প্রথম পাতাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তিদেহতত্ব

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

দেহতত্ব

দেহতত্ব

ধর্ম কি ★ কেন আমাদের ধর্ম করতে হয় এবং কেন করবো? কেন সঠিক ধর্ম গ্রহন করতে হবে? ধর্ম আমাদের কি রুপে নৈতিকতার শিক্ষা প্রদান করে. 

★ ধর্ম = ধ + র্ম অর্থাৎ ধ মানে ধারন করা বা ধরা = কি ধারন করবেন বা কি ধরবেন? আমাদের ধরতে হবে বিনয়াবনতা, ন্যায় নিতি সত্যতা এবং মানবতাবাদ যার ভিতরে মনুষ্যকৃত রুপে মানবতা নেই তার ভিতরে কোন প্রকার ধর্ম নেই. ধরুন আপনি অপর একজন মানুষের নিকট থেকে টাকা পয়শা ধার নিয়েছেন এবং আপনি যদি সঠিক সময় মত নিতি ঠিক করে পরিশোধ করে দেন তাহলে আপনার ধর্ম হয়ে গেল. আর যদি আপনি পরিশোধ না করেন তাহলে আপনি নিতি ভ্রষ্টাচারী হয়ে ধর্ম হিন হয়ে গেলেন. আপনি প্রতিদিন তিন বেলা খাবার খেলেন অথচ আপনার পাসের বাড়ির প্রতিবেশি না খেয়ে আছে আর আপনি মুখে বলছেন ধর্ম করছেন? কারন মান + হুশ তার পরে হয় মানুষ অর্থাৎ একজন প্রকৃত মানুষের প্রতিটি সময়কাল হুশ নিয়ে নিজের চলার পথ চলতে হয় কেননা কোন প্রকৃত মানুষ প্রতারক হয় না খারাপ হয় না বেখেয়ালি হয় না, একজন প্রকৃত মানুষ সর্বদা সঠিক পথ প্রদর্শন করান ★ এবং র্ম অর্থাৎ মর্ম মানে হলো সঠিকত্ব ভাবে তাতপর্য সমুহ নিজের ভিতরে মনিবন্ধন করে বিকাশগত করে প্রকাশিত করার নাম হলো মর্মজ্ঞ. 

বিজ্ঞাপন

★ এটা হলো জাগতিক মনুষ্য সঞ্চালনায় সভ্য সমাজে চলার জন্য ধর্ম পথ চলতে


আত্মিকবাদী ধর্ম বিশ্বাসঃ অর্থাৎ ঈমান আনা, আপনি একজন গুরুর প্রতি ঈমান যদি থাকে তাহলে আপনি মুমিন হলেন অর্থাৎ মুমিন মানেই বিশ্বাসী হওয়া, যে কোন জাতির মানুষ মুমিন হতে পারে 

★ মুসলিম অর্থাৎ নিজের আমিত্ব তথা নিজের ভিতরের পশুত্ব সভাব ত্যাগ পরিশুদ্ধ করে আত্মসমর্পণ করার নাম হলো মুসলিম. আপনি কার নিকট নিজের আমিত্ব আত্মসমর্পন করবেন তিনি হলেন একজন ভাল সৎ গুরুর নিকটে 

★ মুত্তাকিন যিনি আহলে বায়তের নিকট হতে বায়াত গ্রহন করে নিতি আধ্যাত্মিক বিধানা বলি মেনে দায়েমি সালাত সদা সর্বদা পালন করেন তাকে মুত্তাকিন বলা হয়.


