প্রথম পাতাজীবনধারাহুমায়ূন আহমেদ — জীবন, সাহিত্য ও সৃষ্টিজগৎ

জীবনধারা

হুমায়ূন আহমেদ — জীবন, সাহিত্য ও সৃষ্টিজগৎ

হুমায়ূন আহমেদ —  জীবন, সাহিত্য ও সৃষ্টিজগৎ

বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদ শুধু একজন জনপ্রিয় লেখক নন—তিনি বাংলাদেশের পাঠকসংস্কৃতি, টেলিভিশন নাটক এবং চলচ্চিত্রে এক ধরনের স্বতন্ত্র যুগ তৈরি করেছিলেন। তাঁর গল্পের মানুষগুলো ছিল খুব সাধারণ—মধ্যবিত্ত পরিবারের বাবা-মা, ভাই-বোন, প্রেমিক-প্রেমিকা, নিঃসঙ্গ মানুষ, অদ্ভুত স্বভাবের মানুষ—কিন্তু তাঁদের জীবনকে তিনি এমনভাবে লিখতেন যে পাঠক নিজের জীবনকে সেখানে খুঁজে পেতেন।


বিজ্ঞাপন

১. জন্ম ও পরিবার

হুমায়ূন আহমেদ জন্মগ্রহণ করেন ১৩ নভেম্বর ১৯৪৮ সালে, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে। তাঁর পৈতৃক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে।

তাঁর বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ পুলিশ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পিরোজপুরের এসডিপিও হিসেবে কর্মরত অবস্থায় তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে শহীদ হন।

তাঁর মা আয়েশা ফয়েজ নিজেও লেখালেখি করতেন।

হুমায়ূন ছিলেন ছয় ভাই-বোনের মধ্যে বড়। তাঁর ছোট ভাইদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

  • মুহম্মদ জাফর ইকবাল — কথাসাহিত্যিক ও বিজ্ঞানী
  • আহসান হাবীব — রম্যলেখক ও কার্টুনিস্ট

এই পরিবারে সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চার পরিবেশ ছিল খুব শক্তিশালী।

২. ছোটবেলার হুমায়ূন

বাবার চাকরির কারণে তাঁর শৈশব কেটেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায়। সিলেট, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, চট্টগ্রাম, বগুড়া, কুমিল্লা ও পিরোজপুর—বিভিন্ন জায়গার অভিজ্ঞতা তাঁর মানসিক জগৎকে প্রভাবিত করে।

তাঁর প্রথম স্কুলজীবন শুরু হয় সিলেটের কিশোরীমোহন পাঠশালায়

১৯৬৫ সালে বগুড়া জিলা স্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় তিনি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সম্মিলিত মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হন।

১৯৬৭ সালে ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন।

৩. বিজ্ঞানী হতে পারতেন, কিন্তু হয়ে গেলেন সাহিত্যিক

এখানেই হুমায়ূন আহমেদের জীবনের একটি চমৎকার দিক।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন নিয়ে পড়াশোনা করেন।

  • ১৯৭০ — রসায়নে BSc (Honours), প্রথম শ্রেণি
  • ১৯৭২ — MSc
  • ১৯৮২ — যুক্তরাষ্ট্রের North Dakota State University থেকে Polymer Chemistry-তে PhD

অর্থাৎ তাঁর শিক্ষাগত ভিত্তি ছিল পুরোপুরি বিজ্ঞানভিত্তিক।

১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরের বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।

কিন্তু ধীরে ধীরে সাহিত্য তাঁর জীবনের মূল কেন্দ্রে চলে আসে। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি তিনি অধ্যাপনা ছেড়ে পূর্ণকালীন লেখালেখি ও সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করেন।

৪. সাহিত্যজীবনের শুরু

তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’, প্রকাশিত হয় ১৯৭২ সালে।

বইটি প্রকাশের পরই বাংলা সাহিত্যে তাঁর আলাদা পরিচয় তৈরি হতে শুরু করে।

এরপর আসে—

‘শঙ্খনীল কারাগার’

