তীরন্দাজরা কীভাবে তীর নিক্ষেপ করে সেটা ভালোভাবে লক্ষ্য করেছেন কেউ? তীর ধরার সময় তারা বৃদ্ধাঙ্গুলি ব্যবহার করে না, ব্যবহার করে তর্জনী ও মধ্যমা। এর পিছনে জড়িয়ে আছে এক পৌরাণিক কাহিনী।
মহাভারতের অন্যতম একটি চরিত্র একলব্য। বিপুলায়তন এই মহাকাব্যে তার কথা এসেছে অতি সামান্যই। এই একলব্য গুরুদক্ষিণাস্বরূপ তার বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদান করে দ্রোণাচার্যকে। সেই থেকে তীর নিক্ষেপের সময় তর্জনী ও মধ্যমা ব্যবহার করা হয়।
পৌরাণিক এই কাহিনীটি এই ছবিতে দেখানো হয়েছে, তবে একটু ভিন্নভাবে। একলব্যের আত্মত্যাগকে কেন্দ্র করে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চান আরিফ। সাঁওতালি একটি গ্রামে শ্যুটিং করতে গেলে সেই গ্রামের আদিবাসীরা কিছু ভুল আবিষ্কার করে। তখন পাল্টে যায় সেই চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য। কিছু সংযোজন-বিয়োজন ঘটে কাহিনীতেও।
সিনেমার মধ্যে আরেকটি সিনেমার মাধ্যমে এই ছবির মূল গল্পকে দেখানো হয়েছে। মহাভারতের অনালোচিত একটি গল্প পরিচালক তুলে ধরেছেন। এজন্য তাকে সাধুবাদ। সেইসঙ্গে আদিবাসীদের সংস্কৃতিও কিছুটা দেখানো হয়েছে ছবিতে। তবে এই ছবির সেট বা কয়েকটি চরিত্রের কস্টিউম ঠিক পৌরাণিক ছবির মতো মনে হয়নি। তাছাড়া কয়েকজনের অভিনয়ও ঠিক জুতসই হয়নি। তবে বিকল্পধারার চলচ্চিত্রের মধ্যে এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি চলচ্চিত্র।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!