 ★ শরিয়ৎ বা শরিয়া অর্থাৎ আইন কানন. একটি জাতি যদি বিশ্রিংখল হয়ে থাকে সেই জাতি কে একটি সু-শ্রিংখল করার জন্য অনেক গুলো আইন হতে পারে. আর যে কোন জাতি বলেন বা দেশ পরিচালিত করতে হলে আইন কানুন এর প্রয়োজন আছে. তদরুপ একটি নতুন দর্শন এর ধারা বজায় রেখে চলতে গেলে কিছু আইন হতে পারে আর সেই আইন এর নামই শরিয়ত. সমাজ দেশ পরিচালিত করতে গেলে শরিয়েত সামাজিক আইন দিয়ে করতে চলতে হয় কিন্তুু সেই আইন সময়ের পরবর্তী সময়ে কাল পাত্রে পরিবর্তন হতে পারে। আমাদের নবী মুহাম্মাদ  তিনি শরিয়ত সৃষ্টি করেছিল রাস্ট পরিচালিত করতে , এবং একটি বিশ্রিংখল জাতি কে সু শ্রিংখল করতে অবশ্যই শরিয়তের শরা আইন কানুন বিধিনিষেধ বিধিমালা আইনের মাধ্যমে করতে হয়।  কিন্তুু মুল ইব্রাহিম আঃ ধর্ম পথ পদ্ধতি আধ্যাত্মিকতা ধর্ম তত্ব পরিবর্তন হয় না তেমন । রাষ্টের বা শরিয়তে আইন সময়ের প্রয়োজনে পরিবর্তন হতে পারে সময়ের জন্য কেননা কাল পাত্র পরিস্থিতিতে দেশ ও সময় বিচার করে নিতি নির্ধারন করতে হয় . ★ ইসলাম অর্থাৎ শান্তি প্রতিটি জাতির মুল কথা হলো শান্তি. তাহলে সকল ধর্মেই শান্তির বানি প্রচার করে. যদি আপনি শান্তির বানি বা শান্তির ধর্মের কথা বলেন তাহলে আপনার মাঝে পশুসুলভ আচরন কেন এবং আপনার মাথার উপরে পশু কেন. আপনি হিংস্র কেন, আপনি মুসলিম বা হিন্দু বা খ্রিষ্টান বা ইহুদী বা অন্য জাতির হোন না কেন তাহলে আপনি নিজ মুখে শান্তির কথা বলে আপনি নিজেই বন্দুক তরবারি লাঠি নিয়ে অন্য নিরিহ মানুষের উপরে জুলুমবাজি কেন করছেন? এটা কি শান্তির ধর্ম বলে এটার নাম কি মানবতাবাদ বলে? যখনি মানব জাতি বিশ্রিংখল হয়ে পাপাচার করে তখনি মহামানবদের আবির্ভাব ঘটে এই পৃথিবীতে. আর তাই তো যুগে যুগে অনেক মহামানব এসেছে এবং শান্তির বানী প্রচার করেছে এবং জাতি কে সু-শ্রিংখল করে গেছে. মুল ধর্ম দর্শন বুঝিয়ে গেছেন ★


শরিয়ত হলো রাস্ট পরিচালিত শরা আইন কানুন বিধিনিষেধ বিধিমালা দিয়ে আইনের শাসন আওতায়৷ নিয়ে পরিচালিত হয়।  আর মুল ধর্ম দর্শন ইব্রাহিম আঃ পথ পদ্ধতি আলাদা।

আপনারা তথাকথিত শরিয়তে আলেম মুফতিগন শরিয়ত আর এলমে তাসাউফ মারেফাত ইব্রাহিম আঃ ধর্ম পথ পদ্ধতি বিধান না বুঝার কারনে ধর্মে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করেছেন। 

  

তাহলে আল কোরআন কেন বলা হয়েছে হে নবী মুহাম্মাদ তুমি  ইব্রাহিম আঃ ধর্ম পথ পদ্ধতি বিধান অনুযায়ী অনুসরণ কর?  


(১) ধর্ম মানসিক শান্তি প্রদান করে। একমাত্র ধর্মই পারে মানসিক শান্তি আনতে. আমরা মুসলমানরা যখন মসজিদে অবস্থান করি তখন একটা বিশেষ শান্তি লাভ পাওয়া যায়। সব সময় মনে হয় মসজিদ কেমন যেন ঠাণ্ডা নিজের ভিতরে পবিত্র একটা স্থান. নিজের ভিতরে শান্তির অবয়বগত অবস্থান ফুটে উঠে। তেমনি অন্য ধর্মের মানুষরাও তাদের উপাসনালয়ে গিয়ে শান্তি অনুভব করে. এবং মুলত সঠিক একজন সৎ গুরুর নিকট গেলেই মুল শান্তি অনুভব করা যায়. ★ মুলত ধর্মে শান্তি আসে কখন? যখন একটি মানব মানবী নিজ দেহ পশু আত্মা মুক্ত দেহ পরিশুদ্ধ করে সোনালী চন্দ্র রুপ লাভ করে পরম আত্মা দর্শন করে মুল আল্লাহ দর্শন করে জন্ম মৃত্যু চক্র হতে উদ্ধার হতে পারে তখনি শান্তি আসে দেহে মনে।  