এই দুটি উপন্যাস থেকেই বোঝা যায়, তিনি প্রচলিত সাহিত্যিক ভাষার চেয়ে অনেক বেশি সহজ, কথোপকথননির্ভর এবং জীবন্ত ভাষা ব্যবহার করতে চান।

তাঁর লেখার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল—


সাধারণ ঘটনাকে অসাধারণভাবে বলা।

তিনি বিশাল কোনো ঘটনা না ঘটিয়েও একটি পরিবারের দুপুর, বৃষ্টির রাত, কারও অপেক্ষা, একটি অসমাপ্ত প্রেম কিংবা এক কাপ চা—এসবকে গল্পে পরিণত করতে পারতেন।

৫. কেন হুমায়ূন আহমেদ এত জনপ্রিয় হলেন?

এটা বোঝার জন্য তাঁর লেখার কয়েকটি বৈশিষ্ট্য দেখতে হবে।


সহজ ভাষা

তিনি এমন বাংলা লিখতেন যা একজন সাধারণ পাঠকও সহজেই বুঝতে পারতেন।


সংলাপ

তাঁর গল্পের সংলাপ ছিল অত্যন্ত স্বাভাবিক।

চরিত্রগুলো যেন বইয়ের পৃষ্ঠা থেকে বেরিয়ে এসে আপনার সামনে কথা বলছে।


মধ্যবিত্ত জীবন

বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত পরিবার তাঁর সাহিত্যের অন্যতম প্রধান বিষয়।

বাবা-মায়ের সম্পর্ক, ভাই-বোন, প্রেম, বিয়ে, অর্থকষ্ট, চাকরি, বেকারত্ব, একাকিত্ব—সবকিছু তিনি গল্পে নিয়ে এসেছেন।


হাসি ও বিষাদ

একই গল্পে তিনি পাঠককে হাসাতে এবং কয়েক পৃষ্ঠা পরেই মন খারাপ করাতে পারতেন।

এই হাসি + বিষাদ + রহস্য + মানবিকতা তাঁর নিজস্ব স্বাক্ষর হয়ে যায়।

বাংলাপিডিয়াও তাঁর লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে বৈচিত্র্যময় বিষয়, স্বতন্ত্র চরিত্র, সহজ ভাষা, সংলাপ এবং রসবোধের কথা উল্লেখ করেছে।

৬. হিমু

হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্রগুলোর একটি হলো হিমু

হলুদ পাঞ্জাবি পরা, খালি পায়ে হাঁটা, প্রচলিত সমাজব্যবস্থার বাইরে থাকা, অদ্ভুত দর্শনের মানুষ—হিমু বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্রে পরিণত হয়।

হিমু আসলে প্রচলিত অর্থে নায়ক নয়।

সে চাকরি করে না, ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষ চিন্তা করে না, মানুষের প্রচলিত নিয়মকে খুব একটা গুরুত্ব দেয় না।

কিন্তু মানুষের মন বোঝার ক্ষেত্রে সে অদ্ভুতভাবে দক্ষ।

হিমুর মধ্যে আছে—

  • দর্শন
  • হাস্যরস
  • রহস্য
  • পাগলামি
  • মানবিকতা
  • এক ধরনের স্বাধীনতা

৭. মিসির আলি

হিমুর বিপরীত মেরুর চরিত্র যেন মিসির আলি

মিসির আলি যুক্তিবাদী।

যেখানে মানুষ ভূত, অলৌকিক ঘটনা বা অস্বাভাবিক কিছু দেখতে পায়, সেখানে মিসির আলি যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা খোঁজেন।

এই চরিত্রের মাধ্যমে হুমায়ূন আহমেদ মানুষের মনস্তত্ত্ব, ভয়, স্মৃতি, অবচেতন মন এবং রহস্যকে অসাধারণভাবে ব্যবহার করেছেন।

একদিকে হিমু—

অলৌকিকতার কাছাকাছি।

অন্যদিকে মিসির আলি—

যুক্তির কাছাকাছি।

এই দুই চরিত্র হুমায়ূনের সৃষ্টিজগতের দুই বিপরীত দর্শনকে প্রতিনিধিত্ব করে।

৮. শুভ্র

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র শুভ্র

শুভ্র তুলনামূলকভাবে শান্ত, কোমল এবং সরল প্রকৃতির।

হিমু যেমন অস্থির ও রহস্যময়, মিসির আলি যেমন যুক্তিনির্ভর—শুভ্রের মধ্যে আছে এক ধরনের নিষ্পাপ মানবিকতা।

