পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করা। দ্য মিরান্ডা; যে কিনা শুধু নিজে ফ্যাশনেবল হয়েই ক্ষান্ত দেয়নি, প্রতিনিয়ত অন্যের ফ্যাশনের জাজমেন্ট করে এবং চোখ উলটে, মুখ বাঁকিয়ে তাকায়। তাই ফ্যাশন জগতের সবাই তাকে একটু সেলাম দিয়েই চলে।
চাকরির কিছুদিনেই অ্যান্ডি বুঝে গেল, এই ফ্যাশন ম্যাগাজিনে মিরান্ডার চোখে নিজের একটা জায়গা করে নিতে হলে তাকে ফ্যাশনেবল হতেই হবে। নিজের ছিমছাম, সরল সাংবাদিক হতে চাওয়া জীবন থেকে বের হয়ে আসতে হবে। সেই পোশাক-আশাক, অন্যের জায়গা কেড়ে নেওয়া বা সুযোগের সদ্ব্যবহার; সবই শিখতে হবে।
অ্যান হাথাওয়ে আর মেরিল স্ট্রিপ যেন পাল্লা দিয়ে অভিনয় করেছেন। সাধারণ জীবন থেকে গ্ল্যামার প্র্যাকটিস করা মানুষ হয়ে যাওয়ার ট্রানজিশনটা হাথাওয়েকে বেশ মানিয়ে গেছে। ছিমছাম গুড স্টুডেন্ট, গুড এমপ্লয়ি ভাইব যেমন স্বাভাবিক লেগেছে, গ্ল্যামার-প্র্যাকটিসিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবেও তাঁর চমৎকার চেহারা ভালোই ফায়দা নিতে পেরেছে।
এই সিনেমার স্ক্রিনপ্লে এতটাই ফাস্ট যে, নিঃশ্বাস নেওয়ার জায়গাটাই নেই। একটা ফ্যাশন, ফিমেল-সেন্ট্রিক ফিল্ম যে আমি এত এনজয় করব, একদম ভাবিনি। ফাস্ট স্ক্রিনপ্লের একটা সুবিধাই হলো, স্টোরির দুর্বল জায়গাগুলো চমৎকারভাবে ঢেকে দেয়। সব মিলিয়ে দারুণ এনজয়েবল সিনেমা।
[𝗧𝗛𝗘 𝗗𝗘𝗩𝗜𝗟 𝗪𝗘𝗔𝗥𝗦 𝗣𝗥𝗔𝗗𝗔]
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!