(২) যে কোনো ধর্ম দর্শন মানব জাতিকে ঐক্য সৃষ্টি করে সকল ধর্ম পালনকারীদের ভিতর একটা গভীর ঐক্য থাকে, মানবতা হলো ধর্ম. ★ আত্ম ধর্ম তত্ব এবং তাহাই কর্ম ও তাহাতেই মানব মুক্তির প্ররিত্রান এবং পরিশেষে নিজেকে প্রকাশিত করে বিকাশলাভ করে শান্তির ঘরে প্রবেশ করার নামই ধর্ম.★ যাহা মানব এর জন্য কল্যাণকর তাহাই ধর্ম এবং যা মানবের জন্য অকল্যাণকর তাহাই অধর্ম ★


প্রতিটি শুদ্ধ আত্মা প্রাণ যেন অনন্তকাল শান্তিতে থাকতে পারে এজন্যই সকলকে ধর্ম করতে হবে.

আপনার আত্মার শান্তি মুক্তির জন্য সঠিক ধর্ম করতে হয়। 


★ আপনার জন্ম  মানব রুপে কেন হয়েছে ? আপনি সংসার করলেন বিয়ে করলেন বউ নিয়ে ঘুরলেন সেক্স করলেন দামি দামি খাবার খেলেন হাগু করলেন পাদলেন ঘুমালেন একটি সময় মারা গেলেন, এই জন্য আপনাকে মানব রুপে সৃষ্টি করা হয় নাই । আর আপনি এতো সহজে আপনি একটি মানব রুপ লাভ করতে পারেন নাই। পিতা মাতা নিদিষ্ট করে আপনাকে নিয়ে আসে নাই এটাই আপনি, আপনার পিতা মাতা সেক্স করেছে তাদের আনন্দ ফসল হলেন আপনি আর যৌনীতে লাখ লাখ শুক্রকীট ফেলে দিয়েছেন  এর ভিতরে একটি দুইটি শুক্রকীট আপনি নিজেই যুদ্ধ করে মাতৃ জঠরে ধারণ করে মানব রুপে এসেছেন। অনেক যুদ্ধ কর্মে পরিশেষে আপনি বিভিন্ন স্থানে পরিভ্রমন করে মানব রুপ লাভ করেছেন এতো সহজে আপনি মানব রুপ লাভ করেন নাই। 

আপনার পিতা মাতা আপনার কেও কিছুই হয় না আপনার পিতা মাতা শুধু উপলক্ষ  শুধু একটি সিস্টেম পদ্ধতি অনুযায়ী সামাজিক রীতি অনুযায়ী সন্তান জন্ম জীবন ব্যবস্থার জন্য পদ্ধতি বিধান। আপনি মারা গেলেন আপনার পিতা মাতার ভাই বোন কারো সাথে কোন সংযোগ কানেকশন থাকবে না পরিচয় থাকবে না, আপনার আত্মা আপনার কর্ম গুনে সফলতা নির্ভর করে আর আত্মা কোথায় কোন আত্মা পজিশন অবস্থান করবে সেটা আপনার কর্মের উপরে নির্ভর করবে।  

 

মানুষ তার সঠিক মুল ধর্ম কর্ম হলো তার জন্ম মৃত্যু চক্র হতে উর্দ্ধার হতে হলে অবশ্যই একজন সঠিক সৎ গুরুর নিকট হতে বায়াত বা দ্বীক্ষা নিয়ে নিজের জন্য সঠিক ধর্ম পালন করতে হয়। এবং জন্ম মৃত্যু চক্র হতে উর্দ্ধার হতে হয়।  