শুভ্র সিরিজের উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে আছে দারুচিনি দ্বীপ, রূপালী দ্বীপ, শুভ্র, এই শুভ্র! এই ইত্যাদি।

৯. মুক্তিযুদ্ধের লেখক হুমায়ূন

হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যজগতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তাঁর বাবা মুক্তিযুদ্ধের সময় নিহত হওয়ায় মুক্তিযুদ্ধ তাঁর কাছে শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনা ছিল না—এটি ছিল ব্যক্তিগত শোক ও পারিবারিক স্মৃতির অংশ।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজ—

  • শ্যামল ছায়া
  • আগুনের পরশমণি
  • অনিল বাগচীর একদিন
  • ১৯৭১
  • জোছনা ও জননীর গল্প

বিশেষ করে জোছনা ও জননীর গল্প মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।

১০. টেলিভিশনে বিপ্লব

হুমায়ূন আহমেদ শুধু বইয়ের লেখক ছিলেন না।

বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটকের জনপ্রিয়তার ইতিহাসে তাঁর ভূমিকা বিশাল।

তাঁর নাটকগুলো ঘরে ঘরে আলোচিত হতো।


উল্লেখযোগ্য নাটক ও ধারাবাহিক

  • এইসব দিনরাত্রি
  • বহুব্রীহি
  • অয়োময়
  • কোথাও কেউ নেই
  • আজ রবিবার
  • নক্ষত্রের রাত

বিশেষ করে ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকের বাকের ভাই চরিত্রটি বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হয়ে আছে।

বাকের ভাইয়ের ভাগ্য নিয়ে দর্শকদের আবেগ এত তীব্র হয়ে উঠেছিল যে এটি শুধু নাটক না থেকে বাস্তব জীবনের আলোচনার বিষয় হয়ে যায়।

হুমায়ূন দেখিয়েছিলেন—টেলিভিশন নাটকও সাহিত্যিক গভীরতা, হাস্যরস এবং সামাজিক বাস্তবতা একসঙ্গে ধারণ করতে পারে।

১১. চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন

১৯৯৫ সালে ‘আগুনের পরশমণি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্র নির্মাণের যাত্রা শুরু।

এরপর—

  • শ্রাবণ মেঘের দিন
  • দুই দুয়ারী
  • চন্দ্রকথা
  • নয় নম্বর বিপদ সংকেত
  • আমার আছে জল
  • ঘেটুপুত্র কমলা

এর মধ্যে ‘শ্যামল ছায়া’ মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র।

তাঁর শেষ চলচ্চিত্র ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ২০১২ সালে মুক্তি পায়।

১২. গানও লিখেছেন

হুমায়ূন আহমেদ গীতিকার হিসেবেও কাজ করেছেন।

তাঁর লেখা গানগুলো মূলত তাঁর নাটক ও চলচ্চিত্রের জন্য তৈরি।

উল্লেখযোগ্য গানগুলোর মধ্যে আছে—

  • মরিলে কান্দিস না আমার দায়
  • আমি আজ ভেজাবো চোখ সমুদ্রের জলে
  • চাঁদনী পসর রাতে যেন আমার মরণ হয়
  • আমার আছে জল
  • মনে বড় আশা ছিল

তাঁর গানেও তাঁর লেখার মতোই ছিল সরলতা, বিষাদ ও গভীর আবেগ।

১৩. পুরস্কার ও সম্মাননা

তাঁর দীর্ঘ সৃজনশীল জীবনে তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার পান।

উল্লেখযোগ্য—

🏆 বাংলা একাডেমি পুরস্কার — ১৯৮১

🏆 একুশে পদক — ১৯৯৪

🏆 জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সাহিত্য ও চলচ্চিত্র পুরস্কারে সম্মানিত হন।

১৪. নুহাশ পল্লী

হুমায়ূন আহমেদের নামের সঙ্গে নুহাশ পল্লী বিশেষভাবে জড়িত।

গাজীপুরের পিরুজালীতে তিনি এই প্রাকৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলেন।

