প্রথম পাতাভ্রমণমেঘলা চিতা

ভ্রমণ

মেঘলা চিতা

মেঘলা চিতা

কক্সবাজারের ইনানী জাতীয় উদ্যানে ১৩ মাসের জরিপে মিলল বিরল মেঘলা চিতার উপস্থিতির প্রমাণ। একই সঙ্গে বনটিতে শনাক্ত হয়েছে মোট ২৩ প্রজাতির বন্য স্তন্যপায়ী প্রাণী।


বিজ্ঞাপন

মেঘলা চিতা ইংরেজীতে ক্লাউড লেপার্ড নামে পরিচিত। এদের বৈজ্ঞানিক নাম: Neofelis nebulosa আর বিরল এই প্রাণীটি Felidae বা বিড়াল গোত্রের একটি নিভৃতচারী বন্যপ্রাণী। 


এদের গায়ে বড় বড় মেঘের আকৃতির সুন্দর ছোপ ছোপ দাগ থাকার কারণে বাংলায় এদের নামকরন করা হয়েছে মেঘলা চিতা। এরা অধিকাংশ সময় গাছে থাকে বলে অঞ্চলভেদে এদের 'গেছো বাঘ' নামেও ডাকা হয়।

​এরা মূলত নিভৃতচারী ও লাজুক প্রকৃতির নিশাচর প্রাণী।

​খাদ্য হিসেবে এরা গাছে থাকা বানর, কাঠবিড়ালি, ইঁদুর ও পাখি শিকার করে। মাঝেমধ্যে গাছ থেকে নিচে নেমে হরিণ, বুনো শুকর বা ছাগলও শিকার করে।

​আইইউসিএন (IUCN) অনুযায়ী বাংলাদেশে মেঘলা চিতাকে 'মহাবিপন্ন' প্রাণী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশে এদের মূল বিচরণ ক্ষেত্র মূলত পার্বত্য চট্টগ্রাম (বান্দরবান, রাঙামাটি) ও সিলেটের দুর্গম পাহাড়ি বনাঞ্চল। তবে সম্প্রতি কক্সবাজারের ইনানী জাতীয় উদ্যানের বনে ক্যামেরা ট্র্যাপে এদের উপস্থিতির প্রমাণ মেলে।

অনিয়ন্ত্রিতভাবে বন ধ্বংস, অবৈধ শিকার, আবাসস্থল বিচ্ছিন্নকরণ এবং মানুষের আনাগোনা বাড়ার কারণে এদের অস্তিত্ব চরম হুমকির মুখে পড়েছে।

০ মন্তব্য · ৪০ ভিউ
মন্তব্য

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করতে হলে লগইন করুন

লগইন করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!