★নিচের এইটা মুল তত্ব ★

★ মুল আধ্যত্মিক দেহ তত্ব ধর্ম তত্ব কি যেখান হতে মুল ধর্মের উৎপত্তি আল্লাহর হতে ★ ধর্ম শব্দ ধৃ ধাতু হতে ধর্মের উৎপত্তি হয়েছে। ধৃ অর্থ ধারন করা, কি ধারন করবেন? ধর্ম উচ্চাচরন করতে র প্রতি শব্দ আসে ধরের সাথে র শব্দ উচ্চারণ হয় আর র বা রা শব্দ বলতে আকার আলোর রুপ চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটায় নিজ দেহের ভিতরে অবয়ব রুপে । মর্ম মানে হলো সঠিকত্ব ভাবে তাতপর্য সমুহ নিজের ভিতরে মনিবন্ধন করে বিকাশগত করে প্রকাশিত করার নাম হলো মর্মজ্ঞ। মর্ম মনি উচ্চ হতে, মনিকোঠায় ধারন করতে হয়। মনি উচ্চ বলতে কি? মানব মানবী তার  নিজ দেহ নামক নফস পরিশুদ্ধ করে, পশু আত্মা মুক্ত করে  জীব আত্মা পরিশুদ্ধ করে নিজ দেহ পরিপূর্ণ সোনালি চন্দ্র লাভ করে এটা কে পরিশুদ্ধ নফস বলা হয়েছে আল কোরআন নিশ্চয় যিনি পরিশুদ্ধ হয়েছে তিনি সফল হয়েছেন। তার পরে মানব দেহের ভিতরে বৃহত্তর আলোর কনা যে আছে সেই কনা কে প্রজ্জ্বলিত করে নিজ রুপে আকারে পরম আত্মার দর্শন করে তার পরে মুল আল্লাহ দর্শন করে ধারন করতে হয়। এই পরম আত্মা হলো নিজের রুপে ছোট ক্ষদ্র আলো কনাকে প্রজ্জ্বলিত করে নিজ রুপে কলবে বুকে সোনালী রুপে দেখার নাম পরম আত্মা দর্শন বলা হয়।  এবং এবং সর্ব শেষে মুল আল্লাহ কে দর্শন করে ধারন করা কে এটাকে মুল ধর্ম বলা হয়। এই আল্লাহ দর্শন কে আত্মার মুক্তি বলা হয়। আর মুল আত্মার মুক্তি বলা হয় , জন্ম মৃত্যু চক্র হতে উদ্ধার হতে পারলে আপনার শান্তি থাকবে । 


 যদি বলেন আল্লাহ কে কি ভাবে ধারন করতে হয় সুরা বাকারা বলা হয়েছে ১৩৮ নং আয়াতে আল্লাহর রঙের রঙিন হও । 

صِبۡغَۃَ اللّٰہِ ۚ وَ مَنۡ اَحۡسَنُ مِنَ اللّٰہِ صِبۡغَۃً ۫ وَّ نَحۡنُ لَہٗ عٰبِدُوۡنَ ﴿۱۳۸﴾

সিবগাতাল্লা-হি ওয়ামান আহছানুমিনাল্লা-হি সিবগাতাওঁ ওয়ানাহনুলাহু ‘আবিদূ ন।

আমরা আল্লাহরই রংয়ে রঞ্জিত, আল্লাহ অপেক্ষা কে শ্রেষ্ঠতম রঞ্জনকারী? এবং আমরা তাঁরই বান্দা।


আবার যদি প্রস্ন করেন আল্লাহ দর্শন করতে হবে প্রমান কি সুরা ইনশিকাক আয়াত নং ৬ দেখেন। یٰۤاَیُّہَا الۡاِنۡسَانُ اِنَّکَ کَادِحٌ اِلٰی رَبِّکَ کَدۡحًا فَمُلٰقِیۡہِ ۚ﴿۶﴾