এটি শুধু একটি বাড়ি বা বাগান ছিল না।

তিনি এখানে—

  • গাছপালা
  • পুকুর
  • ভাস্কর্য
  • বাগান
  • বিভিন্ন প্রজাতির ঔষধি গাছ

দিয়ে নিজের একটি স্বপ্নের জগৎ তৈরি করেছিলেন।

প্রকৃতির প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা নুহাশ পল্লীতে স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

১৫. ব্যক্তিজীবন

হুমায়ূন আহমেদের ব্যক্তিজীবনও বাংলাদেশের মানুষের ব্যাপক আগ্রহের বিষয় ছিল।

তাঁর প্রথম স্ত্রী ছিলেন গুলতেকিন খান। তাঁদের সন্তানদের মধ্যে শিলা আহমেদ ও নুহাশ হুমায়ূন উল্লেখযোগ্য।

পরবর্তীতে তিনি মেহের আফরোজ শাওনকে বিয়ে করেন।

তাঁর সন্তানদের মধ্যেও শিল্প-সাহিত্য ও সৃজনশীলতার প্রভাব দেখা যায়।

১৬. অসুস্থতা ও মৃত্যু

জীবনের শেষ দিকে তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হন এবং যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা নেন।

১৯ জুলাই ২০১২ সালে, নিউইয়র্কে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁকে গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে সমাহিত করা হয়।

তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর বইয়ের জনপ্রিয়তা কমেনি। বরং নতুন প্রজন্মের পাঠকরাও তাঁর বই পড়তে শুরু করেছে।

১৭. তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান কী?

আমার মতে, হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে বড় অবদান শুধু শত শত বই লেখা নয়।

তিনি বাংলাদেশে বই পড়াকে আবার জনপ্রিয় বিনোদনে পরিণত করেছিলেন।

একজন মানুষ যে অফিস থেকে বাসায় ফিরে একটি উপন্যাস পড়ে আনন্দ পেতে পারে—এই সংস্কৃতিকে তিনি শক্তিশালী করেছিলেন।

বাংলাপিডিয়ার মূল্যায়নেও তাঁর অন্যতম বড় অবদান হিসেবে বিপুলসংখ্যক নতুন পাঠক তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মকে বই পড়ায় আগ্রহী করার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টিজগতকে এক লাইনে ভাগ করলে

ক্ষেত্রউল্লেখযোগ্য সৃষ্টি/চরিত্রউপন্যাসনন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগারহিমুহিমু সিরিজমিসির আলিমিসির আলি সিরিজশুভ্রশুভ্র সিরিজমুক্তিযুদ্ধজোছনা ও জননীর গল্প, আগুনের পরশমণি, ১৯৭১নাটকএইসব দিনরাত্রি, বহুব্রীহি, কোথাও কেউ নেই, আজ রবিবারচলচ্চিত্রআগুনের পরশমণি, শ্রাবণ মেঘের দিন, দুই দুয়ারী, ঘেটুপুত্র কমলাবিজ্ঞান কল্পকাহিনিতাঁর বহু বিজ্ঞানভিত্তিক গল্প ও উপন্যাসগাননিজের নাটক ও চলচ্চিত্রের জন্য লেখা গানপ্রকৃতিনুহাশ পল্লী

একটা বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার

হুমায়ূন আহমেদকে শুধু “জনপ্রিয় লেখক” বললে তাঁর মূল্যায়ন অসম্পূর্ণ হয়।

তিনি একই সঙ্গে ছিলেন—

রসায়নের শিক্ষক → ঔপন্যাসিক → নাট্যকার → চলচ্চিত্র পরিচালক → চিত্রনাট্যকার → গীতিকার → বিজ্ঞানমনস্ক লেখক → মুক্তিযুদ্ধের কথাশিল্পী → এবং সর্বোপরি একজন অসাধারণ গল্পকথক।

এই বহুমাত্রিকতাই তাঁকে বাংলা সাহিত্যে এত আলাদা করে তুলেছে।


০ মন্তব্য · ১১৭ ভিউ
মন্তব্য

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করতে হলে লগইন করুন

লগইন করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!