গল্পটা ভুট্টু আর তার পরিবারের। সারাদিন বিভিন্ন মনের কথা রেকর্ড করা বাবা। বৃদ্ধকালীন খুনসুটির ঝগড়ায় ব্যস্ত থাকা মা। একটা বাচ্চা নিয়ে স্বামীর ঘর ছেড়ে আসা বোন আর ভুট্টুর প্রাণপ্রিয় বিবিজান।
ভুট্টু গরুর মাংসের কাবাব বানায়। কাবাবের দোকান থেকে যে পয়সা আসে, তা দিয়ে সংসার, নিজেদের টুকটাক শখ আর ভাগ্নির ভবিষ্যতের ভাবনাটা ভালোই কেটে যাচ্ছিল। সংসারে বোন-বউয়ের ভুল ধরাধরি, আবার একই সঙ্গে বসে হাসাহাসি। চমৎকার সুন্দর একটি পারিবারিক দৃশ্য।
হুট করে সরকার বন্ধ করে দিলো গরুর মাংস বিক্রি। জেলফেরত ভুট্টুর পুরো পরিবার যেখানে এই মাংসের দোকানের ওপর ভর করে বেঁচে ছিল, তাদের যেন গলা চেপে ধরল কেউ।
ফাহিম ইরশাদ যে কী চমৎকার এক সিনেমা বানিয়েছেন, তিনি কি জানেন? এই সিনেমার প্রতিটা স্ক্রিন যেন বাঁধাই করে রাখার মতো। ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্মে এতটা গুছিয়ে কাজ কতজন করতে পারে, আমি জানি না।
অভিনেতারা এতটাই সাবলীল ছিলেন, যেন মনে হয়েছে আমার পাশের বাড়ির প্রতিদিনকার ঘটনা। আমার সামনেই ঘটছে সব। আমিই উপস্থিত আছি।
‘আনি মানি’ বাচ্চাদের একটা খেলার নাম। সৃষ্টিকর্তা আমাদের তাঁর বাচ্চা ভাবেন, তাই হয়তো আমাদের জীবন নিয়েই খেলেন। স্রষ্টার বিচার, বোঝা বড় দায়।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!