ইয়াআইয়ুহাল ইনছা-নুইন্নাকা কা-দিহুন ইলা-রাব্বিকা কাদহান ফামুলা-কীহ।

হে মানবসকল! তোমরা কঠোর পরিশ্রম করতে থাক, তোমাদের আমাল অনুযায়ী তোমাদের রবের সাক্ষাত লাভ করবে, আর এটাতো অবশ্যই সম্ভব। 

 এই আল্লাহর সাথে সাক্ষাত আপনার মানব জীবনে করতে হবে। 


★ মানব মানবী তার নিজ দেহ সোনালী রুপে চন্দ্র লাভ করতে চাইলে অবশ্যই তাকে আলোর জগতের গুটি কুন্ডলী সাধনা করতে হবে। এছাড়া হবে না। 

 

★আলোর জগতের মানব জাতি তার দেহ পরিশুদ্ধ করে চন্দ্র লাভ করার পরে বৃহত্তর মুল আলোর কনা কে প্রজ্জ্বলিত করতে চাইলে এবং সরাসরি মুল আল্লাহ দর্শন পেতে চাইলে আলোর জগতের গুটি কুন্ডলী করতে হবে। 


এবং আলোর জগতের মানব মানবী মুল আল্লাহ দর্শন করার পরে চক্র একটিভ করে কুন ফায়াকুন অলৌকিক শক্তি লাভ করতে চাইলে আলোর জগতের গুটি কুন্ডলী সাধনা করতে হবে। এছাড়া হবে না। 


কলিযুগে মুল আল্লাহ দর্শন ছিল না। কলিযুগে চক্র একটিভ সেটাও ছিল না। আপনি প্রতিটি পীর গুরুর দরবারে ঘুরে দেখেন পীরের রুপে আল্লাহ দর্শন বলা হয়। 

 কলিযুগ কে চন্দ্র যুগ বলা হয়। চন্দ্র যেখানে হতে শুরু হয় সেখানে ঘুরে ফিরে পূর্নরায় ফিরে আসে। চন্দ্র চক্র হতে উর্দ্ধার হতে হবে। চন্দ্র চক্র একটি আবদ্ধ চক্র ঘূর্নি চেতনার ভিতরে পরে যায় মানব জাতি। চন্দ্র চক্র একটি নিদিষ্ট সার্কেলে ঘুরে পূর্নরায় ফিরে আসে । এই জন্য এই চন্দ্র চক্র হতে উর্দ্ধার হতে হবে আল কোরআন পড়ে দেখেন সুরা ইনশিকাক ১৮ এবং ১৯ আয়াতে বলা হয়েছে  وَ الۡقَمَرِ اِذَا اتَّسَقَ ﴿ۙ۱۸﴾

ওয়ালকামারি ইযাত্তাছাক।

এবং শপথ চন্দ্রের যখন ওটা পরিপূর্ণ হয়। 


لَتَرۡکَبُنَّ طَبَقًا عَنۡ طَبَقٍ ﴿ؕ۱۹﴾

লাতারকাবুন্না তাবাকান ‘আন তাবাক।

নিশ্চয়ই তোমরা এক স্তর হতে অন্য স্তরে আরোহণ করবে,

ভাল করে বোঝেন সাধাক চন্দ্র রুপ লাভ করলে তাকে অন্য স্তরে পৌঁছাতে বলা হয়েছে। 

এখন জ্ঞান চৈতন্য সত্যযুগ শুরু হয়েছে 

মুল সত্যযুগের ৩০ শতাংশ প্রবেশ করেছে 

কলিযুগের এলোমেলো ধর্ম  দর্শন ধ্বংস হয়ে যাবে। 


ইব্রাহিম আঃ ধর্ম দর্শন আলোর জগতের গুটি কুন্ডলী জাগরন করে দেহ পরিপূর্ণ করে সোনালী চন্দ্র রুপ লাভ  করে পরম আত্মা দর্শন করে মুল আল্লাহ দর্শন করতে হয়। 


মহাবিষ্ণু আব্দুল্লাহ আল রায়েদ কলন্দর

০ মন্তব্য · ৬৬ ভিউ
মন্তব্য

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করতে হলে লগইন করুন

লগইন করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!