ভাবুন তো—ভ্যাকসিন নিতে আর সিরিঞ্জের প্রয়োজন নেই, ভ্যাকসিনের উপাদান তৈরি হচ্ছে ধানের বীজেই!
বাংলাদেশের বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. জেবা ইসলাম সিরাজ দীর্ঘদিন ধরে ধান নিয়ে গবেষণা করছেন। ১৯৮৬ সালে গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করার পর দেশে ফিরে তিনি উদ্ভিদ ও ধানভিত্তিক বায়োটেকনোলজি গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন।
তার গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—ধানকে ব্যবহার করে ভ্যাকসিনের অ্যান্টিজেন তৈরি করা। বিশেষ করে কলেরা ও যক্ষ্মার অ্যান্টিজেন ধানে উৎপাদনের গবেষণায় তার দল কাজ করেছে।
এই ধারণাকে বলা হয় এডিবল ভ্যাকসিন—অর্থাৎ খাবারের মাধ্যমেই শরীরে ভ্যাকসিনের উপাদান পৌঁছে দেওয়ার সম্ভাবনা।
সবচেয়ে আশার কথা হলো, এই প্রযুক্তি সফলভাবে আরও উন্নত করা গেলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
তবে মনে রাখতে হবে—এটি এখনো মানুষের জন্য অনুমোদিত ভ্যাকসিন নয়। মানুষের ওপর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালসহ আরও গবেষণা প্রয়োজন।
অর্থাৎ, বাংলাদেশের ধান শুধু খাবার নয়—সঠিক গবেষণায় ভবিষ্যতে জীবন রক্ষার প্রযুক্তির বাহকও হতে পারে!
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!